ফারুক আহমেদ, মাগুরা : মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নে শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসায় সুপার মাওলানা হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে মাদরাসায় গিয়ে দেখা যায় সুপার তার কার্যালয়ে নেই সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর তারিখ পর্যন্ত সে ঠিক মতো পুরো সময় মাদরাসায় থাকেনি।
শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসা স্থাপিত ১৯৭৮ সালে। কৃষি শিক্ষক শিল্পী ২০ বছর চাকরি করে কিন্তু সম্ভবত ২০২১ সাল থেকে ৫ বছর ধরে প্রক্সি দিয়েছে শতখালী গ্রামের আব্দুল কাদের মোল্লার পুত্র সোহাগ নামের এক ছেলে। সহ সুপার মনিরুজ্জামান তার নিজের পুত্র শাকিবের দিয়ে ১ বছর প্রক্সি দিয়েছে কারণ সহ সুপারের নাকি মাথা খারাপ হয়ে গেছে কিছু মনে রাখতে পারে না ও হার্টের অপারেশন রোগী। লাইব্রেরিয়ান পদে আল আমিন আজ পর্যন্ত বেতন হয়নি। নিয়োগের সময় ১২ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ আছে সুপারের বিরুদ্ধে তার কাছে থেকে এবং নিয়মিত সে মাদরাসায় আসে না। সুপার মাওলানা মোঃ হাফিজুর রহমান ১৮ জুলাই ১৯৯১ সালে অত্র মাদরাসার সুপার পদে দায়িত্বে আছে। শিক্ষকের নীতিমালা অনুসারে প্রতিষ্ঠানের সুপার প্রতিদিন ২ টা করে ক্লাস নেওয়ার নিয়ম কিন্তু সুপার হাফিজুর রহমান প্রতিনিয়ত ১০ টা থেকে বেলা ১১ টার মধ্যে মাদরাসা থেকে চলে যায় দীর্ঘ বছর ধরে।
শতখালী দারুল উলুম মাদরাসায় ম্যানেজিং কমিটিতে ব্যাপক ঝামেলা আছে ঠিকমতো ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা নাই। একটা মামলা হাইকোর্টে করা আছে কিন্তু বাদীর নাম প্রকাশ করে না।
পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (PBGSI) স্কীম এর আওতায় বিতরণকৃত মাদরাসা ব্যবস্থাপনা জবাবদিহি অনুদান (MMAG) এর অর্থ প্রেরণ এর খাতভিত্তিক ব্যয় SEDP এর আওতায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৫ লাখ টাকার সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাহক একাউন্টে ব্যায়ের খাতে অনিয়ম হয়েছে। শিক্ষকবৃন্দের জন্য প্রণোদনা শতকরা ২০% হারে ১ লাখ টাকা, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক সহকারী শিক্ষককে ১ ইউনিট করে সকল শিক্ষকের মধ্যে প্রতি সহকারী শিক্ষক পাবেন ৯৩০২.৩৩ টাকা, সহকারী প্রধান শিক্ষক (সহসুপার) পাবে ১১৬২৮ টাকা ও প্রধান শিক্ষক (সুপার) পাবেন ১৩৯৫৩ টাকা। এই শিক্ষক খাতে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে সম্ভবত এই খাতের টাকা ঠিক মতো দেওয়া হয়েছে বাকী খাতগুলো নিয়ে নয়ছয় করা হয়েছে। বইপত্র-লাইব্রেরি, শিক্ষা উপকরণ এবং গবেষণাগার সরঞ্জাম ইত্যাদি ৩০% হারে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মাধ্যমে আইনত নিষিদ্ধ, অননুমোদিত, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী এবং বির্তকিত বই ব্যতীত প্রয়োজনানুয়ায়ী অন্যান্য বই ক্রয় করার কথা, এটা করা হয়নি এটা খতিয়ে দেখতে হবে। ছাত্র-ছাত্রী বিশেষ করে ছাত্রীদের জন্য মাদ্রাসা ফ্যাসিলিটির অবকাঠামো, বিশুদ্ধ পানি, শৌচাগার, কমনরুম ইত্যাদি উন্নয়ন ২৪% হারে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা বিশুদ্ধ পানির জন্য টিউবওয়েল অথবা ফিল্টার