November 2, 2026, 8:54 pm
শিরোনামঃ
যশোরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪১ জন আটক যশোরের বেনাপোলে পুলিশের অভিযানে আওয়ামী লীগের ৪ কর্মী আটক যশোরে মিছিলে নেতৃত্বদানকারী চারজন আটক যশোরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গণসমাবেশ ও মানববন্ধন যশোরে যুবলীগ নেতা রহমত আটক ভূমিকম্প সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র চলছে : রাশেদ খাঁন গাজীপুরে পুলিশের ৩ গাড়িতে আগুন ; সাংবাদিকসহ বিজিবি সদস্য আহত খুলনায় নদী থেকে দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার
এইমাত্রপাওয়াঃ

সরকারের কাছে বিনা সুদে ঋণ চান বঙ্গবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ব্যাংক ঋণ পরিশোধে সরকারের কাছে বিনা সুদে ঋণ সহায়তা চেয়েছেন বঙ্গবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি একই স্থানে পুনরায় ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বুধবার (৫ এপ্রিল) পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজার মার্কেটের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ আহ্বান জানান ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত রোববারও যেখানে রঙিন কাপড়গুলো মোড়ানো ছিল স্বচ্ছ পলিব্যাগে, আজ সেসব কাপড় ছাই হয়ে পড়ে রয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে যে বাজার ছিল জমজমাট আজ সেখানে ধ্বংসস্তূপ আর হাহাকার।

পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ব্যবসায়ী দিদার মিয়া বলেন, আমার বাড়ির জমি দেখিয়ে ঈদের আগে ব্যাংক থেকে ১৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলাম। অন্যান্য মালের সঙ্গে আগুনে আমার তিনটি দোকানের মালামাল পুড়েছে, আমি এখন নিঃস্ব, পথের ফকির। ব্যাংকের কিস্তি যে দেব তার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই সরকারে কাছে ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য বিনা সুদে ঋণ সহায়তা চাচ্ছি। সেই সঙ্গে একই স্থানে প্রয়োজনে তাঁবু টাঙিয়ে পুনরায় দোকান বসানোর অনুমতি দেওয়া হোক। যাতে করে যেসব ব্যবসায়ীর গুদামে কাপড় আছে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

১৯৯৭ সাল থেকে বঙ্গবাজারে ব্যবসা করে আসা জুয়েল হোসেন বলেন, জীবনের সবকিছু দোকানে বিনিয়োগ করেছি। সব পুড়ে ছাই, এখন চলব কীভাবে জানি না। জমি বন্দক রেখে ২৮ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলাম। সেই টাকা দিতে না পারলে জেলে যেতে হবে। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য।

ব্যবসায়ী নূর আলম বলেন, বঙ্গবাজার ও ইসলামপুর মার্কেট মিলে আমার চারটি দোকান রয়েছে। এখানে দুটি দোকানে রয়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে ৪৫ লাখ টাকার মালামাল কিনেছি। এর মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ১১ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি। ঘরে চাল নেই, এখন ঋণের এক টাকা দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। সরকারে সহায়তা ছাড়া এখন আমাকে জেলে যেতে হবে।

রাফা গার্মেন্টসের মালিক ফারুক দিদার বলেন, আমার দোকানে ১০ লাখ টাকার বেশি মালামাল ছিল। ক্যাশে ছিল নগদ ১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। সব পুড়ে ছাই হয়েছে। ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে সরকারকে এগিয়ে আসার বিকল্প কোনো পথ নেই।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, বঙ্গবাজারের আগুনে ব্যবসায়ীদের দেড় হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। সরকারের কাছে আমরা সহায়তা চেয়েছি। সরকার আমাদের আশ্বাস দিয়েছে। আশা করছি, ক্ষতিপূরণ পাব।

উল্লেখ্য, মলবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজার মার্কেটে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের আরও কয়েকটি মার্কেটে। সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ৪৮টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে প্রায় ৫ হাজার ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

 

আজকের বাংলা তারিখ

  • ৩রা নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩
  • ২২শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮
November ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Oct    
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  


Our Like Page