September 1, 2026, 10:10 am
শিরোনামঃ
মাগুরায় চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে ওজোপাডিকোর লাইন সাহায্যকারীদের অনশন ও কর্মবিরতি যশোরের নাভারনের রিপনক যশোরের ঝুমঝুমপুরে ২৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক যশোরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলায় ১ জন আটক সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির প্রশংসা এবং আরও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়াগামী ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে পাঠানোর নির্দেশ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত কিশোরগঞ্জে বরের গাড়ি থেকে কনেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ জামালপুরে সীমান্তে ভারতে পাচারের পথে ১৩ বস্তা সার জব্দ ‘ইসলাম অন্য ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ মন্তব্য, কর্ণাটকের মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি বিজেপির
এইমাত্রপাওয়াঃ

সিলেটে পানি-বন্দি ৫ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ

 

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : টানা বৃষ্টিপাতের সঙ্গে পাহাড়ি ঢলে সিলেটের ১৩ উপজেলার ৭টি উপজেলাই কমবেশি বন্যা কবলিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন মানুষ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে গোয়াইনঘাট উপজেলায়। এই উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন মানুষ।

এদিকে বন্যা মোকাবেলায় এ পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৫৪৭টি। এরই মধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন ৪ হাজার ৮০২ জন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট।

এর মধ্য কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ৯৩ হাজার, কানাইঘাটে ৮০ হাজার ৬০০ জন, জৈন্তাপুর উপজেলায় ৬৫ হাজার, জকিগঞ্জে ৩৯ হাজার ৮৫২ জন এবং গোয়াইনঘাটে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন কন্যাকবলিত হয়েছেন। এ ছাড়া সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় ৫ হাজার ৫০০ জন এবং গোলপগঞ্জ উপজেলায় ৩ হাজার ৫০০ মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন।

বন্যা আক্রান্ত উপজেলার মধ্যে ৭ উপজেলার ৪২টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৩ টি ইউনিয়ন আক্রান্ত হয়েছে গোয়াইনঘাট উপজেলায়।

এ উপজেলায় ৫৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৩৫৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এ ছাড়া কানাইঘাট উপজেলায় ৯টি ইউনিয়ন বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার ৩১টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৪৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। জকিগঞ্জের বন্যা কবলিত ৮টি ইউনিয়নের জন্য ৫৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

এতে আশ্রয় নিয়েছেন ৯৫ জন। জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জের তিনটি করে ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৬৭৫ জন এবং কোম্পানীগঞ্জের ৩৫টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১৩৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় যথাক্রমে ৫টি ও একটি করে ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়েছে। এসব উপজেলায় ৬৭টি ও ৫৭টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তার মধ্যে বিয়ানীবাজারে ৬০ জন এবং গোলাপগঞ্জে ১৫ জন আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে আরো জানা গেছে, পানিবন্দি পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরের কার্যক্রম চলছে। বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে ইউনিয়নভিত্তিক মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার এবং বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে।

 

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page