May 30, 2026, 10:54 pm
শিরোনামঃ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছে বিএনপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন কুষ্টিয়ায় শিশুকে নদে ফেলে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের ফরিদপুরে সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৩০ চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অমরত্বের সন্ধানে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাশিয়া ইরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মির্জা ফখরুল
এইমাত্রপাওয়াঃ

লালমনিরহাটে ‘জীবন্ত পুঁতে’ রাখার এক বছর পর কবর থেকে কঙ্কাল উদ্ধার

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : লালমনিরহাটের আদিতমারীতে সৎ ভাইদের সঙ্গে বিরোধের জেরে এক বছর আগে জীবন্ত পুঁতে রাখার পর আলমগীর হোসেন (৪৫) নামে একজনের লাশের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম রামদেব এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আলমগীর হোসেন কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের সিরাজুল মার্কেট এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আলমগীরের সৎ ভাই খেলান উদ্দিন ও আব্দুস সাত্তার মায়ের জমি দখল করে ভোগ করছিলেন। এনিয়ে তাদের সঙ্গে আলমগীরের বিরোধ চলছিল। এরই জেরে আলমগীরকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন সৎ ভাই খেলান উদ্দিন ও আব্দুস সাত্তার। পরিকল্পনা মোতাবেক গত বছরের ১৩ আগস্ট সন্ধ্যায় সৎ ভাই খেলান, আব্দুস সাত্তার এবং সাত্তারের ভায়রা (শ্যালিকার স্বামী) রাশেদুল ইসলাম আলমগীরকে কৌশলে আদিতমারী উপজেলার পশ্চিম রামদেব গ্রামের আশরাফ আলী ও সেকেন্দার আলীর বাড়িতে নিয়ে যায়।

সেখানে আলমগীরকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করা হয়। পরে তারা সবাই মিলে আলমগীরকে আশরাফ ও সেকেন্দার আলীর বাড়ির পেছনে একটি বাঁশ ঝাড়ের গর্তে জীবন্ত পুঁতে রাখে। এদিকে আলমগীরের কোনো খোঁজ না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা কালীগঞ্জ থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এর দুই মাস পর খেলান উদ্দিন ও আব্দুস সাত্তারও মারা যান। সম্প্রতি সাত্তারের ভায়রা রাশেদুল নিখোঁজ আলমগীরের পরিবারকে ফোন করে হত্যার ঘটনাটি প্রকাশ করেন।

এ ঘটনায় নিহত আলমগীরের আপন ভাই সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে গত বছর লালমনিরহাট আদালতে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুরুজ্জামান রাশেদুল এবং রামদেব গ্রামের আশরাফ ও সেকেন্দার আলীকে আটক করে। তারা জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে রাশেদের দেওয়া তথ্যমতে বৃহস্পতিবার দুপুরে রামদেব গ্রামের বাঁশ ঝাড়ের গর্ত খুড়ে আলমগীর হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আদিতমারী থানার ওসি মোজাম্মেল হক বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যমতে গর্ত খুড়ে নিহতের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page