July 28, 2026, 5:24 pm
শিরোনামঃ
গ্যাস সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয় : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক ; বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনে নির্দেশ হাইকোর্টের পদে থাকাকালীন রাষ্ট্রপতির কৃতকর্মের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের সুযোগ নেই : তথ্য উপদেষ্টা পাবনায় গরু চোর সন্দেহে স্বামী-স্ত্রীকে গণপিটুনির অভিযোগ কক্সবাজারের টেকনাফে এক লাখ ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার চালক আটক ঝিনাইদহের মহেশপুরে ১২৮ বোতল ভারতীয় অবৈধ কাশির সিরাপসহ দুই মাদক কারবারি আটক ট্যালক-ক্যান্সার মামলা মেটাতে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার দিতে চায় জনসন অ্যান্ড জনসন হামলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত ইরানি অর্থ ব্যবহার করবো : ট্রাম্প সৌদি আরবে ড্রোন হামলার অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিলেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে পুরো বিশ্ব তাকিয়ে ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকের ওপর। শেষ পর্যন্ত বৈঠক ঠিকই হয়েছে তবে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে তেমন অগ্রগতি হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বৈঠকে অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে, তবে ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে কোন চুক্তি হয়নি।

শনিবার ১৬ আগস্ট মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, একটি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আর কোনো চুক্তি নয়। তবে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, পরবর্তীতে আলোচনার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ন্যাটো সদস্যদের ডাকা হবে। কেননা যুদ্ধবিরতি তাদের ওপর নির্ভর করে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের জন্য এর মূল কারণগুলো নিরসন করতে হবে। তবে এই সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেননি তিনি। তবে, পরবর্তী বৈঠক মস্কোতে হবে উল্লেখ করে তিনি ট্রাম্পকে স্বাগত জানান।

এরআগে, স্থানীয় সময় শুক্রবার আলাস্কায় এলমেনডর্ফ রিচার্ডসন সামরিক ঘাঁটিতে ট্রাম্প-পুতিনের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়। ২০১৯ সালের পর মুখোমুখি বৈঠক করেন ট্রাম্প ও পুতিন। প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন দুই দেশের প্রেসিডেন্ট।

তবে কোনো ধরনের সমঝোতা না হলেও এই বৈঠকে পুতিনের বড় জয় হয়েছে বলে সিএনএনের লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সিএনএন বলছে, ট্রাম্পকে বিচলিত এবং ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, পুতিন অটল ছিলেন এবং তিনি যুদ্ধের মূল কারণগুলোর কথা বলছিলেন।

সিএনএন বলছে, গতকালও হুমকির সুরেই কথা বলেছেন পুতিন। তিনি কিয়েভ ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের সতর্ক করে দিয়েছেন যে তিনি ট্রাম্পকে যে চলমান প্রক্রিয়ায় টেনে এনেছেন এবং এতে যেন তারা হস্তক্ষেপ না করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, আমরা আশা করছি কিয়েভ ও ইউরোপীয় রাজধানীগুলো এই সমস্তকিছু গঠনমূলকভাবে গ্রহণ করবে। এতে কোনো বাধা তৈরি করবে না, উস্কানি ও পর্দার আড়ালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে উদীয়মান অগ্রগতি ব্যাহত করার চেষ্টা করবে না।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন এই বৈঠকে দুইটি বড় জয় পেয়েছেন। প্রথমটি হলো, যুক্তরাষ্ট্র তাকে লাল গালিচায় স্বাগত জানিয়েছে এবং তার যাত্রা ছিল ভারী সাজোয়া যানে।

পুতিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০২৩ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তাই পুতিনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপ- একজন অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীর জন্য সুনাম পুনরুদ্ধারের এক অসাধারণ উপস্থাপন।

পুতিনের দ্বিতীয় জয় হলো সময়। তিনি তার বাহিনীর জন্য ফ্রন্টলাইন পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আরও সময় পেলেন। এটা এখনো স্পষ্ট নয় যে ট্রাম্প যথেষ্ট ক্ষুব্ধ কিনা এবং সামনের দিনগুলোতে রাশিয়ার জন্য দ্বিতীয় নিষেধাজ্ঞা দেবেন। কিন্তু পুতিনকে তাড়াহুড়া মনে হয়নি এবং তিনি পরবর্তী বৈঠকের পরামর্শ দিয়েছেন।

অন্যদিকে ট্রাম্প বলেছেন, শুক্রবার আলাস্কায় তাদের বৈঠক ‘খুবই ফলপ্রসূ’ হয়েছে, তবে চূড়ান্ত লক্ষ্যে ‘পৌঁছানো যায়নি’।

রয়টার্স বলেছে, বৈঠক শেষে যুদ্ধবিরতির কোনো ঘোষণা আসেনি। এই আলোচনা আদৌ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page