অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কাশ্মীরের বিতর্কিত হিমালয় অঞ্চলে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে দুই বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে বলে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী শনিবার দাবি করেছে। দুই পারমাণবিক সশস্ত্র প্রতিবেশীর মধ্যে ২০২১ সালে যুদ্ধবিরতির পর এই ধরনের প্রথম সংঘর্ষ।
রয়টার্স জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে প্রকৃত সীমান্ত লাইন অব কন্ট্রোলের (এলওসি) সাতওয়াল সেক্টরে রাখালদের একটি দল আঘাত পেয়েছিল। সেনাবাহিনী বিবৃতিতে এমনটাই বলেছে।
বিবৃতিতে পাল্টা হামলা করার অধিকার রাখে বলেও সতর্ক করেছে পাকিস্তান আর্মি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ভারতীয় সেনাবাহিনী, নিরীহ কাশ্মীরিদের প্রতি তার স্বাভাবিক অমানবিক পদ্ধতির প্রদর্শনে, সাতওয়াল সেক্টরে রাখালদের একটি দলের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়।’
ভারতীয় সেনাবাহিনী মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি। ২০২১ সালে, দুই পক্ষই একটি বিরল যৌথ বিবৃতিতে মনোরম উপত্যকায় বিতর্কিত সীমান্তে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল।
ভারত ও পাকিস্তান উভয়ই বিতর্কিত ভূখণ্ডের দাবি করে। তবে প্রত্যেকেই এর অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে তাদের স্বাধীনতা পাওয়ার পর কাশ্মীর নিয়ে তিনবার যুদ্ধ বেধেছে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে।
২০১৯ সালে দুই সেনাবাহিনী প্রায় যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তেই পৌঁছে গিয়েছিল। ভারতীয় বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করার পরে সেটিকে গুলি করে নামিয়ে দেয়া হয়। তখন দিল্লি দাবি করেছিল তারা একটি জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির লক্ষ্যবস্তু করেছিল।
এই হত্যাকাণ্ড এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে প্রতিবাদ নথিভুক্ত করার জন্য।