সংযোজন এবং ছাত্রীদের জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে পৃথক শৌচাগার অথবা কমনরুমের উন্নয়ন করতে হবে। এই খাতের কোন কাজ করা হয়নি এটাও খতিয়ে দেখতে হবে। সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সহায়তা ব্যয় ১৫% হারে ৭৫ হাজার টাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, প্রধান শিক্ষক বা সুপার এবং শিক্ষক প্রতিনিধির সমন্বয়ে ৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির মাধ্যমে ভূমিহীন, গৃহহীন অতিদরিদ্র, দুঃস্থ, এতিম প্রতিবন্দ্বী নদী-সিকস্তি পরিবারের শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে সহায়তা প্রদান করতে হবে। প্রতিজন শিক্ষার্থীকে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে। এই খাতে ঠিকমতো টাকা দেওয়া হয়নি এটাও খতিয়ে দেখতে হবে। প্রতিবন্দ্বী অথবা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ফ্যাসিলিটি উন্নয়ন ১০% হারে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। সরকার কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিবন্ধিতার মাত্রানুযায়ী অগ্রাধিকার চাহিদা সম্পন্ন প্রতিবন্দ্বীকে যথাসম্ভব সহায়তা প্রদান। প্রয়োজন সাপেক্ষে হুইল চেয়ার, ক্রাচ, সাদাছড়ি, হিয়ারিং, এইড সরবরাহ ও র্যাম তৈরি করতে হবে। ১৯ জুন ২০২৩ স্কিম পরিচালক প্রফেসর চিত্ত রঞ্জন সাক্ষরিত। এই খাতের কাজের ব্যয় সঠিক করা হয়নি, বরঞ্চ সুপার বলছে ৪৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে আর সেটা কোথায় কিভাবে এটাও খতিয়ে দেখতে হবে।
নাভানা আড়পাড়া শোরুম থেকে দামের পণ্য ফাঁকা তালিকা কাগজ নিয়ে এসে ইচ্ছেমত ফ্যানের সংখ্যা লেখা। কমনরুম, মেয়েদের বাথরুম, ব্যাসিন নতুন নেই। দেখানো হচ্ছে বেশ কয়েক বছর আগের পুরনো বছরের দৃশ্য।
প্রতিবন্ধীদের ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে নয়ছয় মাত্র ১৭ হাজার টাকা বিলু হয়েছে ২ হাজার, ১৫০০, ১২০০ টাকা করে। পশ্চিম পাশে ব্লিডিং মাগুরা জেলা পরিষদের অর্থায়নে বরাদ্দ দেওয়া ১ লাখ টাকা আত্মসাৎ। ৮০ হাজার টাকা শিক্ষকদের মাঝে বন্টন। প্রতিষ্ঠানের মাঠে জমি আছে সম্ভবত ৪৫/৫৫ শতক লিজ দেওয়া বছরে ২০ হাজার টাকা প্রতি বতরে ১০/১৫ ধান আত্মসাৎ। প্রতিষ্ঠানের পুকুর আনিস বিশ্বাসের কাছে লিজ দেওয়া ১ লাখ টাকা, পুকুরের উত্তর পাড় আসাদুল শিকদারের কাছে ১০০০০ হাজার টাকা ও পূর্ব পাশের পাড় নওয়াব আলী স্যানেটারী ব্যবসায়ী দোকানদারের কাছে ২ হাজার টাকা লিজ দেওয়া। কৃষি সহকারী শিক্ষক শিল্পী ২০২২ সাল থেকে ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মাদরাসায় ক্লাস নেয়নি প্রক্সি দিয়েছে সোহাগ নামের এক ছেলে। শিক্ষক হাজিরা খাতায় সুপার সই করতো মাঝে মধ্যে এসে শিল্পী সই করেই চলে যেত। এবতেদায়ী প্রধান শিক্ষক আমিনুর তার ছেলের জন্য লাইব্রেরিয়ান পদে ১২ লাখ টাকা দিয়েছে। সুপার মাওলানা হাফিজুর রহমান বললো আমিনুর ভাইরা হয় একটু মনোমালিন্য হয়েছিলো। শতখালী বাজারে বিভিন্ন দোকান থেকে বিস্কুট চুরি, বাদাম চুরি করে খাওয়ার গল্প উঠে জনসাধারণের তুতার দোকানে বসে। দপ্তরী এমএলএসএস পদ এটা অফিস সহায়ক পরিবর্তন করতে গড়িমসি কথা। এসএসসি দাখিল পরীক্ষার সময় সায়েন্স ৩৭০০ টাকা ও মানবিক ৩৫০০ টাকা নিয়ে ফরম ফিলাপ করানো। ২০২৬ সালে দাখিল পরীক্ষা দিয়েছে ১৯ জন তার মধ্যে থেকে ১৩ জন পাশ ও ৬ জন ফেল করেছে। ৯ম শ্রেণির মিথিলা ৫ হাজার টাকা পেয়ে থতমত কথা তাকে মিথ্যা কথা শিখিয়ে দিয়েছে সুপার যার প্রমাণ মিথিলার মা বলেছে কখনও তার মেয়ে ৫ হাজার টাকা পায়নি। সহকারী একজন শিক্ষকের এইচএসসি পাশ ৩য় ডিভিশন আছে। চাকরি হওয়ার জন্য ডুপ্লিকেট বানিয়ে ২য় বিভাগ করেছে জালজালিয়াতি করে।
