September 29, 2026, 10:45 pm
শিরোনামঃ
যশোরে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার ; চোর আটক যশোরের শার্শায় ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মমিনুর আটক যশোরে নিজ স্ত্রীকে বন্ধুর সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার পর যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু ভারত থেকে ট্রাভেল পারমিটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন দুই নারী যশোরে আওয়ামীলীগের আরও ৭ নেতাকর্মী আটক মাগুরায় আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের চ্যালেঞ্জ সমাধানের চেষ্টা চলছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই : তথ্য উপদেষ্টা কিশোরগঞ্জে বাড়ির পাশের গাছে হাত-পা বাঁধা প্রবাসী যুবকের মরদেহ উদ্ধার
এইমাত্রপাওয়াঃ

নেত্রকোনায় পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে জুয়াড়ির টাকা লুটের অভিযোগ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় অভিযানের নামে জুয়ার আসর থেকে আটক ব্যক্তিদের কাছে থাকা প্রায় লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে থানার পুলিশের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশ ওই অভিযানে মাত্র ১ হাজার ৪৯০ টাকা উদ্ধারের কথা আদালতে জানিয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী হায়দার মিয়া নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, গত রোববার তাস খেলার সময় হঠাৎ হাজির হন এসআই আল মামুন, এএসআই মশিউর রহমান সুজনসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। জুয়া খেলার অভিযোগে তাদের পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আটকরা হলেন—উপজেলার যোগিরনগুয়া গ্রামের আ. কাশেম (৫০), অলি (৪০), আটাশিয়া গ্রামের জজ মিয়া (৪০), মো. হায়দার মিয়া (৪৮) ও মহেশ্বরখিলা গ্রামের মো. সাফায়েত হোসেন (২৮)।

ভুক্তভোগী হায়দার মিয়া বলেন, আমার কাছে খেলার সময় ৩৩ হাজার ৪০০ টাকা ছিল। পুলিশ আমাকে আটক করার সময় সেই টাকা নিয়ে নেয়, অথচ তালিকায় দেখায় মাত্র ১ হাজার ৪৯০ টাকা। আমি অভিযোগ জানালে উল্টো পুলিশ বাড়িতে এসে আমাকে হুমকি দিয়ে যায়। বলে, ‘সাংবাদিকরা তাদের কিছু করতে পারবে না, আমাকে এর মজা দেখিয়ে ছাড়বে।’

ভুক্তভোগী সাফায়েত হোসেন বলেন, আমার কাছে ১২ হাজার ৫০০ টাকা ছিল। পুলিশ ভিডিও করার আগে সেটা পকেটে ঢুকিয়ে নেয়। বলে, যদি বলি আমার কাছে টাকা ছিল, তাহলে বড় মামলায় ঢুকিয়ে দেবে। আমরা পুলিশের রোষানলে পড়তে চাই না।

এদিকে মামলার সাক্ষী নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাক্ষী রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। পুলিশ ডেকে তুলে কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। কী হয়েছিল, আমি কিছুই জানি না।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সরল মিয়া বলেন, পুলিশ যখন অভিযান চালায়, তখন এলাকাবাসীর কেউ ঘটনাস্থলে ছিল না। বাইরে থেকে ভেতরে কী হয়েছে, তা কেউ জানতে পারেনি।

এ বিষয়ে এসআই আল মামুন বলেন, টাকা আত্মসাতের বিষয়টি মিথ্যা। তাদের কাছে যা পেয়েছি তা-ই উদ্ধার দেখানো হয়েছে।

আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান বলেন, অফিসাররা ঘটনাস্থলে যা পেয়েছে তাই দিয়ে চালান দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, বিষয়টি অবহিত হয়েছি। ঘটনা তদন্ত করে সত্যতা মিললে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর অভিযোগ মিথ্যা হলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page