October 5, 2026, 12:50 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে আদালতের ডিক্রিপ্রাপ্ত জমি দখলের অভিযোগ ; বিবাদীদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর ক্ষোভ ও মানববন্ধন যশোরের শার্শায় পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ থেকে বিনামূল্যে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ : মাইকেল মিলার  নোয়াখালীতে বিভিন্ন মাদক মিশিয়ে বানানো ‘ঝাক্কাস’ সেবন করে তরুণের মৃত্যু ; ৪ জন হাসপাতালে সিরাজগঞ্জে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা আকাশেই গতিপথ বদলাতে সক্ষম এআই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া
এইমাত্রপাওয়াঃ

মির্জা ফখরুলসহ সব স্বাধীনতাবিরোধীর মনে মৃত্যু ভয় ঢুকে গেছে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘মির্জা ফখরুল নাকি দিবালোকের মতো দেখছেন ক্ষমতায় যাবেন। মির্জা ফখরুল ইসলামের বাবা চোখা মিয়া একজন কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন। স্বাধীনতার পর মির্জা ফখরুল বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন করে তার বাবাকে রক্ষা করেছিলেন। তার বাবা চোখা মিয়া স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাড়ি থেকে বের হননি। তিন বছর তাকে বাড়ির বাইরে দেখা যায়নি। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর সকালে চোখা মিয়া লুঙ্গি পড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দিয়েছিলেন। মির্জা ফখরুলসহ যত স্বাধীনতাবিরোধী রয়েছে, তাদের মনে মৃত্যু ভয় ঢুকে গেছে। আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ তাদের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে ভোটকেন্দ্রে হাজির হবেন।’

আজ শুক্রবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দিনাজপুর প্রেস ক্লাব চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান চালুর করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি সংবিধান পাল্টাতে পারেন নাই। তার সন্তানরা বলছে সংবিধান পাল্টে ফেলবে। কত বড় সাহস! বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষরা কি মরে গেছে? এবিএম মুসা, গফ্ফার চৌধুরীর উত্তরসুরিরা কি মরে গেছে? মরে যায় নাই। এখনও কলম আছে। এখনও কলমের কালি শুকিয়ে যায়নি। এখনও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গর্জে উঠে। কাজে দুঃস্বপ্ন দেখার চিন্তা-ভাবনা বাদ দিতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশে থাকতে হলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র মানতে হবে, ইশতেহার মানতে হবে। তারপরেই এই দেশে রাজনীতি করার সুযোগ আছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে কোনও সুযোগ নাই। জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালে সান্ধ্য আইন চালু করেছিলেন। তার সান্ধ্য আইনের কারণে সাধারণ জনগণ রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাড়ি থেকে বের হতে পারতেন না। অথচ তারা আজ আমাদের গণতন্ত্র শিখতে বলছে। হ্যাঁ/না– ভোট দিয়ে ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুনর্বাসন করেছে, চাকরি দিয়েছে। তারা বলে সুশাসন চাই, আইনের শাসন চাই। যারা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন তারা বলেন যে রাজনীতির পরিবেশ নাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ২০০৯ সালে ঢাকার রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন। এর আগে ঢাকায় কেউ তাকে চিনতেন না। ফখরুল এখন গর্ব করছেন যে কুখ্যাত রাজাকার চোখা মিয়ার ছেলে জাতীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে! এজন্যই তিনি খুশি, এজন্যই তিনি আনন্দিত। মির্জা ফখরুল নিজস্ব পরিসরে বলেন, তারেককে তিনি পছন্দ করেন না। তারেক মানুষ হত্যা করেছে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করেছে। আমার জীবন ঝুঁকিপূর্ণ করেছে, তাকে আমি পছন্দ করি না। এরপরও তিনি দলে আাছেন যে দল ছেড়ে দিলে জানাজায় মানুষও হবে না। মির্জা ফখরুলের মনে মৃত্যুভয় ঢুকে গেছে! যত স্বাধীনতাবিরোধী রয়েছে তাদের মনে মৃত্যুভয় ঢুকে গেছে! আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ তাদের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে হাজির হবেন ভোট কেন্দ্রে। এতে কোনও সন্দেহ নেই।’

দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বরূপ বকসী বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি, জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আব্দুল্লাহ আল মাসুম, সিভিল সার্জন ডা. বোরহান-উল সিদ্দিকী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইমদাদ সরকার, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি রেজা হুমায়ুন ফারুক চৌধুরী শামীম, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল প্রমুখ।



Our Like Page