মিথিলা নামের যে ছাত্রীকে দিয়ে ৫ হাজার টাকার স্বিকারোক্তি দেওয়ানো হয়েছে ওকে সাজিয়ে এনেছিলো শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার নৈশ্য প্রহরী জাহাঙ্গীর। শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপারের যতো অপকর্ম আছে তার সাথে জড়িত এই নৈশ প্রহরী জাহাঙ্গীর তার প্রতিটা কাজের সাথে জড়িত। সুপারের বাড়ির কাজ থেকে শুরু করে এমন কোন অপকর্ম নেই যে সে করেনি। শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসায় ২০১৭ সালে ওবায়দুর রহমান দপ্তর পদে যোগদান করে বর্তমানে এই পদের নাম অফিস সহায়ক। সুপার সাহেব সবকিছু জানেও এখানেও গড়িমসি কথা এখন। সুপার মাওলানা হাফিজুর রহমান ৫০০০ হাজার টাকা দেয়নি কখনও মিথিলা খাতুনকে। বিস্তারিত মোবাইল ফোন কলের অডিও রেকর্ড আছে মিথিলার আম্মুর। শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী মিথিলা খাতুনের আম্মু লাকী বেগম জানালেন মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাংবাদিক ফারুক আহমেদকে ভাই আমি সত্য কথা বলবো সুপার মাওলানা হাফিজুর রহমান আমার মেয়েকে শিখিয়ে দিয়েছে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে ৫০০০ হাজার টাকা তাকে দিয়েছে। আমার মেয়ে বেশ কয়েক বছর আগে ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় উপবৃত্তি পেয়ে ছিলো ১৫০০ শত টাকা। আর সুপার মিথ্যা কথা শিখিয়ে দিয়েছে ৫০০০ হাজার দিয়েছে। আপনি আমার স্বামী মিজানুরের সাথে কথা বলেন। আর সংবাদ হওয়ার পর এলাকা থেকে অনেকেই বলেছে তোমার মেয়ে কিভাবে একটা মিথ্যা কথা বললো শুনে আশ্চর্য হয়ে গেলাম। শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসায় নিবন্ধনকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে সিসি ক্যামেরা কেনা টাকা নেন সুপার মাওলানা হাফিজুর রহমান। এই সিসি ক্যামেরা কেনা টাকা দেন আরিফ স্যার ইংরেজি সহকারী শিক্ষক, তোহিদুর বাংলা সহকারী শিক্ষক। সুপারের অফিস কক্ষের মাঝখান দিয়ে যে গ্লাসটা দেওয়া ওই গ্লাস করে দেন এক নিবন্ধন শিক্ষক সেটাতে খরচ হয় ৬০০০০ হাজার টাকা এই টাকাটা নিয়ে নেন সুপার মাওলানা হাফিজুর রহমান। মাদ্রাসার ভিতরে চারপাশ দিয়ে কাটাল গাছ, মেহগনি গাছ ছিলো সেই গুলো বিক্রি করেছে সুপার মাওলানা হাফিজুর রহমান। আর গাছ কাটার পরপর যে জায়গায় গাছ ছিলো সেই জায়গায় পিলাষ্টার করে দেয়। