27 Feb 2025, 03:08 pm

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বৃহস্পতিবার গাজা উপত্যকায় পানির অবকাঠামো ধ্বংস ও বেসামরিক লোকদের সরবরাহ লাইন বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে গণহত্যামূলক কার্যকলাপের জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে।

জেরুজালেম থেকে এএফপি জানায়, বিশেষভাবে পানি সমস্যার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে নিউইয়র্ক-ভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থা তাদের নতুন প্রতিবেদনে বিশদভাবে ব্যাখ্যা করে বলেছে যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড গাজাবাসীকে পানি থেকে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ইচ্ছাকৃত একটি পদ্ধতিগত প্রচেষ্টা, যা সম্ভবত হাজার হাজার মানুষের মৃতুর কারণ এবং ভবিষ্যতেও আরো মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজা উপত্যকায় বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত পানি পেতে ফিলিস্তিনিদের ইচ্ছাকৃতভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে।’ রিপোটে বলা হয়, এ ছাড়া সোলার প্যানেল পাওয়ারিং ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট,  জলাধার ও  খুচরা যন্ত্রাংশের গুদাম ও সেইসাথে জেনারেটর চালাতে ব্যবহার্য জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করাসহ পানি ও স্যানিটেশন অবকাঠামোর ইচ্ছাকৃত ক্ষতিসাধন করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েল বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ , মেরামত কর্মীদের ওপর হামলা এবং মেরামত সামগ্রী আমদানিও বাধাগ্রস্ত করেছে।

প্রতিবেদনে উপসংহারে বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে গাজার ফিলিস্তিনি জনসংখ্যার অস্তিত্ব আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংসের প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে ইসরায়েল গাজায় তাদের ইচ্ছাকৃত ধ্বংসযজ্ঞের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। অবরুদ্ধ অঞ্চলে সহায়তা পৌঁছানোর সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছে।

প্রায় এক বছর ধরে তৈরি করা এইচআরডব্লিউ প্রতিবেদনটি কয়েক ডজন গাজাবাসী, পানি ও স্যানিটেশন কর্মী, চিকিৎসক এবং সাহায্য কর্মীদের সাথে সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি স্যাটেলাইট চিত্র, ছবি, ভিডিও এবং ডেটা বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। এটি বলেছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তথ্যের জন্য অনুরোধ জানালে তার জবাব দেয়নি।

এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, পানির অভাব ও পানিবাহিত রোগ গাজাবাসীর জনজীবনকে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। অধিকার গোষ্ঠীটি ইসরায়েলকে গাজায় পর্যাপ্ত পানি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ অবিলম্বে নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গাজায় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম সৃষ্ট গণহত্যা প্রতিরোধে সব ধরনের ব্যবস্থা  নেওয়াসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এর মধ্যে  সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র বিক্রি বা স্থানান্তর বন্ধ, লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পর্যালোচনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

গাজায় পানি অবকাঠামো ধ্বংসে ইসরায়েরের প্রচেষ্টার প্রতি নিষেধাজ্ঞা চায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  বেতন বৃদ্ধি, উন্নত কর্মপরিবেশ ও ট্রেড ইউনিয়ন গঠনসহ নানা দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছে অ্যামাজনের কর্মীরা।

আশানুরুরপ সাড়া না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার কর্মীরা বড়দিনের কয়েক দিন আগে সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করতে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের অ্যামাজন কর্মীরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

এএফপি এই খবর জানায়। তাদের ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অ্যামাজন কর্মীদের এটা সবচেয়ে বৃহত্তম ধর্মঘট।

টিমস্টার ইউনিয়নের পক্ষ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। সেখানে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে নিউইয়র্ক, আটলান্টা ও সান ফ্রান্সিসকোসহ শহরগুলোতে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড়’ ধর্মঘটে যুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চারপাশে অবস্থিত সাতটি অ্যামাজন রয়েছে। পিকেটে থাকা কর্মীদের মধ্যে রয়েছে অ্যামাজন কর্মচারী যারা টিমস্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে যুক্ত এবং ট্রাকার যারা প্যাকেজগুলো ভিতরে এবং বাইরে পরিবহন করে থাকে ।

