অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রাজশাহীর বাঘায় জমি-নিয়ে দ্বন্দ্ব ও গাছ কাটার বিরোধকে কেন্দ্র করে শ্যালক মখলেসুর রহমানকে পিটিয়ে হত্যা করেছে তার দুলাভাই কামাল হোসেন। সোমবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার গাওপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মখলেসুর রহমান বাঘা পৌর সভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড গাওপাড়া গ্রামের বীর মুুক্তিযোদ্ধা মৃত হায়দার আলীর ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ কামালের স্ত্রী নুপুর বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে।
জানা গেছে, বাঘা পৌরসভার গাওপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত হায়দার আলীর মেয়েকে বিয়ে করে একই গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে কামাল হোসেন (৫৫)। স্ত্রীর জমির অংশ নিয়ে শ্যালক মখলেসুর রহমান (৬০) সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিল বোন জামাতা কামাল হোসেনের। এ নিয়ে সোমবার একটি কদম গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবির্তক শুরু হয়। একপর্যায়ে কামাল হোসেন উত্তেজিত হয়ে ইট ও সাজনির ডাল দিয়ে আঘাত করে তার শ্যালককে। এতে তিনি আহত হন। আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাকিব আহম্মেদ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নিহত মখলেসুর রহমানের ছেলে সাগর হোসেন একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ দুপুরে কামালের স্ত্রী নুপুর বেগমকে আটক করেছেন। বাকি দুই আসাসি কামাল হোসেন ও তার ছেলে লিজার (২৬) পলাতক।
বাঘা থানার কর্তব্যরত উপ-পরিদর্শক (এস.আই) সাইদুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর লাশ রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত ব্যক্তির বুকে ও পিঠে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এ মামলায় তিনজন আসামির মধ্যে আমরা একজনকে আটক করেছি। বাকি দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।