June 27, 2026, 8:32 pm
শিরোনামঃ
উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন ইন্তেকাল করেছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলি ও ভারতীয় মাদক সিরাপ উদ্ধার মাগুরায় ওয়াইফাই ব্যবসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ; সংবাদ সম্মেলনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের অন্যদের মতোই সমঅধিকার দেবে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ : তথ্য উপদেষ্টা ফরিদপুরে কলেজ শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা লালমনিরহাটে দুই পুলিশকে কুপিয়ে পালালো আসামি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষর ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
এইমাত্রপাওয়াঃ

একাত্তরে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো খ্যাতনামা সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) ভারতের নয়াদিল্লির একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে বিবিসি হিন্দি জানিয়েছে। মার্ক টালি গত শতকের ষাটের দশক থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন বিবিসির ভারত ব্যুরোপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।

বিবিসি থেকে অবসর নেওয়ার পর ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতায় নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন তিনি। ভারতে বিবিসির হয়ে দায়িত্ব পালনের সময় ১৯৭১ সালের বাঙালির পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন মার্ক টালি। তিনি তখন ছিলেন বিবিসির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সংবাদদাতা। সীমান্তবর্তী শরণার্থীশিবির ও বিভিন্ন জেলা ঘুরে তিনি বাঙালিদের প্রকৃত দুর্দশার চিত্র আর যুদ্ধের খবর পাঠান।

মার্ক টালির পাঠানো খবর বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে ভূমিকা রেখেছিল। এজন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’য় ভূষিত করে। ভারত সরকারও মার্ক টালিকে পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ সম্মাননায় ভূষিত করে। স্বদেশ থেকে তিনি পান নাইটহুড খেতাব।

যুক্তরাজ্যের নাগরিক মার্ক টালির জন্ম ভারতের কলকাতার টালিগঞ্জে ১৯৩৫ সালের ২৪ অক্টোবর। তার ব্যবসায়ী বাবা তখন ভারতে ছিলেন। শৈশব কলকাতায় কাটলেও ৯ বছর বয়সে ইংল্যান্ডে ফিরে যান তিনি। স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করেন সেখানেই।

শুরুতে সেনাবাহিনীতেও যোগ দিয়েছিলেন মার্ক টালি।কিন্তু ভালো না লাগায় তা ছেড়ে দিয়ে ভর্তি হন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে, ইতিহাস ও ধর্ম বিষয়ে। তবে সেই পড়াশোনাও শেষ করেননি।

১৯৬৪ সালে বিবিসিতে যোগ দেন মার্ক টালি। পরের বছর দিল্লিতে দায়িত্ব নিয়ে আসেন। ১৯৯৪ সালে বিবিসি থেকে অবসর নেওয়ার আগে ২০ বছর তিনি দিল্লিতে ব্যুরোপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। মার্ক টালির স্ত্রী মার্গারট ও চার সন্তান লন্ডনে থাকলেও তিনি নিজে ভারতেই থাকতেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন মার্ক টালি। তার মধ্যে রয়েছে—অমৃতসর: মিসেস গান্ধীস লাস্ট ব্যাটল, রাজ টু রাজিব: ফর্টি ইয়ার্স অব ইন্ডিয়ান ইনডিপেনডেন্স, নো ফুল স্টপ ইন ইন্ডিয়া, আনএন্ডিং জার্নি, ইন্ডিয়া: দ্য রোড অ্যাহেড, হার্ট অব ইন্ডিয়া।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page