August 28, 2026, 2:44 am
শিরোনামঃ
মাগুরায় বিনামূল্যে ছানি অপারেশনে দৃষ্টিশক্তি ফেরানোর উদ্যোগ যশোরে মাকে হত্যার অভিযোগে যশোরে শিক্ষক ছেলে আটক যশোরে আল আমিন হত্যা মামলায় এবার রসুল আটক রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ফখরুল ইসলাম সংসদে সরকারদলীয় এমপিদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস ও আমির খসরু নেপালের বন্যায় হতাহতদের স্মরণে সংসদে শোক প্রস্তাব ; সহায়তার বার্তা জানাল বাংলাদেশ জয়পুরহাটে নিখোঁজের ৫ দিন পর আখখেতে মিলল ইজিবাইক চালকের কঙ্কাল দিনাজপুরে সাবেক শ্রমিক লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও-সংঘর্ষ ভয়াবহ বন্যায় নেপাল ও চীনের ১৫০০ জন মানুষ নিখোঁজ
এইমাত্রপাওয়াঃ

টিকার অভাবে বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উদ্বেগ জানিয়েছে। একইসঙ্গে এই পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় সংক্রমণ ছড়ানো, বিশালসংখ্যক শিশুর আক্রান্ত হওয়া, টিকাদানের অভাবে এ রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতায় ঘাটতি এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনাবলির আলোকে সংস্থাটির প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ মূল্যায়ন করা হয়।

গত ৪ এপ্রিল বাংলাদেশের জাতীয় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি বা আইএইচআর ফোকাল পয়েন্ট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানায়, দেশে হাম রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশের ভেতরে চলমান সংক্রমণের কারণে এই বৃদ্ধি হয়েছে। জানুয়ারি থেকেই বাংলাদেশে হাম রোগীর সংখ্যা স্পষ্টভাবে বাড়তে দেখা যাচ্ছে।

আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন মূল্যায়নের পর সংস্থাটির সাবেক পরামর্শক ও জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়তে থাকায় আমরা বলেছিলাম, হামকে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণা করা হোক। এখন সরকারের উচিত জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা এবং টিকাদান এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’

গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ১৯ হাজার ১৬১ সন্দেহভাজন হাম রোগীর তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। একই সময়ে পরীক্ষা করে নিশ্চিত রোগী পাওয়া গেছে ২ হাজার ৮৯৭।

তবে পরিস্থিতির বিস্তারিত বিবরণে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৯৭৩ উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জানা যায়, মৃত্যুহার বা সিএফআর ০ দশমিক ৯ শতাংশ। পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম-সম্পর্কিত মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। এক্ষেত্রে মৃত্যুহার ১ দশমিক ১ শতাংশ।

এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২ হাজার ৩১৮ জন। একইসঙ্গে এসময় হাসপাতাল থেকে ৯ হাজার ৭৭২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।

হাসপাতালে যাওয়া রোগীদের বেশির ভাগই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু বলে উল্লেখ করা প্রতিবেদনে। এই হার ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে দুই বছরের কম বয়সী শিশু ৬৬ শতাংশ এবং ৯ মাসের কম বয়সী শিশু ৩৩ শতাংশ।

মোট ১৬৬ শিশুর সন্দেহভাজন মৃত্যুর তথ্য পাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। তারা প্রধানত টিকা না পাওয়া দুই বছরের কম বয়সী শিশু।

 

উল্লেখ্য, হাম রোগীর সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা যাচ্ছে ঢাকা বিভাগে, ঘনবসতিপূর্ণ বস্তি এলাকায়।

 

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page