অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বগুড়া পৌরসভা বিলুপ্ত হয়ে ২০ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করপোরেশন হিসেবে কার্যক্রম শুরু করছে। একইসঙ্গে নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের (বসিক) প্রশাসক হিসেবে এম আর ইসলাম স্বাধীনের আনুষ্ঠানিক যোগদান সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সম্প্রতি বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রশাসক নিয়োগের মধ্য দিয়ে নতুন সিটি করপোরেশন আনুষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, নবনিযুক্ত প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন এর আগে বগুড়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।
মীর শাহে আলি বলেন, বগুড়াকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার দাবি দীর্ঘদিনের। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গত ২০ এপ্রিল বগুড়া সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নবগঠিত সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন করেন। পরে একনেকের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়।
তিনি আরও বলেন, পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত হওয়ায় নাগরিক সেবার পরিধি বাড়বে। উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, সড়ক, ব্রিজ, কালভার্ট, ওভারপাস ও উড়াল সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে বাড়তি ক্ষমতা ও বরাদ্দ পাবে নতুন এই সিটি করপোরেশন।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের জনসংখ্যা প্রায় চার লাখ। আয়তনের দিক থেকে এটি রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের তুলনায় বড়।
তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি বগুড়ায় ওয়াসা গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজউক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আদলে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে। সংক্ষেপে এর নাম হবে ‘বহুক’।
নবনিযুক্ত প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, বগুড়াকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপ দিতে কাজ করা হবে। প্রাথমিকভাবে পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যাতে জলাবদ্ধতা সমস্যা কমানো যায়।