July 30, 2026, 2:30 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ১০ লিটার চোলাই মদসহ মাদক কারবারি আটক ঝিনাইদহের মহেশপুরে রাতের আঁধারে আগুনে পুড়ে ছাই ৭ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী আরও ১ লাখ শিশুকে শিগগিরই হামের টিকা দেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৭৮০ কেজি আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন যশোর থেকে আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার চীন থেকে ৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে ইরান ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের লক্ষ্য এক : নেতানিয়াহু
এইমাত্রপাওয়াঃ

ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়েছে ইসরাইল

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক জাতিসংঘের নির্যাতন বিরোধী কমিটিতে  বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থার মাধ্যমে জমা দেওয়া একটি নতুন প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ইহুদিবাদী ইসরাইলের শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতন ও অমানবিক আচরণের ক্রমবর্ধমান ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।

পার্সটুডে-র মতে, এই নতুন প্রকাশ অনুসারে তেল আবিব সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নির্যাতন নিষিদ্ধকারী আন্তর্জাতিক চুক্তির অধীনে তার বাধ্যবাধকতা ব্যাপকভাবে লঙ্ঘন করেছে এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের সুরক্ষা প্রদানকারী আইনি ব্যবস্থাকে কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছে।

‘জাস্টিস’,’দ্য কমিটি অ্যাগেইনস্ট টর্চার’,’ফ্যামিলিজ অ্যাগেইনস্ট চাইল্ড ডিটেনশন’, ‘দ্য সেন্টার ফর দ্য ডিফেন্স অফ দ্য ইন্ডিভিজুয়াল’ এবং ‘ফিজিশিয়ানস ফর হিউম্যান রাইটস’ সহ পাঁচটি মানবাধিকার সংস্থা এই প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করে জোর দিয়ে বলেছে যে ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী গ্রেপ্তারের মুহূর্ত থেকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং কারাদণ্ড পর্যন্ত আটকের সকল পর্যায়ে নির্যাতন এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের সাথে জড়িত।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে যে ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী ‘অবৈধ সশস্ত্র ব্যক্তি’ র বানোয়াট উপাধি ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় ধরে ফিলিস্তিনিদের বিচার বা যুদ্ধবন্দীদের আইনি গ্যারান্টি ছাড়াই আটকে রেখেছে যার আন্তর্জাতিক আইনে কোনও স্থান নেই।

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে তেল আবিব এখন পর্যন্ত এই শিরোনামে ৪,০০০’র বেশি গাজাবাসীকে আটক করেছে। যুদ্ধের আগে প্রশাসনিক আটকের সংখ্যাও গত সেপ্টেম্বরে প্রায় ১,১০০ থেকে বেড়ে ৩,৫০০ এরও বেশি হয়েছে; অন্যদিকে প্রশাসনিক আটকের গড় সময়কাল যুদ্ধের আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে।

উল্লিখিত প্রতিবেদনে সংগঠিত নির্যাতনের চমকপ্রদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে লাঠি দিয়ে পেটানো, ফিলিস্তিনি বন্দীদের উপর ফুটন্ত জল ঢেলে দেওয়া, আক্রমণে কুকুর ব্যবহার করা,জোরে এবং বেদনাদায়ক সঙ্গীত সহ “ডিস্কো রুম” নামক কক্ষ ব্যবহার করা, সরঞ্জাম দিয়ে ধর্ষণ করা এবং প্রতিদিনের অনাহারে রাখার ইচ্ছাকৃত নীতি।

প্রতিবেদনের একটি অংশে আরও বলা হয়েছে যে যুদ্ধের শুরু থেকে ইসরায়েলি আটক কেন্দ্রগুলোতে কমপক্ষে ৯৪ জন বন্দি শহীদ হয়েছেন এবং কয়েক ডজন স্থায়ী শারীরিক আঘাত পেয়েছেন। নির্যাতনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা ইচ্ছাকৃতভাবে অস্বীকার করার ফলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিদে মধ্যে স্ক্যাবিসের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

প্রতিবেদনটি জোর দিয়ে শেষ করেছে যে গাজা থেকে শত শত ফিলিস্তিনি বন্দির ভাগ্য এখনও অজানা। তাদেরকে অবশ্যই আইনজীবী, রেড ক্রস প্রতিনিধি, সাংবাদিক বা তাদের পরিবারের সাথে দেখা করার অনুমতি দিতে হবে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page