July 22, 2026, 3:44 pm
শিরোনামঃ
বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করলো জামায়াত ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল ময়মনসিংহে গ্যাস না পেয়ে মহাসড়কে অবরোধ করলো সিএনজি চালকেরা খুলনায় তালাবদ্ধ ঘরে কাঁথা-তোশকে প্যাঁচানো অবস্থায় যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার ভারতের এবারের আন্দোলন নিয়ে আতঙ্কিত বিজেপি চীন সীমান্তে শান্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্বশর্ত : ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিফা সভাপতিকে জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান ট্রাম্প দিল্লিতে বিক্ষোভ সামাল দিতে ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ করল সরকার
এইমাত্রপাওয়াঃ

মাগুরায় সমাজসেবা অফিসারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার ; তদন্তে মিলেনি অভিযোগের সত্যতা

ফারুক আহমেদ, মাগুরা : মাগুরার শালিখা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাছিমা খাতুনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য নথিপত্র, তথ্য-প্রমাণ বা ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টিকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার বলে মনে হয়েছে।

 

সম্প্রতি “নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক প্রেক্ষাপট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম মাগুরা” নাম ব্যবহার করে একটি ফেসবুক পোস্টে শালিখা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে ব্যাপক দুর্নীতি, ভাতাভোগীদের অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। পরে তদন্তের মাধ্যমে জানা যায় ব্যক্তি কেন্দ্রিক ফেসবুক আইডি থেকে ওই অপপ্রচার করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়টি যাচাই করতে জেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে উপপরিচালক মো. সায়েদুর রহমান মৃধা এবং সহকারী পরিচালক মো. জাহিদুল আলম শালিখা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে তদন্তে যান। তদন্তকালে তারা কার্যালয়ের নথিপত্র, উপকারভোগীদের তথ্য, ভাতা ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ড পর্যালোচনা করেন।

 

তদন্ত শেষে উপপরিচালক মো. সায়েদুর রহমান মৃধা বলেন, “ফেসবুকে যে ধরনের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর সমর্থনে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আমরা সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করেছি। অভিযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো তথ্য বা নথি পাওয়া যায়নি।”

 

সহকারী পরিচালক মো. জাহিদুল আলম বলেন, “সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা ভাতাভোগীদের মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের মাধ্যমে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করার মতো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো অধিকাংশই ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতীয়মান হয়েছে।”

 

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাছিমা খাতুন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে। তদন্তে প্রকৃত বিষয়টি উঠে এসেছে। আমি প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

 

সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে তা যাচাই করা প্রয়োজন। ভিত্তিহীন অভিযোগ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

 

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিভাগ সবসময় সচেষ্ট। কোনো অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে প্রমাণ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা দুঃখজনক এবং এটি জনস্বার্থের পরিপন্থী।

আজকের বাংলা তারিখ

July ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jun    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page