August 3, 2026, 3:10 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে পুলিশের অভিযানে ২০ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ উদ্ধার পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ শুধু উঁকি দিচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষরকে আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই : তথ্যমন্ত্রী দেশের সব ডিসির জন্য জরুরি নির্দেশনা চুয়াডাঙ্গায় স্বামীর বাসা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিলেন স্ত্রী পাবনায় চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবক নিহত ইসরায়েল শান্তি চায় না : তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান ইরানের লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ ফসফরাস বোমা হামলা
এইমাত্রপাওয়াঃ

বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচনকে কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র?

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : পাঁচ বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ সরব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিন ধরে তারা বিষয়টি নিয়ে কথা বলে আসছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসা নীতিও ঘোষণা করেছে মার্কিন সরকার। নতুন এই ভিসা নীতি নিয়ে দেশের বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন কথা হচ্ছে। যদিও বিষয়টিকে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতি মার্কিন সমর্থনের অংশ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। অনেকেই আবার মনে করছেন, এর পেছনে আরও কোন ‘কৌশলগত হিসেব-নিকেশ’ থাকতে পারে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনকে কেন এতো গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়াশিংটনভিত্তিক উইলসন সেন্টারের সাউথ এশিয়ান ইন্সটিটিউটের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান বলেছেন, এটা বেশ কঠোর একটা সিদ্ধান্ত এবং এখানে একটা খুবই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন এখন দেখবে নির্বাচন ঘনিয়ে এলে সেখানে কী ঘটে।

মাইকেল কুগেলম্যান জানান, তার মনে হচ্ছে জো বাইডেন প্রশাসনের গণতন্ত্র প্রসারের এজেন্ডার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে একটা দৃষ্টান্ত হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘বাইডেন প্রশাসন একটা মূল্যবোধভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটা জোরালোভাবে প্রয়োগ করছে।’

মাইকেল কুগেলম্যান বলছেন, গত বেশ কিছুকাল ধরেই আমরা দেখছি বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশের সরকারের ক্র্যাকডাউনের সমালোচনা করেছে, র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এখন দেখা যাচ্ছে যে কূটনৈতিক পন্থার বাইরে গিয়ে তারা প্রয়োজনে ‘শাস্তিমূলক পদক্ষেপ’ নিতেও ইচ্ছুক। অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন, গণতন্ত্র ও অধিকার নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতেও প্রস্তুত।

মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র জানে যে বাংলাদেশে চীন অনেক প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতাও অনেক এবং যুক্তরাষ্ট্র সচেতন যে বাংলাদেশ- দক্ষিণ এশিয়ার আরও অনেক দেশের মতোই- ভারত ও চীন উভয়ের সাথেই ভারসাম্য রেখে চলতে চায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র এসব দেশের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায় এবং এটাও দেখতে চায় যেন তারা চীনের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল হয়ে না পড়ে।’

তার কথায়, ‘ওয়াশিংটনে আজকাল স্ট্র্যাটেজির কথা বললেই তা চীনের সাথে জটিলতার লেন্স দিয়ে দেখা হয়। আমার তো মনে হয় অনেকেই যুক্তি দেবেন যে এ ধরনের (ভিসা বিধিনিষেধ আরোপের মতো) নীতি নিলে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, কারণ তা ঢাকাকে চীনের আরো ঘনিষ্ঠ হবার দিকে ঠেলে দিতে পারে, বা এমন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বেইজিং ঢাকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। সেটা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের অনুকূল হবে না। বরং বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতিতে বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রসার ঘটানোর যে কথা আছে- তার আলোকে একে দেখাটাই বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হয়।’

বাংলাদেশে এমন একটা ধারণা অনেকের আছে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান সরকারের বিরোধী, যেহেতু তারা এ সরকারের অনেক সমালোচনা করেছে। কিন্তু এই নতুন ভিসা নীতিতে এটা পরিষ্কার যে এর আওতায় সরকার ও বিরোধীদল উভয়ের লোকেরাই পড়বেন- যদি তারা অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টি করেন। ফলে এই ভিসা নীতি হয়তো ‘যুক্তরাষ্ট্র একটি নিরপেক্ষ ভূমিকা নিচ্ছে’- এ ধারণা জোরদার করার জন্যই নেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন মাইকেল কুগেলম্যান। সূত্র: বিবিসি বাংলা

আজকের বাংলা তারিখ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  


Our Like Page