March 11, 2026, 9:35 am
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহে ধানক্ষেত থেকে নবজাতক কন্যা উদ্ধার মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র ৪০ বসতঘরে আগুন ও লুটপাট করে চাঁপাইনবাবগঞ্জে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের দাবি করেছে সৌদি আরব ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে সমর্থন জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া ইরানের মাইন স্থাপনকারী নৌযান ধ্বংস করছে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি চায় না ইরান ৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ রাষ্ট্র পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ ফ্যামিলি কার্ড : অর্থমন্ত্রী নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উপস্থাপন ; বাংলাদেশের তীব্র প্রতিবাদ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ‘গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার’ মামলায় রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উপস্থাপনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রাথমিক আপত্তি তোলে বাংলাদেশ।

প্রতিবাদে ঢাকা বলেছে, ২০১৬-১৭ সালের জাতিগত নির্মূল অভিযানকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযান হিসেবে বৈধতা দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নিতে পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের জাতিগত পরিচয় বিকৃত করছে মিয়ানমার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে চিত্রায়নের মাধ্যমে মিয়ানমার তাদের ‘অবৈধ অভিবাসী’ ও ‘অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার হুমকি’ প্রমাণের চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে তথাকথিত ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ বা শুদ্ধি অভিযানকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ আড়াল করার সুপরিকল্পিত কৌশল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রোহিঙ্গারা একটি স্বতন্ত্র জাতিগত গোষ্ঠী, যারা ১৭৮৫ সালে বর্মণ রাজ্যের অংশ হওয়ার আগেই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আরাকানে বসবাস করে আসছে। ঐতিহাসিক দলিল, ঔপনিবেশিক নথি ও গবেষণায় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপস্থিতির অকাট্য প্রমাণ রয়েছে। ফলে তাদের বিদেশি বা সাম্প্রতিক অভিবাসী হিসেবে দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১৯৮২ সালের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন জারির আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং ২০১৫ সালের সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত ভোটাধিকার ভোগ করেছে। পরিকল্পিতভাবে ‘বাঙালি’ আখ্যা দেওয়ার উদ্দেশ্য তাদের পরিচয়ের অধিকার অস্বীকার করা এবং জাতিগত নিধনের প্রেক্ষাপট তৈরি করা। ভাষাগতভাবে চট্টগ্রামের সঙ্গে কিছু মিল থাকলেও সংস্কৃতি ও পরিচয়ের দিক থেকে রোহিঙ্গারা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র জাতিগোষ্ঠী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্মরণ করিয়ে দেয়, ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যাবাসন চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের ‘বার্মার আইনানুগ বাসিন্দা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। ২০১৭-১৮ সালে প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি দিলেও গত আট বছরে রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেনি মিয়ানমার।

এ ছাড়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি রাখাইনে আশ্রয় নিয়েছিল। মিয়ানমারের এ দাবিকে বানোয়াট ও প্রমাণহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।

 

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page