January 31, 2026, 9:21 am
শিরোনামঃ
ফিটনেস সনদ ছাড়া যাওয়া যাবে না হজে ; স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ সুনামগঞ্জের গ্যাস ট্রাজেডি ; নাইকোর কাছ থেকে ৫১২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে চুক্তি করে বাংলাদেশের পোশাকের বাজার দখল করতে চায় ভারত চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে হস্তান্তর ইস্যুতে শ্রমিকদের কর্মবিরতির ঘোষণা নির্বাচনে সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি ; ব্যবহৃত হবে না কোনো মারণাস্ত্র বাংলাদেশে সোনার দাম ভরিতে কমলো ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা ভোলায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত নওগাঁয় ডাম্প ট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় মামলা, আসামি ৭৩৪ আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই জাতিসংঘের তহবিল শূন্য হওয়ার আশঙ্কা
এইমাত্রপাওয়াঃ

মিয়ানমারে নির্বাচনকালে জান্তার হামলায় অন্তত ১৭০ বেসামরিক নিহত : জাতিসংঘ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  মিয়ানমারে সামরিক জান্তা সরকারের আয়োজিত নির্বাচন চলাকালেও সহিংসতা থামেনি। জাতিসংঘের তথ্যমতে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পুরো সময়জুড়ে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ১৭০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

বিবিসি জানিয়েছে, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।সংস্থাটি জানায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে গত সপ্তাহে শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ পর্যন্ত জান্তা বাহিনী দেশজুড়ে অন্তত ৪০৮টি বিমান হামলা চালিয়েছে।

মিয়ানমারে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের দলের প্রধান জেমস রডহেভার জানান, প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১৭০ বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা গেছে। তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা, নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের পরিবেশের কারণে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এদিকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে, নির্বাচনে বড় ধরনের জয় পেয়েছে জান্তা-সমর্থিত রাজনৈতিক দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি)। তবে এই নির্বাচনকে আন্তর্জাতিক মহল গ্রহণযোগ্য বলে মানছে না। বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে ‘সাজানো নাটক’ ও ‘প্রহসন’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

তাদের মতে, সহিংসতা, ভয়ভীতি ও দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক মানদণ্ড পূরণ করেনি। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান ভলকার তুর্ক বলেন, মিয়ানমারের জনগণ ভোট দেওয়া কিংবা ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চরম আতঙ্কের পরিবেশে। এটি দেশটির নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন।

এদিকে জান্তাবিরোধী শক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকা বিস্তীর্ণ এলাকায় ভোটগ্রহণই অনুষ্ঠিত হয়নি। এসব অঞ্চলে সামরিক অভিযান, বিমান হামলা ও সশস্ত্র সংঘর্ষ এখনও অব্যাহত রয়েছে, যা দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলেছে।

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page