March 10, 2026, 6:59 pm
শিরোনামঃ
৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ রাষ্ট্র পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ ফ্যামিলি কার্ড : অর্থমন্ত্রী নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী নিরাপদ ও সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার : সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু গোপালগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য আইফোন ছিনিয়ে বন্ধুকে হত্যা হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে অত্যাধুনিক ক্লাস্টার ওয়ারহেড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি করেছে ইরান আমার অনুমোদন ছাড়া ইরানের নতুন নেতা টিকবেন না : ট্রাম্প
এইমাত্রপাওয়াঃ

বিশ্বের জনসংখ্যা পৌঁছালো ৮০০ কোটিতে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করলো আজ ১৫ নভেম্বর মঙ্গলবার। জাতিসংঘের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৩ সাল নাগাদ ভারত জনসংখ্যার দিক থেকে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে এবং বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশ হবে এটি।

জাতিসংঘ বলছে, ৭০০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করার মাত্র ১১ বছর পর বিশ্বের জনসংখ্যা আটশ কোটিতে পৌঁছালো। এরপর ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ৮৫০ কোটি এবং ২০৫০ সালে পৌঁছাবে ৯৭০ কোটিতে। তাছাড়া ২০৮০ সালে এই জনসংখ্যা এক হাজার কোটির মাইলফলক অতিক্রম করবে।

তবে আগামীতে ৯০০ কোটিতে পৌঁছতে ১৫ বছর সময় লাগতে পারে বলছে, সংস্থাটি।

বিশ্বের মানুষের সংখ্যা নির্ভুলভাবে গণনা করা কঠিন কাজ। তবে জাতিসংঘ বলছে, ১৫ নভেম্বর, জনসংখ্যা আটশ কোটিতে পৌঁছার তথ্যটি একটি সেরা অনুমান।

জনসংখ্যা বৃদ্ধি মূলত মৃত্যুহার হ্রাসের কারণে হয়। অন্যদিকে, জন্মহার বৃদ্ধির কারণেও জনসংখ্যা বাড়ে। এছাড়া গড় আয়ু বৃদ্ধিও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে এতে। বিশ্বব্যাপী, ২০১৯ সালে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ দশমিক ৮ শতাংশ। মৃত্যুহার আরও হ্রাসের ফলে বিশ্বব্যাপী গড় আয়ু প্রায় ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে ২০৫০ সালে।

জনসংখ্যার পরিমাপক হিসেবে মানুষের গড় আয়ু, জন্মহার ও মৃত্যুহার নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করলেও এবার অভিবাসনও জনসংখ্যা পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হয়ে উঠেছে।

২০২২ সালের পরিসংখ্যানে সর্বাধিক জনবহুল দেশের দুটিই এশিয়ায়। যেখানে বিশ্বের জনসংখ্যার ২৯ শতাংশ বসবাস করে। শুধু চীন ও ভারতেই বাস করে একশ কোটি ৪০ লাখ করে বেশি মানুষ। তবে জনসংখ্যার দিক থেকে চীনকে ২০২৩ সালে ছাড়িয়ে যাবে ভারত। আগামী কয়েক দশকে চীনে জনসংখ্যা আরও হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে এক শিশু নীতি চালু ছিল।

২০২০ সালে জাতিসংঘ জানায়, ১৯৫০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ১৯৫০ সালে যেখানে একজন নারীর সন্তান জন্মদানের হার ছিল গড়ে ৫ সেখানে বর্তমানে তা নেমে ২ দশমিক ৩ শতাংশে। ২০৫০ সালে সন্তান জন্মদানের হার নেমে আসবে ২ দশমিক ১ শতাংশে।

তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই উল্লেখ করে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের প্রধান নাটালিয়া কানেম বলেন, ৮০০ কোটি মানুষ মানবসভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। প্রত্যাশিত গড় আয়ু বৃদ্ধি এবং মা ও শিশুমৃত্যু কমে আসার প্রশংসাও করেন তিনি।

জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের বৈচিত্র্যময়তাকে উদযাপন করতে হবে এবং মানবীয় বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে অগ্রগতির কারণে বিস্মিত হওয়ার একটি উপলক্ষ তৈরি হয়েছে কারণ আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নাটকীয়ভাবে মা ও শিশু মৃত্যুহার কমেছে। তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে আমাদের পৃথিবীর সুরক্ষায় একে অপরের প্রতি দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। সূত্র: বিবিসি, ইউএসএ টুডে

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page