নিউ ইয়র্কের টিমস্টার লোকাল ৮০৪-এর কোষাধ্যক্ষ টনি রোসিগ্লিওন বলেছেন, নিউইয়র্কের অ্যামাজন ডিবিকে ৪ গুদাম বৃহস্পতিবার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে, তবে পিকেটগুলো বাইরে ডেলিভারি কমিয়ে দিয়েছে ।

রোসিগিওন এক ফোন সাক্ষাৎকারে এএফপি’কে বলেছেন, কুইন্সে পিকেট লাইনে ইউনিয়ন সমর্থকসহ প্রায় ৩শ’ জন লোক ছিল, যেখানে ইউনিয়ন টিমস্টারদের সাথে যোগ দিতে আগ্রহী অতিরিক্ত অ্যামাজন কর্মীদের সাইন আপ করেছিল ।

ইউনিয়ন এক বিবৃতিতে বলেছে নিউইয়র্কের পাশাপাশি, শ্রমিকরা আটলান্টা, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকো এবং ইলিনয়ে পিকেটিং করবে, অন্যান্য আমাজন টিমস্টারদের সাথে তাদের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

টিমস্টার বস শন ও’ব্রায়েন ফক্স নিউজকে বলেছেন কর্মীদের জন্য মূল অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে বেতন বৃদ্ধি, উন্নত কর্মপরিবেশ এবং কাজের-নিরাপত্তার মান বজায় রাখা।
নর্থ আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম ইউনিয়নগুলোর মধ্যে টিমস্টার্স অন্যতম। এতে অ্যামাজনের প্রায় ১০ হাজার কর্মী যুক্ত রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

 

বেতন বৃদ্ধি ও উন্নত কর্মপরিবেশের দাবীতে অ্যামাজনের হাজার হাজার কর্মী ধর্মঘটে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মুম্বাইয়ের উপকূলে ভারতীয় নৌ বাহিনীর একটি স্পিডবোটের সঙ্গে যাত্রীবাহী একটি ফেরির সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছে। নৌ বাহিনী জানিয়েছে, স্পিডবোটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে যাত্রীবাহী একটি ফেরির সঙ্গে প্রচন্ড বেগে সংঘর্ষ হয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতের সরকারি বার্তা সংস্থা ‘এএনআই’ আজ এই খবর জানিয়েছে।

নৌ বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা এবং সরঞ্জাম প্রস্তুতকারকের দুই ব্যক্তিসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

ফেরি থেকে দুর্ঘটনার একটি ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। ফেরিতে ১১০ জন যাত্রী ছিলেন। স্পিডবোটে ছিলেন ৫ জন।

দুর্ঘটনায় ফেরির ১০ জন যাত্রী নিহত হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া দুই যাত্রীসহ বাকি ১০২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

নৌ বাহিনীর বিবৃতিতে আরো জানানো হয়েছে, ‘গতকাল বুধবার আনুমানিক বিকেল ৪টার দিকে নৌবাহিনীর স্পিডবোটের ইঞ্জিন পরীক্ষা চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুম্বাইয়ের কারঞ্জার কাছে নীল কমল নামের একটি যাত্রীবাহী ফেরির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ফেরিটি গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া থেকে এলিফ্যান্টা দ্বীপে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল।’

দুর্ঘটনার দুই ঘন্টা পর ফেরির সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষের ভিডিও প্রকাশ্যে আসে।

এই দুর্ঘটনায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

এদিকে একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতীয় নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ১১টি নৌ বাহিনীর নৌকা, মেরিন পুলিশের তিনটি নৌকা এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি নৌকা দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে।

এছাড়া চারটি হেলিকপ্টার, পুলিশ কর্মী, জওহরলাল নেহরু বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মীরা এবং এলাকার জেলেরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।

 

