October 28, 2026, 7:43 am
শিরোনামঃ
দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স ; আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিন বছর পর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ করবে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী রংপুরে আল্লাহ ও কোরআন নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও পোস্টের অভিযোগে যুবক আটক সুনামগঞ্জে মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত অরুণাচলে বিপুল সংখ্যক বাহিনী পাঠাচ্ছে ভারত তেহরানে ইরান-সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের নিরাপত্তা বৈঠক ইসরায়েলের ভোটে ফিলিস্তিনের ভাগ্য বদলাবে না : অ্যামনেস্টি যশোরের শার্শায় মহাসড়কে ২৪ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ ১ জন আটক যশোরে পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা-ছেলে নিহত ; আহত স্বামী
এইমাত্রপাওয়াঃ

২১ আগস্টের পেছনে ‘তারেকের পৃষ্ঠপোষকতা’র কথা জানালেন সজীব ওয়াজেদ জয়

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ২১ আগস্টের ভয়াবহ বিস্ফোরণের পেছনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি নেতাদের জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং চক্রান্ত জড়িত রয়েছে।

টুইটারে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে জয় মন্তব্য করেছেন, ‘কীভাবে তারেক রহমান ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার জন্য জঙ্গিদের ভাড়া করে এবং পরে জজ মিয়া নামে একজন যুবককে সাজানো মামলায় ফাঁসায়?’

ভিডিওর তথ্য অনুযায়ী: ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের একটি সমাবেশে হাওয়া ভবন চক্রান্ত নামে পরিচিত এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়। তারেক রহমানের নির্দেশে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কমপক্ষে ২৪ জন নিহত হয় এবং তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও তিনি কানে আঘাত পান।

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, জঙ্গি এবং ব্যবসায়ীসহ তার আস্থাভাজনদের নিয়ে তারেক পরিচালিত ক্ষমতার বিকল্প পাওয়ার হাউস হিসাবে হাওয়া ভবন মিডিয়া রিপোর্টে ব্যাপকভাবে উঠে আসে। মামলার রায় অনুসারে, হামলার আগে তারেক জঙ্গিদের সাথে (যারা এখন সাজা ভোগ করছেন) দেখা করেন, তদারকি করেন এবং মূলত শেখ হাসিনার প্রাণনাশের উদ্দেশে পরিচালিত হামলার নীল নকশার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।

ভিডিওর তথ্য অনুযায়ী, হামলার পর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন সরকার ঘটনা ধামাচাপা দিতে একটি নাটক মন্থন করেছিল, যেখানে একজন যুবককে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা সাংবাদিকদের  সামনে উপস্থাপন করা হয়। পরে সাংবাদিকদের তদন্তের মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছিল যে, জজ মিয়াকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তুলে নিয়েছিল, বিস্ফোরণের সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক ছিল না। পুলিশের দেওয়া অর্থের বিনিময়ে তাকে কারাগারে আটকে রাখা হয়।

ভিডিওটিতে ভয়ঙ্কর জঙ্গি নেতা আবদুল হান্নানের আরেকটি স্বীকারোক্তি রয়েছে, যিনি হরকাতুউল জিহাদ আল ইসলামি (হুজি)-এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যিনি এই হামলার জন্য দায়ী ছিলেন। এতে এই জঙ্গি স্বীকার করেছেন, শেখ হাসিনাকে নির্মূল করার ষড়যন্ত্রে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা জড়িত রয়েছে।

‘সেই চক্রান্তে বেশকিছু জঙ্গি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল যারা আওয়ামী লীগের সমাবেশে মারাত্মক গ্রেনেড হামলায় অংশ নিয়েছিল। এই হামলায় কমপক্ষে ২৪ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়।’

প্রতিবেদনে বাসস বলছে, এই ভিডিওটি জজ মিয়ার অগ্নিপরীক্ষার ফ্ল্যাশব্যাক নিয়ে আসে এবং আওয়ামী লীগ ও প্রগতিশীল শিবিরগুলোকে ধ্বংস করার জন্য জঙ্গিদের প্রতি বিএনপি-জামায়াতের স্পষ্ট পৃষ্ঠপোষকতা প্রমাণ করে। ভিডিওটিতে সিনিয়র সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকারও রয়েছে যারা তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন সরকার কর্তৃক মঞ্চস্থ নাটকটি উন্মোচন করেছিলেন।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩
  • ১৬ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮


Our Like Page