September 29, 2026, 10:43 pm
শিরোনামঃ
যশোরে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার ; চোর আটক যশোরের শার্শায় ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মমিনুর আটক যশোরে নিজ স্ত্রীকে বন্ধুর সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার পর যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু ভারত থেকে ট্রাভেল পারমিটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন দুই নারী যশোরে আওয়ামীলীগের আরও ৭ নেতাকর্মী আটক মাগুরায় আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের চ্যালেঞ্জ সমাধানের চেষ্টা চলছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই : তথ্য উপদেষ্টা কিশোরগঞ্জে বাড়ির পাশের গাছে হাত-পা বাঁধা প্রবাসী যুবকের মরদেহ উদ্ধার
এইমাত্রপাওয়াঃ

যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রশাসনে রদবদল করা হবে না : ইসি আলমগীর

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রশাসনে রদবদল করা হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘যদি যৌক্তিক কোন কারণ থাকে যে কোন অফিসার নিরপেক্ষ নন, তার আচরণে ও কাজে প্রমাণ হয়েছে, তখন বদলি করবো। যেমন জামালপুরের একজন জেলা প্রশাসককে আমরা বদলি করতে বলেছি, তাকে বদলি করা হয়েছে। সেই সময় সিডিউলও ঘোষণা হয়নি। উনি একটি অনুষ্ঠানে একজন রাজনৈতিক দলের এমপির পক্ষে কথা বলেছেন।’
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর এসব কথা বলেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আইনের ব্যাখ্যা হলো- আরপিও অনুযায়ী পুলিশের কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার এবং এর নীচে যতো কর্মকর্তা আছেন তারা নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া বদলি হতে পারবে না। সরকার চাইলে এদের বদলি করতে পারবে না।
মো. আলমগীর বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে যদি মনে হয় কোনো বিভাগের কোন কর্মকর্তা কর্মচারীর  আচরণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিপক্ষে। তখন নির্বাচন কমিশন সেই কর্মকর্তাকে বদলি করতে পারে। রিটার্নিং অফিসার যাদের নিয়ে নির্বাচন করবেন অর্থাৎ প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার- এদের জেলার বাইরে বদলি করা যাবে না। সংবিধানে আছে নির্বাচন কমিশন নির্বাহী বিভাগের সহায়তা চাইলে তারা দিতে বাধ্য। আরওপিওতেও একই কথা আছে যে, নির্বাচন কমিশন কোন সংস্থা ও বিভাগের সহায়তা চাইলে তারা দিতে বাধ্য।
প্রশাসনে রদবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা রদবদল  কেন করবো ? একটা যৌক্তিক কারণ বা সুনির্দিষ্ঠ অভিযোগ  থাকতে হবে। যদি অভিযোগ থাকে- এই কর্মকর্তা নিরপেক্ষ নন বা অমুকের পক্ষে কাজ করছেন- এমন প্রমাণ থাকলে তখন আমরা ব্যবস্থা নেব। তা ছাড়া এতো হাজার হাজার কর্মকর্তা বদলি করা হলে প্রশাসনে বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশ পরিচালনায় অথবা নির্বাচন পরিচালনায় যে একটা বিশাল বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে এই দায়িত্ব কে নেবে। এখন কোন যুক্তিতে আমরা সবাইকে বদলি করব। একটা যুক্তি তো থাকতে হবে। বদলি করলে তাদেরকে প্রচুর টিএ বিল দিতে হবে, এই টিএ বিলের টাকাটা কে দেবে ? কয়েক’শ কোটি টাকা টিএ বিল লাগবে। একটা কর্মকর্তাকে বদলি করা হলে তার ফ্যামিলির যাওয়া আসার খরচ ও মালামাল পরিবহনের খরচ দিতে হয়। তারপরে নতুন অফিসার এসে বলবে বাসায় রং করো, তার একটা খরচ আছে। মুখ দিয়ে বদলি বললেই হয় না। বদলি করতে টাকা লাগে। হ্যা আমরা অবশ্যই বদলি করবো যদি কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ  এবং প্রমাণ থাকে।’

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page