October 5, 2026, 2:57 pm
শিরোনামঃ
শিক্ষকরাই শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর : পুতিন সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে আবারও হামলা ; তেল সরবরাহ বন্ধ যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো জবাব নিয়ে চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে ইরান ঝিনাইদহের মহেশপুরে আদালতের ডিক্রিপ্রাপ্ত জমি দখলের অভিযোগ ; বিবাদীদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর ক্ষোভ ও মানববন্ধন যশোরের শার্শায় পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ থেকে বিনামূল্যে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ : মাইকেল মিলার  নোয়াখালীতে বিভিন্ন মাদক মিশিয়ে বানানো ‘ঝাক্কাস’ সেবন করে তরুণের মৃত্যু ; ৪ জন হাসপাতালে
এইমাত্রপাওয়াঃ

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তা জড়িত : ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ভারতের ভবিষ্যৎ ও এর নিরাপত্তা বাংলাদেশের সঙ্গে জড়িত। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) নয়া দিল্লিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকীতে এ কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জৈষ্ঠ কর্মকর্তা স্মিতা প্যান্ট।

তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ একত্রে নবায়ণযোগ্য শক্তি ও সুন্দরবন রক্ষা করাসহ অনেক কিছু করতে পারে।

স্মিতা প্যান্ট বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকার ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে পরিবারসহ শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে একদল বিপথগামী সেনা। বাংলাদেশের জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তারা তার স্বপ্নকে পরাজিত করতে পারেনি। আজ সবাই তার স্বপ্ন অনুধাবন করতে পারছে। বাংলাদেশের মানুষ মৌলবাদীতাকে পরিত্যাগ করেছে, দেশও এখন মধ্যম আয়ে রূপান্তরিত হচ্ছে, তারা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে প্রচুর সেনাও পাঠাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষদের জন্য বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম ও ত্যাগ আদর্শে পরিণত হয়েছে। শেখ মুজিব তার অভিজ্ঞতা থেকে রাজনৈতিক দর্শন তৈরি করেছেন, যুদ্ধ করেছেন সমতা ও ন্যায়বিচার, মৌলিক মানবিক অধিকার, বিশেষ করে আত্মমর্যাদার জন্য।

মুস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে দেয়া তার প্রথম ভাষণে সবার জন্য শান্তি এবং ন্যায়বিচারের গুরুত্বের বিষয়ে ইঙ্গিত করেন শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর উদ্ধৃতি দিয়ে মুস্তাফিজুর বলেন, ‘বাংলাদেশের যুদ্ধ শান্তি ও ন্যায়ের জন্য সর্বজনীন সংগ্রামের প্রতীক’। একই ধরনের কথা তিনি ১৯৭৩ সালে জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের সম্মেলনেও বলেছিলেন।

হাইকমিশনার তার বক্তব্যে দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতির বিষয়েও কথা বলেন।

প্যান্ট ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পঙ্কজ সরণও বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, আর্থ-সামাজিক মানদণ্ডে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চেয়েও এগিয়ে, এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভারতের চেয়েও এগিয়ে। ভারতের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে এমন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নই দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।



Our Like Page