October 28, 2026, 1:55 pm
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চালকদের আচরণ ও ফিটনেসের কথা বললেই গাত্রদাহ হয় : সড়কমন্ত্রী শুধু একটি নয় ; ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই ভালো করার লক্ষ্য ইসির : সিইসি হবিগঞ্জে আইফোনের লোভে বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা ; মরদেহ মিললো ডোবায় চট্টগ্রামে ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে কৃষকের দুই হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার খুব শিগগির ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হয়ে উঠবে : ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের সাহায্য ছাড়াই মধ্যপ্রাচ্যের সংকট সমাধান সম্ভব : ইরানের প্রেসিডেন্ট আইজেনকটের সঙ্গেই জোট বাঁধতে পারে আরব দলগুলো দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স ; আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তা জড়িত : ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ভারতের ভবিষ্যৎ ও এর নিরাপত্তা বাংলাদেশের সঙ্গে জড়িত। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) নয়া দিল্লিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকীতে এ কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জৈষ্ঠ কর্মকর্তা স্মিতা প্যান্ট।

তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ একত্রে নবায়ণযোগ্য শক্তি ও সুন্দরবন রক্ষা করাসহ অনেক কিছু করতে পারে।

স্মিতা প্যান্ট বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকার ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে পরিবারসহ শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে একদল বিপথগামী সেনা। বাংলাদেশের জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তারা তার স্বপ্নকে পরাজিত করতে পারেনি। আজ সবাই তার স্বপ্ন অনুধাবন করতে পারছে। বাংলাদেশের মানুষ মৌলবাদীতাকে পরিত্যাগ করেছে, দেশও এখন মধ্যম আয়ে রূপান্তরিত হচ্ছে, তারা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে প্রচুর সেনাও পাঠাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষদের জন্য বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম ও ত্যাগ আদর্শে পরিণত হয়েছে। শেখ মুজিব তার অভিজ্ঞতা থেকে রাজনৈতিক দর্শন তৈরি করেছেন, যুদ্ধ করেছেন সমতা ও ন্যায়বিচার, মৌলিক মানবিক অধিকার, বিশেষ করে আত্মমর্যাদার জন্য।

মুস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে দেয়া তার প্রথম ভাষণে সবার জন্য শান্তি এবং ন্যায়বিচারের গুরুত্বের বিষয়ে ইঙ্গিত করেন শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর উদ্ধৃতি দিয়ে মুস্তাফিজুর বলেন, ‘বাংলাদেশের যুদ্ধ শান্তি ও ন্যায়ের জন্য সর্বজনীন সংগ্রামের প্রতীক’। একই ধরনের কথা তিনি ১৯৭৩ সালে জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের সম্মেলনেও বলেছিলেন।

হাইকমিশনার তার বক্তব্যে দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতির বিষয়েও কথা বলেন।

প্যান্ট ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পঙ্কজ সরণও বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, আর্থ-সামাজিক মানদণ্ডে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চেয়েও এগিয়ে, এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভারতের চেয়েও এগিয়ে। ভারতের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে এমন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নই দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩
  • ১৬ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮


Our Like Page