অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বিচার বিভাগের নির্দেশ পেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ড. জোবাইদা রহমানকে দেশে ফেরত আনার জোর তদবির শুরু করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
রায়ে আদালত বলেছেন, তাদের (তারেক-জোবাইদা) দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করতে হবে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনও উদ্যোগ নেবে কি না, জানতে চাইলে বুধবার (২ আগস্ট) পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিষয়টি বিচার বিভাগকে জিজ্ঞাসা করেন। তারা আমাদের নির্দেশ দেবেন এবং নিশ্চয় আমরা তখন জোর তদবির চালাবো। কিন্তু পাঠানোর দায়দায়িত্ব ওই দেশের সরকারের।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আমাদের অনুরোধ করলে অবশ্যই (আমরা ব্যবস্থা নেবো)। আমরা ইতোমধ্যে ব্রিটিশ সরকারকে বারবার বলেছি, যারা অবৈধ রয়েছে, তাদের ফেরত পাঠাতে কিন্তু তারা ফেরত পাঠায়নি।’
তারেক রহমান লন্ডনে কী স্ট্যাটাসে আছেন, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সেটি বলতে পারবো না।’
উল্লেখ্য, বুধবার সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৯ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং তার স্ত্রী ড. জোবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
২০০৭ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এক মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালত এই রায় দেন।
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বিদেশি কূটনীতিকদের বৈঠক হচ্ছে এবং এ বিষয়ে সরকারের কোনও মন্তব্য নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘তারা ডাকতে পারে…তারা নালিশ করে, নালিশ করুক। আমরা জনগণে বিশ্বাস করি। আমরা জনগণকে নিয়ে চলতে চাই। বিদেশিরা এ দেশে এসেছিল। বেনিয়ারা, ব্রিটিশরা আমাদের ২০০ বছর অত্যাচার করেছে। আমাদের সমাজকে ধ্বংস করে দিয়ে গিয়েছিল। আমরা বিদেশি মুরব্বিদের অত পছন্দ করি না। তারা যদি উন্নয়নের সহায়ক হয়, তবে তাদের আমরা স্বাগত জানাই।’
বিরোধী দল বিদেশি কূটনীতিকদের আমন্ত্রণ জানালে সরকার কখনও আপত্তি করবে না। এটি একটি স্বাধীন দেশ এবং যে কেউ যাকে ইচ্ছা আমন্ত্রণ জানাতে পারে বলে তিনি জানান।