মুম্বাইয়ের উপকূলে ভারতীয় নৌ বাহিনীর স্পিডবোটের সঙ্গে ফেরির সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিঙ্কেন বুধবার সিরিয়ার বিজয়ী এইচটিএস বিদ্রোহীদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের প্রতিশ্রুতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দলটি আফগানিস্তানে তালেবানদের বিচ্ছিন্নতা থেকে শিক্ষা নিতে পারে।

নিউইয়র্ক থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

মূল আল-কায়েদা থেকে আসা এবং তুরস্ক সমর্থিত ইসলামপন্থী দলটি এই মাসে ঝটিকা আক্রমণের মাধ্যমে কয়েক বছরের অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শক্তিশালী নেতা বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকে সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

নিউ ইয়র্কে ফরেন রিলেশনস কাউন্সিলে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘তালেবানরা আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার জন্য আরও মধ্যপন্থী চেহারা দেখিয়েছিল বা অন্তত চেষ্টা করেছিল। অথচ তারপরেই তার আসল রঙ বেরিয়ে আসে। এর ফলস্বরূপ তারা বিশ্বজুড়ে ভয়ঙ্করভাবে বিচ্ছিন্ন রয়ে গেছে।’

পশ্চিমের দিক থেকে সরে যাওয়ার কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপের পর, তালেবান কঠোর ইসলামিক আইন পুনর্বহাল করে, যার মধ্যে রয়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নারী ও মেয়েদের নিষিদ্ধ করা।

ব্লিঙ্কেন বলেন,”সুতরাং আপনি যদি সিরিয়ার উদীয়মান গোষ্ঠী হন, আপনি যদি সেই বিচ্ছিন্নতা না চান,তবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে কিছু জিনিস করতে হবে।”
একটি “অ-সাম্প্রদায়িক” সিরীয় সরকারের আহ্বান জানিয়ে ব্লিঙ্কেন বলেন, যা সংখ্যালঘুদের রক্ষা এবং ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া এবং দীর্ঘায়িত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ অপসারণসহ নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান করবে।

তিনি বলেন, এইচটিএস আসাদের কাছ থেকে অন্যান্য গোষ্ঠীর সাথে রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও শিক্ষা নিতে পারে।

ব্লিঙ্কেন বলেন, “কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত হতে আসাদের সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি ছিল তার পতনের মূল কারণ।”

 

সিরিয়ার এইচটিএস’কে তালেবান বিচ্ছিন্নতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের ভয়াবহ গণহত্যা ও অপরাধযজ্ঞ ঠেকাতে আন্তর্জাতিক সমাজের ব্যর্থতায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি। তিনি বলেছেন, বিশ্বমোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গণহত্যা বন্ধ করতে ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে তেল আবিবকে সর্বাত্মক সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বুধবার কায়রোয় ডি-এইটভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ২১তম সম্মেলনে দেয়া বক্তৃতায় এ মন্তব্য করেন।

আরাকচি বলেন, “আন্তর্জাতিক সমাজ গাজায় ভয়াবহ আগ্রাসন, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যা বন্ধ করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।” ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই ব্যর্থতার পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে তেল আবিবের প্রতি ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতা।”

আজ (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠেয় ডি-এইট শীর্ষ সম্মেলনের প্রতি ইঙ্গিত করে আরাকচি আশা প্রকাশ করেন যে, শীর্ষ সম্মেলন থেকে গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় আগ্রাসন বন্ধ করতে ইসরাইলকে কঠোর বার্তা দেয়া সম্ভব হবে।

আজ আরো পরে মিশরের রাজধানী কায়রোয় উন্নয়নশীল আট দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা ডি-এইটের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ডি-এইটের সদস্য দেশগুলো হচ্ছে, ইরান, বাংলাদেশ, তুরস্ক, মিশর, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও নাইজেরিয়া।

সম্মেলনে অংশ নিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বুধবার রাতে কায়রো পৌঁছেছেন। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূস ডি-এইট সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন বলে ঢাকা থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে।

গাজায় গণহত্যা ঠেকাতে আন্তর্জাতিক ব্যর্থতায় ডি-৮ সম্মেলনে ইরানের দুঃখ প্রকাশ