March 14, 2026, 11:24 pm
শিরোনামঃ
জনগণকে দেয়া সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি : প্রধানমন্ত্রী সংসদ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সরকার বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী প্রতি শনিবার দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলবে : ভূমিমন্ত্রী নীলফামারীতে যুবককে কুপিয়ে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ঝিনাইদহে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে নিহতের মরদেহ ভ্যানে চড়িয়ে বিক্ষোভ যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প ওমান ছাড়তে মার্কিন কূটনৈতিক কর্মীদের নির্দেশ যুদ্ধে অংশ নিতে মধ্যপ্রাচ্যের পথে ২,৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা ইউয়ানে দাম মেটানো হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে দিতে পারে ইরান
এইমাত্রপাওয়াঃ

টাঙ্গাইলের ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে সাব রেজিস্ট্রারকে উকিল নোটিশ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর সাব রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সেই ঘুষের টাকা ফেরত দিতে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন আব্দুল বারী মিয়া নামের এক সেবাগ্রহীতা। গত ১৩ মে অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন খান কাপাশ স্বাক্ষরিত একটি উকিল নোটিশ ভূঞাপুর সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা রানী দেবনাথকে দেওয়া হয়। নোটিশে পরবর্তী সাত কর্মদিবসের মধ্যে টাকা ফেরতের কথা উল্লেখ করা হয়।

উকিল নোটিশ সূত্রে জানা যায়, ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার মৃত নছর আলীর ছেলে আব্দুল বারী মিয়া পাওয়ার অ্যাটর্নি দলিল রেজিস্ট্রি করার জন্য একটি দলিল দাখিল করেন সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা রানী দেবনাথের কাছে। পরে সাব রেজিস্ট্রার জমির দলিল দেখে অন্যপক্ষ হতে অভিযোগ আছে মর্মে টাকা দাবি করেন। এ সময় সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা দেবনাথ বারী মিয়ার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে ৭ লাখ টাকায় দলিল করার চুক্তি হওয়ার পর টাকা পরিশোধ করেন বারী মিয়া।

পরে গত ৩ মে কমিশন দলিল করে দেওয়ার জন্য সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারী জুয়েল বারী মিয়ার বাসায় গিয়ে দাতাদের টিপসই নেন। কিন্তু পরবর্তীতে তার দলিল সম্পাদন না হয়ে প্রতিপক্ষ দাতা ফেরদৌস হোসেন খান গং এবং গ্রহিতা খায়রুল ইসলাম তালকদার গংকে ১৪৩০ নম্বর রেজিস্ট্রি করেন এবং বারী মিয়ার ১৪৩০ নম্বর দলিল বাতিল করে ১৪৩১ নম্বর করেন। ফলে তিনি প্রতারিত হওয়ায় গত ১৬ মে ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে নোটিশ পাঠান।

সেবাগ্রহীতারা জানান, ভূঞাপুর সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অফিস সহকারি জুয়েল ও সিরাজের মাধ্যমে দলিল সম্পাদনের ঘুষের টাকা লেনদেন করেন সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা রানী দেবনাথ। দলিলের ওপর নির্ভর করে টাকা লেনদেনের পরিমাণ। কয়েক বছর ধরে সিরাজ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কাজ করার সুবাদে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন।

ভুক্তভোগী বারী মিয়া বলেন, দলিল করার জন্য সাব রেজিস্ট্রারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করলেও তিনি আমার দলিল সম্পাদন করেননি। পরে ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো টাকা ফেরত পাইনি।

অভিযোগের বিষয়ে ভূঞাপুর সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা রানী দেবনাথের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত বক্তব্য দেওয়া নিষেধ। এই বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না।

এ বিষয়ে জেলা রেজিস্ট্রার মো. মাহফুজুর রহমান খান বলেন, টাকা ফেরত চেয়ে উকিল নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই।

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page