অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : দিন যত যাচ্ছে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা জোরালো হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা রোববার (৮ মার্চ) পর্যন্ত নবম দিনে গড়ালো। ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান শর্তহীনভাবে আত্মসমর্পণ না করলে হামলা অব্যাহত থাকবে।
ইরান দেশ দুইটির হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আক্রমণ শুরু করেছে। তার মধ্যে সৌদি আরবও রয়েছে। এর আগে ওয়াশিংটন পোস্টের চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে দাবি করা হয়, ইরানে হামলা চালানোর জন্য সৌদি যুবরাজ সালমান জড়িত আছেন। যুক্তরাষ্ট্র যেন ইরানে হামলা শুরু করে এজন্য ট্রাম্পকে চাপ দিতেন যুবরাজ সালমান।
সর্বশেষ হামলার জেরে সৌদি আরব তেহরানকে স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে। তবে ইরান যদি তাদের ভূখণ্ড ও জ্বালানি খাতের ওপর হামলা অব্যাহত রাখে তাহলে রিয়াদও পাল্টা জবাব দেবে।
বিষয়টির সঙ্গে জ্ঞাত চারটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইতোমধ্যে শনিবার এই বার্তা ইরানকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা চাওয়ার নেপথ্যে কী? ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা চাওয়ার নেপথ্যে কী?
পরবর্তীতে গতকাল ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে তেহরানের চালানো হামলার জন্য ক্ষমা চান।
রয়টার্স জানিয়েছে, এর দুই দিন আগে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে কথা বলেন। সূত্রগুলো বলছে, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।
সূত্রগুলো জানায়, প্রিন্স ফয়সাল একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেছেন যে ইরান যদি সৌদি ভূখণ্ড বা জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে রিয়াদ তাদের ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দিতে বাধ্য হবে। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চলতে থাকলে রিয়াদ পাল্টা প্রতিশোধও নেবে।
তবে এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সৌদি ও ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো জবাব দেয়নি।