October 4, 2026, 9:25 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে আদালতের ডিক্রিপ্রাপ্ত জমি দখলের অভিযোগ ; বিবাদীদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর ক্ষোভ ও মানববন্ধন যশোরের শার্শায় পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ থেকে বিনামূল্যে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ : মাইকেল মিলার  নোয়াখালীতে বিভিন্ন মাদক মিশিয়ে বানানো ‘ঝাক্কাস’ সেবন করে তরুণের মৃত্যু ; ৪ জন হাসপাতালে সিরাজগঞ্জে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা আকাশেই গতিপথ বদলাতে সক্ষম এআই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া
এইমাত্রপাওয়াঃ

লাশ এখনো উদ্ধার হয়নি তবে কাজ অনেকদূর এগিয়েছে : ডিবি প্রধান

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ড তদন্তে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে কলকাতা গেছেন তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল। রোববার (২৬ মে) সকালে কলকাতায় যান তারা। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- ওয়ারী বিভাগের ডিসি মুহাম্মদ আব্দুল আহাদ ও এডিসি শাহীদুর রহমান।

কলকাতায় গিয়েই সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন ডিবিপ্রধান হারুন। তিনি বলেন, আমরা কলকাতায় এসেছি, এখানকার পুলিশের সহায়তা চাইবো। আমাদের দেশের আসামিরা যেসব তথ্য দিয়েছে, সেসব তথ্য যাচাই-বাছাই করবো। হত্যাকারীদের অ্যাকচুয়াল মোটিভটা কী তা আমরা খুঁজে বের করবো।

তিনি বলেন, কলকাতা পুলিশ তিনদিন ধরে আমাদের আসামিদের সঙ্গে সামনা-সামনি কথা বলেছে। আমরাও কলকাতার সিআইডির কাছে অনুমতি চাইবো। আমরাও অপরাধীদের সঙ্গে কথা বললে হয়তো আসামিরা যেসব তথ্য দিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে যেসব স্থানের কথা বলেছে – তাদের সহযোগিতায় সেগুলো পরিদর্শন করবো। আমার জানামতে লাশ এখনো উদ্ধার হয়নি।

লাশ খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারে আসা প্রকাশ করেন গোয়েন্দা প্রধান। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সিআইডি অনেক কাজ করছে, অনেকদূর এগিয়েছে। আমরা আশা করি খুব দ্রুত তথ্য পেয়ে যাবেন।

হারুন আরও বলেন, শাহীনকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পুলিশের মহাপরিদর্শকের মাধ্যমে আবেদন করা হবে। সহায়তা চাওয়া হবে ইন্টারপোলের। শাহীন এই হত্যার মাস্টারমাইন্ড বলে নিশ্চিত করেছে কলকাতা ও ঢাকার গোয়েন্দারা। আমাদের তদন্তদল কলকাতায় প্রথমে ঘটনাস্থলে যাবে। এরপর ভারতে গ্রেপ্তার জিহাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

শাহীনকে পেতে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারত, নেপাল, ইন্টারপোল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করছে বলে ভারতীয় সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি জানান, আখতারুজ্জামান শাহীন মূল সন্দেহভাজন এবং পলাতক। তাকে বিচারের আওতায় আনতে ভারত, নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাহায্য চাওয়া হয়েছে।



Our Like Page