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অত্র মাদরাসায় শতখালী ইন্দ্রাপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সচিব মোজাম্মেল হক ৫ বছর পূর্বে ৮টি সিলিং ফ্যান দেয়। শতখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সুমন ২-৩ মাস পূর্বে ৬ টি সিলিং ফ্যান দেয়। তানিয়া ইট ব্রিকসের প্রোপাইটর কামাল হোসেন ৩ বছর পূর্বে ২-৩ টি সিলিং ফ্যান দেয়। ছাত্র-ছাত্রীদের অর্থায়নে দেড় বছর পূর্বে ১ টা সিলিং ফ্যান ক্রয় করা হয়। প্রতিবছর সরকারি ভাবে শিক্ষকদের টিউশনি ফি আত্মসাৎ ২০২৬ সালে ৬০ হাজার টাকা এসেছে। মাদরাসার সংস্কার কাজ রং ইত্যাদি করায়েছে স্টাফদের দিয়ে তাদেরকে পারিশ্রমিক দেয়নি। সরকারি জলবায়ু পরিবর্তনের সরকারি বরাদ্দের ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ। সুপারের আলিশান বাড়িতে ডাবল পাঁচিল, এসি, ডাবলপোর্ট ফ্রিজ যার দাম দেড় লাখ টাকা, ওয়াশিং মেশিন সহ দামী ব্রান্ডের জিনিসপত্র আছে।
শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসা নিয়ে অভিভাবকদের মন্তব্য ও অভিযোগ জানালেন
আসাদুল শিকদার, আসিফ শিকদার, ওয়াদুদ বিশ্বাস, সিদ্দিকুর রহমান, বশির তরফদার, নাজমুল শিকদার, ফখরুল ইসলাম, আতিয়ার মোল্লা, আনোয়ার হোসেন, নাজিম অভিভাবক সদস্য তারা বললো শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা হাফিজুর রহমান একনায়ক তন্ত্র গঠন করে মাদরাসা পরিচালনা করে। তারা আরও জানান আওয়ামীলীগ সরকার আমলে শতখালী ওলামালীগের ইউনিয়ন সভাপতি ছিলো সুপার হাফিজুর রহমান তখন ক্ষমতার অসীম দাপট দেখিয়েছে। শতখালী গ্রামবাসীদের দাবি তদন্ত টিম কমিটি গঠন করে দূর্নীতির মহোৎসব আখড়া উদঘাটন করে দেখুক এই সুপার একজন দূর্নীতিবাজ লোক।
এবিষয়ে শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মোঃ হাফিজুর রহমান মোবাইল ফোনে জানান, কৃষি শিক্ষক রীতিমত আসে শিল্পী হার্ট অপারেশন করা রোগী ও অসুস্থ এবং ক্লাস নিতে হবে এবং ২-১ টা ক্লাস অন্য কেউ নেয়। তার ছেলের বেটার বৌকে অফিস সহায়ক পদে দেওয়ার কথা বলার সাথে সাথেই ফোন কেটে দেয়।
সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর তার মাদরাসায় গেলে দীর্ঘ ৩ ঘন্টা হয়ে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এরপর দূর্নীতির এই সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার হলে সুপার মাওলানা হাফিজুর রহমান ৫-৬ সাংবাদিক ডেকে নিয়ে এসে ৫ লাখ টাকার মধ্যে থেকে একটা সত্য কথা বলে ৮০ হাজার টাকা শিক্ষকদের দিয়েছে। আর ৯ম শ্রেণির ছাত্রী মিথিলাকে মিথ্যা কথা শিখিয়ে দেয় সাংবাদিকদের ক্যামেরায় মেয়েটা ৫ হাজার টাকা পেয়েছে কিন্তু পরবর্তীতে সাংবাদিক ফারুক আহমেদের গভীর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এই মিথিলাকে কখনও ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়নি। এছাড়া ৫ লাখ টাকার সরকারি বরাদ্দ খাতের অন্যান্য বিষয় নিয়ে সুপার কোন কথা বলেনি বা সাংবাদিকদের সরজমিনে কাজ করা ও খাতা নথিপত্র দেখায়নি।
শালিখা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল গনি জানান, শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগটি শুনলাম বিষয়টা আমি দেখছি।
মাগুরা জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সহীলুদ্দীন জানান, শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সুপারের অভিযোগের বিষয়টা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে অবহিত করে ব্যবস্থা নিতে বলবো এবং শালিখা ইউএনও কে বিষয়টা জানান।
মাগুরা শালিখা উপজেলা পরিষদের নির্বাহী অফিসার ইউএনও তানভীর হাসান চৌধুরী জানান, শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার বিষয়টা জানলাম।