অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে সরকার, বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী এ কথা জানান। তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে, যার প্রভাব পড়েছে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর।
মন্ত্রী জানান, বিশ্বজুড়েই তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও ৫ ডলার বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ যে দামে জ্বালানি তেল আমদানি করে, সেই ক্রয়মূল্যের তুলনায় নিচে রেখেই তেলের নতুন দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
ভর্তুকি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রয়েছে। তবে এর সুনির্দিষ্ট পরিমাণ জানতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তথ্যের প্রয়োজন হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, যুদ্ধ মানেই অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব। এই প্রভাব শুধু বাংলাদেশের ওপর নয়, বিশ্বব্যাপীই পড়েছে। আমরাও তার বাইরে নই।
এর আগে, রোববার (১৯ এপ্রিল) সরকার বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং ডিজেল ১১৫ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া কেরোসিনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৩০ টাকা।