May 30, 2026, 6:52 pm
শিরোনামঃ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছে বিএনপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন কুষ্টিয়ায় শিশুকে নদে ফেলে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের ফরিদপুরে সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৩০ চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অমরত্বের সন্ধানে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাশিয়া ইরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মির্জা ফখরুল
এইমাত্রপাওয়াঃ

যশোরের শার্শায় বাণিজ্যিক ভাবে আঙ্গুর চাষ করছেন কৃষক মহাসিন কবির

ইয়ানূর রহমান : যশোরের শার্শায় বাণিজ্যিক ভাবে মিষ্টি জাতের আঙ্গুর চাষ শুরু হয়েছে। উপজেলার গোগা ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামের কৃষক মহাসিন কবির ভারতীয় চয়ন জাতের আঙ্গুর চাষ করে সফলও হয়েছেন।

প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এসে আঙ্গুর ক্ষেত দেখতে ভীড় করছেন। বছরে তিনবার ফলন ধরে আঙ্গুর গাছে। প্রথম ধাপে কম ফলন হলেও পরিবর্তিতে প্রত্যেক গাছে ২/৩ মণ করে আঙ্গুর বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। এর আগে শার্শার বেশ কয়েকটি এলাকায় আঙ্গুর চাষ হলেও তা সুস্বাদু ছিল না। তবে মহাসিন কবির এবারই প্রথম এ চাষে সফল হয়েছেন বলে দাবি করেন। জমিতে গাছ রোপণের মাত্র ২/৩ মাসে ফল আসতে শুরু করে।

কৃষক মহাসিন কবির শার্শা উপজেলার ইছাপুর গ্রামের রিজাউল ইসলামের ছেলে। তিনি জানান, বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন জাতের আঙ্গুরের চেয়ে তার জমিরপাকা আঙ্গুর অনেক ভালো। ১৩ শতাংশ জমিতে চয়ন জাতের ৩৬টি আঙ্গুর গাছ রোপণ
করেছেন তিনি। পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ জেলা থেকে তিনি এ চারাগুলো সংগ্রহ করেছেন। তার দেখাদেখি এখন শার্শায় অনেকে আঙ্গুর চাষে আগ্রহী হচ্ছে।

তিনি বলেন, ইউটিউব দেখে আঙ্গুর চাষের সিদ্ধান্ত নেই। এরপর ঝিনাইদহের এক চাষীর পরামর্শে ১৩ শতাংশ জমি ১০ বছরের জন্য লিজ নিয়ে ভারতীয় চয়ন জাতের ৩৬টি আঙ্গুর গাছের চারা রোপণ করি। খরচ হয়েছে ৯০ হাজার টাকার মত। এখন
বিক্রির অপেক্ষায়। তার দাবি বাংলাদেশের মাটিতে সুস্বাদু আঙ্গুর চাষে সফলতায় তিনিই প্রথম।

কৃষি অফিসের সহযোগিতা ছাড়াই মহাসিন কবির স্বাভাবিক নিয়মেই গাছের গোড়ায় পানি, গোবর, ইটের সুড়কি ও রাসায়নিক সার দিয়ে পরিচর্যা করে যাচ্ছেন। তবে এ বছর পোকা-মাকড়ে গাছ ও ফলের ব্যাপক ক্ষতি করেছে বলে তিনি জানান। সরকারি ও বেসরকারি ভাবে চাষীদের মধ্যে আঙ্গুর চাষের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার মাধ্যমে সহযোগিতা করা হলে অল্প সময়ে আর্থিক লাভবান এবং গ্রামের বেকার যুবকদের সাবলম্বী হওয়ার পথ সুগম হবে বলে মনে করেন উদ্যোক্তা মহাসিন কবির।

এবিষয়ে শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ কুমার মন্ডল বলেন, আমরা আঙ্গুর চাষের খবরটি শোনার পর প্রাথমিক ভাবে তাকে পরামর্শও দিচ্ছি। সরকারি দিক নির্দেশনা মোতাবেক ফলাফল ভালো হলে তখন আমরা সরকারি ভাবে বলতে পারি আঙ্গুর চাষের বিষয়টি। এখন আঙ্গুর চাষে প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বাদ বাড়ানো যায় কিনা চেষ্টা করতে হবে। এ বিষয়ে কৃষক মহাসিনকে সব সময় কৃষি অফিস থেকে সহযোগিতা করা হবে বলে তিনি জানান।

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page