October 28, 2026, 6:55 am
শিরোনামঃ
দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স ; আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিন বছর পর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ করবে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী রংপুরে আল্লাহ ও কোরআন নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও পোস্টের অভিযোগে যুবক আটক সুনামগঞ্জে মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত অরুণাচলে বিপুল সংখ্যক বাহিনী পাঠাচ্ছে ভারত তেহরানে ইরান-সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের নিরাপত্তা বৈঠক ইসরায়েলের ভোটে ফিলিস্তিনের ভাগ্য বদলাবে না : অ্যামনেস্টি যশোরের শার্শায় মহাসড়কে ২৪ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ ১ জন আটক যশোরে পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা-ছেলে নিহত ; আহত স্বামী
এইমাত্রপাওয়াঃ

হাসিনা- শি জিনপিং বৈঠক : বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় বাংলাদেশকে সমর্থন করে চীন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : জাতীয় সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা এবং বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় বাংলাদেশকে সমর্থন করে চীন। যাতে করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারে এবং উন্নয়ন করতে পারে। ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ কথা জানিয়েছেন।

চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি উভয়পক্ষকে অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, নতুন জ্বালানি ও কৃষিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

চীন ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ঐতিহ্যবাহী উল্লেখ করে শি বলেন, দুই দেশ ২০১৬ সালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বে উন্নীত করেছে, যা উভয়ের সহযোগিতাকে আরও গভীর করার দিক নির্দেশ করেছে।

শি জানিয়েছেন, বর্তমানে চীন ও বাংলাদেশ উভয়ই তাদের নিজস্ব উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় জোরদার করতে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা গভীর করতে, দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বকে একটি নতুন স্তরে নিয়ে যেতে এবং উভয় দেশের জনগণকে আরও ভালভাবে উপকৃত করতে ইচ্ছুক চীন।

চীন দুই দেশের নিজ নিজ মূল স্বার্থের সঙ্গে জড়িত ইস্যুতে একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক বলেও উল্লেখ করেন শি। বৈঠকে তিনি বলেন, উভয়পক্ষের কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার করা উচিত এবং বিভিন্ন বিভাগ ও স্তরে ‘ঘনিষ্ঠ’ হওয়া উচিত।

উভয় দেশে আরও শক্তিশালী কর্মী বিনিময়ের পাশাপাশি দুই দেশের গভীর সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে বন্ধন গড়ে তোলার আহ্বানও জানান শি।

নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে শি বলেন, চীন বহুপাক্ষিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরদার করতে এবং আন্তর্জাতিক সমতা ও ন্যায়বিচারের পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিন্ন স্বার্থ রক্ষায় ইচ্ছুক।

অপরদিকে, বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৬ সালে শি’র বাংলাদেশ সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াই এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীন অমূল্য সহায়তা প্রদান করেছে, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ-চীন সুসম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের দশম বার্ষিকীতে শি’কে অভিনন্দন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে একচীন নীতি অনুসরণ করে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা উন্নয়নে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করে। বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে এবং ব্রিকসের মতো বহুপাক্ষিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা জোরদার করতে প্রস্তুত।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ব্রিকস প্রক্রিয়ার উন্নয়ন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য উন্নয়নের নতুন সুযোগ বয়ে আনবে বলে বিশ্বাস করা হয়।

 

আজকের বাংলা তারিখ

  • ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩
  • ১৬ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮


Our Like Page