অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ভারতের কর্ণাটকে নির্বাচনি সাফল্যের পর মধ্যপ্রদেশে একই ফর্মুলা ব্যবহারের চেষ্টায় আছে কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। অন্যদিকে কংগ্রেসের নতুন আক্রমণের মোকাবিলায় বিজেপিও পরিবর্তন এনেছে তাদের কৌশলে।
১২ জুন জবলপুরের এক সমাবেশে কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেছিলেন, আমরা কর্ণাটকের জনগণের কাছে তাদের প্রত্যাশা পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেখানে সরকার ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে বিল পাশ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে মধ্যপ্রদেশে প্রতি মাসে নারীদের ১৫০০ রুপি করে দেওয়া হবে। গ্যাস সিলিন্ডার ৫০০ রুপি এবং ১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। ২০০ ইউনিটের খরচ হবে অর্ধেক। এ ছাড়া মধ্যপ্রদেশে পুরানো পেনশন প্রকল্প কার্যকর করা হবে এবং দরিদ্র কৃষকদের ঋণ মওকুফ হবে।’
মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের প্রথম চমক রণদীপ সুরজেওয়ালাকে রাজ্যের দায়িত্ব দেওয়া। সুরজেওয়ালা এর আগে কংগ্রেসের কর্ণাটক প্রধান ছিলেন। কংগ্রেসের কৌশলবিদ সুনীল কানুগোলুকেও মধ্যপ্রদেশে একই রকম ফলাফল আনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশ বিজেপির প্রধান ভিডি শর্মা বলছেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে কংগ্রেস। বিজেপি এর কড়া জবাব দেবে।
তিনি বলেন, ‘কংগ্রেস একটি ভুয়া চিঠি দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আমাদের প্রতিটি কর্মী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে জবাব দেবে। আপনি মানহানির অপরাধ করেছেন।’
এই আখ্যান ধরে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকে আক্রমণ করার জন্য নতুন কৌশল বেছে নিয়েছে বিজেপি। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রদেশে ৩৯ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি।
মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি যুদ্ধের পর্যায়ে চলছে। কংগ্রেস মনে হয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে ভয় পাচ্ছে। আমরা আমাদের প্রার্থীদের নাম দিয়েছি। আমাদের জেনারেলরা এখন মাঠে রয়েছেন।’
মধ্যপ্রদেশে বিভাগীয় স্তরে বৈঠক করছে কংগ্রেস। গুজরাট, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহার থেকে প্রায় ২৩০ জন বিধায়ক সাত দিন ধরে রাজ্যজুড়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রবিবার মধ্যপ্রদেশ সফর করবেন। এ সময় তাকে নির্বাচনি প্রচারে দেখা যেতে পারে। সূত্র: এনডিটিভি