June 4, 2026, 12:03 pm
শিরোনামঃ
বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রোড শো করবে সরকার শহীদ জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতীক : মির্জা ফখরুল ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার পশু : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নীলফামারীতে ঘরের মেঝে খুঁড়ে মিলল মায়ের মরদেহ ; ছেলে পলাতক টাঙ্গাইলে নিখোঁজ যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার ভোলায় শ্বশুরবাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হলো ইসরায়েল-লেবানন লেবাননের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি গুরুতর ভুল : ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রী ইরানের আর হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

যুক্তরাষ্ট্রের করোনা সমালোচনা ‘ভুল তথ্যভিত্তিক’ : ডব্লিউএইচও প্রধান

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কোভিড-১৯ (করোনা) মহামারিকালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনার বিরুদ্ধে শনিবার পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান। তিনি অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ডব্লিউএইচও কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেনি।

জেনেভা েেথকে এএফপি জানায়, শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র ডব্লিউএইচওকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।

তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার কার্যকর হয়েছে কি না- ডব্লিউএইচও এখনো তা নিশ্চিত না করলেও সংস্থাটি ‘নিজের পথ হারিয়ে ফেলেছে’।

কেনেডির ভাষায়, ‘ডব্লিউএইচও তার প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। এটি ব্যুরোক্রেসি, স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও আন্তর্জাতিক ক্ষমতার রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘কোভিড মহামারিকালে এসব ব্যর্থতা কেবল তাত্ত্বিক ছিল না, তা প্রাণঘাতী ছিল।’

কেনেডি আরও বলেন, মাস্ক পরা ও টিকা নেওয়ার মতো ‘বেপরোয়া বাধ্যতামূলক নির্দেশনার’ কারণে ‘নার্সিং হোমে একা মারা যাওয়া মার্কিন নাগরিকদের’ এবং ‘ধ্বংস হয়ে যাওয়া ছোট ব্যবসাগুলোর’ জন্য ডব্লিউএইচও দায়ী।

তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের মূল উদ্দেশ্য হলো ‘মার্কিন সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং জনস্বাস্থ্যকে আবার মার্কিন জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া’।

এদিকে, উপস্বাস্থ্যসচিব জিম ও’নিল এক্সে অভিযোগ করেন, ডব্লিউএইচও মহামারিকালে ‘কঠোর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ উপেক্ষা করেছে এবং লকডাউন প্রচার করেছে’।

এর জবাবে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, ওই বক্তব্যে ‘ভুল তথ্য রয়েছে’।

তিনি বলেন, ‘ডব্লিউএইচও মাস্ক ব্যবহার, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও টিকা গ্রহণের সুপারিশ করেছিল। তবে ডব্লিউএইচও কখনোই সরকারগুলোকে মাস্ক বা টিকা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেনি এবং কখনো লকডাউনের সুপারিশও করেনি।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ডব্লিউএইচও সার্বভৌম সরকারগুলোকে প্রযুক্তিগত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়েছে, যা কোভিড-১৯ বিষয়ে পরিবর্তনশীল বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছিল—যাতে তারা নিজেদের নাগরিকদের সর্বোত্তম স্বার্থে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’

‘প্রতিটি সরকার তাদের প্রয়োজন ও বাস্তবতার ভিত্তিতে নিজ নিজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।

এই বিরোধের সূত্রপাত হয়, যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচও থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া নিয়ে টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে। এক বছর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাহারের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন।

এক বছরের প্রত্যাহার প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হলেও, কেনেডি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থাটি ‘আমাদের প্রত্যাহার অনুমোদন দেয়নি এবং উল্টো দাবি করছে যে আমরা তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য’।

ডব্লিউএইচও এদিকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র সংস্থাটিতে যোগ দেওয়ার সময়ই এক বছরের নোটিশ প্রদান এবং ‘চলতি অর্থবছরের সব আর্থিক দায় সম্পূর্ণ পরিশোধ’ সাপেক্ষে প্রত্যাহারের অধিকার সংরক্ষণ করেছিল।

কিন্তু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ২০২৪ ও ২০২৫ সালের চাঁদা পরিশোধ করেনি এবং প্রায় ২৬ কোটি ডলার বকেয়া রয়েছে।

বিষয়টি আগামী মাসে ডব্লিউএইচওর নির্বাহী বোর্ডের বৈঠকে আলোচনায় ওঠার কথা রয়েছে।

 

আজকের বাংলা তারিখ

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  


Our Like Page