October 8, 2026, 3:17 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ঝিনাইদহের মহেশপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যশোরে গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে প্রতিবন্ধী হত্যার দায়ে মামলা ; পুরুষ শূন্য গ্রাম দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু ; এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অর্থপাচার করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ; সুইস নাগরিকের তথ্য চাইলো ইউএই শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নওগাঁয় বয়লার বিস্ফোরণে শ্রমিকের মৃত্যু ; আহত ৪ জন রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ২৩৪ জন আটক ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৮১ সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
এইমাত্রপাওয়াঃ

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত গুরুতর অসুস্থ বাবার জায়গায় জেল খাটতে মেয়ের আবেদন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : যাবজ্জীবন সাজা পেয়ে ২০১২ সাল থেকে জেলে আটক আছেন বাহরাইনের মানবাধিকারকর্মী আব্দুলহাদি আল-খাজা। তবে এক যুগেরও বেশি সময় জেলে থেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যে কোনো মৃত্যু হতে পারে তার।

বাবা জেলের ভেতর ধুকে ধুকে মরবে সেটি মানতে পারছেন না তার মেয়ে মরিয়ম আল-খাজা। আর তাই বাবার বদলে নিজে জেল খাটার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ২০১১ সালে আব্দুলহাদি আল-খাজাকে আটক করা হয়। এরপর ২০১২ সালে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাহরাইন ছাড়াও আব্দুলহাদির ডেনমার্কের নাগরিকত্ব রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও জেল থেকে এখনো এ মানবাধিকারকর্মীকে বের করা যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে আব্দুলহাদির স্বাস্থ্যের ব্যাপক অবনতি হয়েছে। তাই তার মেয়ে চান জীবনের শেষ মুহূর্তগুলো যেন পরিবারের সঙ্গে কাটাতে পারেন তিনি।

এ ব্যাপারে মরিয়ম আল-খাজা বলেছেন, ‘আমি জানি না আমার বাবা আর কতদিন বাঁচবেন। আমি প্রতিদিন ভীতি নিয়ে বাস করছি, যখনই ফোন বেজে ওঠে; আমি মনে করি কেউ হয়ত ফোন করেছে বলার জন্য আমার বাবা আর নেই।’

মরিয়ম আরও বলেছেন, ‘আমি জানি তার স্বাস্থ্যের অবস্থা খুবই খারাপ। কিন্তু শাস্তি দিতে তাকে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। কফিনে করে আমারা বাবা মুক্তি পাবেন, ওই সময় পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করতে পারব না। আমি এটি পারব না।‘

২০১১ সালে আরব বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাহরাইনেও সরকার বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। এর জেরে পরবর্তীতে অনেক মানবাধিকারকর্মীকে আটক করা হয়। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান



Our Like Page