October 5, 2026, 8:29 pm
শিরোনামঃ
আপনারা এক পা এগিয়ে এলে আমিও দুই পা যাবো : রাষ্ট্রপতি প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার নির্মাতা : শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ সরকারের প্রেসক্লাব যশোরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তৌহিদুর রহমান মারা গেছেন যশোরের বেনাপোলে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ৩ আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৪ জন আটক যশোরের শার্শায় যুবলীগ নেতা খোকন আটক যশোরের চৌগাছায় গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ১ জন নিহত কুষ্টিয়ায় ভারতে পাচারকালে ৯ হাজার কেজি সার জব্দ নাটোরে আজান দেওয়ার সময় মোয়াজ্জিনকে ছুরিকাঘাত ; মসজিদে মিললো রক্তাক্ত দেহ
এইমাত্রপাওয়াঃ

গাজীপুরে ১২৩ কারখানা ভাঙচুর ; ২২ মামলায় গ্রেপ্তার ৮৮ : শিল্প পুলিশের ডিআইজি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : শিল্প পুলিশের ডিআইজি মো. জাকির হোসেন খান বলেছেন, ‘গার্মেন্টস্ সেক্টরে শ্রমিকের মজুরি বাড়ানোকে কেন্দ্র করে গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষে ১২৩টি কারখানায় কমবেশি ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানো হয়েছে। বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলায় এ পর্যন্ত ৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

শনিবার (১১ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে গাজীপুরের কোনাবাড়িতে শ্রমিকদের আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা তুসুকা গার্মেন্টস্ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ডিআইজি জাকির হোসেন বলেন, ‘গার্মেন্টস্ সেক্টরে শ্রমিকের মজুরি বাড়ানোকে কেন্দ্র করে এখানে শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। আমাদের কাছে তথ্য আছে ১২৩টি কারখানায় কমবেশি ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালিয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলন কোনাবাড়িতে বেশি। আশুলিয়াতে কিছুটা আছে বা চট্টগ্রাম এলাকায় আন্দোলন নেই। কোনাবাড়িতে একটা গ্রুপ এখানে মদদ দিচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ও ইন্টিলিজেন্টস্ সেল আছে তারাও কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘শিল্প পুলিশ, গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশ, র‌্যাব, জেলা পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবাই আমরা এ পর্যন্ত ৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছি ও বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। সরকার এরই মধ্যে মজুরি ঘোষণা করেছেন ও আমাদের ধারণা, এর পেছনে একটা গ্রুপ এদেরকে আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে। উসকানিদাতাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ শ্রমিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। যারা এই ধ্বংসাত্মক কাণ্ডে সঙ্গে জড়িত যেসব শ্রমিক ও ওই শ্রমিকদের সঙ্গে বহিরাগত লোক আছে। যেসব শ্রমিকরা এসব ধ্বংসাত্মক কাজের সঙ্গে যুক্ত, তারাই আতঙ্কগ্রস্ত হবে ও তাদেরকে আমরা গ্রেপ্তার করবো। এর পেছনে বহিরাগতদেরকেও আমরা গ্রেপ্তার করবো।’

তিনি জানান, গাজীপুর কোনাবাড়ি মিলে ১৭টি কারখানা বন্ধ আছে। মালিক কর্তৃপক্ষ যাতে কারখানা চালু রাখেন আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলছি, তারা দ্রুতই উৎপাদনে যাবে।

এ সময় গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলমসহ শিল্প পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কারখানা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন।



Our Like Page