June 15, 2026, 9:38 am
শিরোনামঃ
বিএনপি উদারপন্থী রাজনৈতিক দল : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী নারীদের জন্য দুইটি স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ করবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় আসছে কঠোর নীতিমালা : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শ্রমবাজারে একমুখী নির্ভরতা আমাদের জন্য বড় ঝুঁকি : প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী খুলনায় মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদেরকে গুলি করলো দুর্বৃত্তরা নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন সৌদি আরবে বসবাসে বাধ্যতামূলক নতুন নিয়ম সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ফের উত্তাল ইসরায়েল সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত রাখার প্রস্তাব নিয়ে গণভোট আজ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে অবুঝ শিশুকে ফেলে ভাতিজার সাথে চাচির পলায়ন
এইমাত্রপাওয়াঃ

নোয়াখালীতে পানিবন্দি ৪২ হাজার পরিবার ; ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখের বেশি মানুষ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নোয়াখালী জেলায় টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৪১ হাজার ৮৪০টি পরিবার। জেলায় মোট ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখ ৩ হাজার ১০০ মানুষ। বিধ্বস্ত হয়েছে ৪০ ঘরবাড়ি। আশ্রিত গবাদি পশুর সংখ্যা ২৪০টি।

আজ শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ।

জানা গেছে, নোয়াখালী সদর, কবিরহাট ও সেনবাগ উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। নোয়াখালী সদর উপজেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ৩০ হাজার, সেনবাগে ৩ হাজার ৮৭০, কবিরহাটে ৩ হাজার ৬৫০, কোম্পানীগঞ্জে ৩ হাজার ৫২০, সুবর্নচরে ৫০০ এবং হাতিয়া উপজেলায় ৩০০।

বন্যায় ঘর-বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে একটি, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৪০টি ঘর। জেলাজুড়ে মোট ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৪১৯ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়াা ২৪০টি গবাদিপশু আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। জেলার ৬টি উপজেলার ৫৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অন্তত ২ লাখ ৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিস্ত পরিবারের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮৪০ জন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গতদের মাঝে ৫১টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। যার মধ্যে কাজ করছে ২৯টি।

জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে জেলা শহর মাইজদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মৎস্য অফিস, জেল খানা সড়ক, পাঁচ রাস্তার মোড় ও পৌর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাগুলো তলিয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এখনও অনেক এলাকায় কার্যকর না হওয়ায় ঘরবাড়ি ও সড়কে পানি জমে আছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কর্মজীবী মানুষ এবং যানবাহনের চালকদের।

সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেন বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর আজ সকাল পর্যন্ত তেমন বৃষ্টি হয়নি। তবে এখনো রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন বাসা-বাড়ির আঙিনায় পানি আছে। এ কারণে আমাদের দুর্ভোগ কমেনি।

ডুবে থাকা ড্রেন অব্যবস্থাপনার কারণে পানি ধীরগতিতে নামছে। এ কারণে বৃষ্টি কমলেও শহরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কমেনি। জেলা শহর মাইজদীসহ বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকার বেশির ভাগ রাস্তাঘাট এখনো পানির নিচে।

জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি বেড়েছে। আমরা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দ্রুত পানি নিষ্কাশনে কাজ করছি। এ ছাড়াও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পানি চলাচলের পথগুলো সচল করে দিয়েছেন। দ্রুতই জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা করছেন।

আজকের বাংলা তারিখ

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  


Our Like Page