October 2, 2026, 9:29 pm
শিরোনামঃ
যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্যসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ২ মামলার দুদকের অনুমোদন যশোরের শার্শায় পুলিশি অভিযানে আওয়ামী লীগ কর্মী আটক মাগুরার শতখালী মাদরাসার সুপারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ; তদন্তের দাবি যশোরে কৃষকের লাশ উদ্ধার‌ ; পরিবারের অভিযোগ হত্যা  যশোরের শার্শায় তৃণমূল আওয়ামী লীগের ৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার যশোরের বাঘারপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতিসহ দুইজন আটক মাগুরা বুনাগাতী ডিগ্রি কলেজে সংস্কৃতি মন্ত্রীকে সংবর্ধনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি আসা নিয়ে কোনো সংকট নেই : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী দেশকে মরুভূমির হাত থেকে রক্ষায় খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আগামী ৩ মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং উৎখাত করা হবে : চিফ হুইপ
এইমাত্রপাওয়াঃ

আগুন সন্ত্রাসীদের কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না : মাহবুবউল আলম হানিফ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : আগুন সন্ত্রাসীদের কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

রবিবার বিকাল তিনটায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসী বাহিনী। পুলিশ হত্যা করে, পুলিশের ওপর আক্রমণ করার পর, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে আক্রমণের পর সমাবেশ পণ্ড হওয়ার কারণে তারা হরতাল দিচ্ছে। নিজেরা অপকর্ম করে তার দায় অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এবার আর রক্ষা হবে না। এই অপকর্মের দায় মির্জা ফখরুল সাহেবদের বহন করতে, এদেরকে আর ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, বিএনপি দেশে এবং বিদেশে সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত। বাংলাদেশ বিএনপি নামক দলটি ইতোমধ্যে সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আমরা বারবার বলেছি এদের চরিত্র কখনোই পাল্টায় না। গতকালকের (২৮ অক্টোবর) সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে তাদের স্বরূপ উন্মোচন হয়েছে। আবারো প্রমাণ হয়েছে তারা উন্নয়ন চায় না, দেশ ধ্বংস করতে চায় সেটা আবার প্রমাণিত হয়েছে।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আপনারা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস করছেন। বাংলাদেশে বহু আন্দোলনে হয়েছে। আমরাও বহু আন্দোলন করেছি। আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া দল। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ে লড়াই-সংগ্রাম করেছে, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বহু আন্দোলন করেছি। জাতির পিতার নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে নয় মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বহু আন্দোলন হয়েছে। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হয়েছিল, ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চেষ্টা করেছেন। আমরা আন্দোলন করে পতন ঘটিয়েছিলাম। এরপর ২০০৬ সালে আবার অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার চেষ্টার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তাদেরকে অগণতান্ত্রিক পথ অনুসরণ প্রতিহত করেছিলাম তখনও পুলিশের ওপর আক্রমণ করা হয়নি। বরং বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকতে আমরা বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছি।

‘ঢাকার রাজপথে আমাদের প্রয়াত নেতা সাহারা খাতুন, প্রয়াত নেতা নাসিম, আজকের সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, সাবের হোসেন চৌধুরী, আসাদুজ্জামান নুরের মতো সিনিয়র নেতাদের রাজপথে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছিল। তারপরও আমরা পুলিশের ওপর আক্রমণ করিনি’- বলেন হানিফ।

তিনি বলেন, অথচ আমরা দেখছি ২০১৩ সালের পর থেকে প্রত্যেক আন্দোলনে মূল টার্গেট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ২০১৩ সালে গাইবান্ধায় পুলিশ ফাঁড়িতে আক্রমণ করে পিটিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আমরা দেখেছিলাম রাজশাহীতে ৷ কীভাবে পুলিশ পিটিয়ে রাজপথে ফেলে রেখেছিল।

তিনি বলেন, বিএনপি যখনি আন্দোলনে নামে তখনি দেখা যায় তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করে। তারা এদেশকে ধ্বংস করতে চায়, দেশের প্রশাসনযন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায়। গতকালকে আবার আমরা দেখলাম পুলিশ সদস্যকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পুড়িয়ে দিতে চায়। আমরা এসব কর্মকাণ্ডের ধিক্কার জানাই। এসব ঘটনা আমাদেরকে একাত্তর মনে করিয়ে দেয়।

হানিফ বলেন, একাত্তরে জামায়াতে ইসলামী যেভাবে বাড়িঘর পুড়িয়েছে, মা-বোনদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, পাকিস্তানি সৈন্যদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষ হত্যা করেছিল। এই জামায়াতের সহযোগী বিএনপি গতকাল তাই করছে।

দেশের মানুষ উন্নয়ন-শান্তি চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে বারবার সামনে আসে বিএনপি। আমরা বলেছিলাম, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করলে সরকারের পক্ষ থেকে বাধা আসবে না কিন্তু শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির নামে অশান্তি, নাশকতা করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে কোনো উসকানি ছিল না। আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীকে আহত করেছে, দেড়শ’ পুলিশ সদস্যকে আহত করেছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। তারা আজ থেকে আর যদি কোনো কর্মকাণ্ড করে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে প্রতিহত করা হবে।

সুশীল সমাজের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের এই অপকর্মের কিছু সুশীল সমাজ টেলিভিশনে বসে তাদের পক্ষে সাফাই গান। এরা কারা? এরা তথাকথিত সুশীল সমাজের নামে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি। এই দালালদেরকে চিহ্নিত করতে হবে। এরা সুশীলের নামে বসে দেশের বিরুদ্ধে, সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কথা বলে দেশের রাজনীতি উত্তপ্ত করতে চায়। এদেরকেও আইনের মুখোমুখি করতে হবে।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি গতকালের সহিংসতায় নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলামের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম প্রমুখ।

আজকের বাংলা তারিখ

October ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Sep    
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page