27 Feb 2025, 07:06 pm

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের আগ্রাসন থামানোর বিষয়টি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রধান অগ্রাধিকার হতে হবে।

মিশরের রাজধানী কায়রোয় গতকাল (বৃহস্পতিবার) উন্নয়নশীল দেশগুলোর সংগঠন ডি-এইটের শীর্ষ সম্মেলনের অবকাশে অনুষ্ঠিত আলাদা একটি বৈঠকে একথা বলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি সময়ে আজ এখানে মিলিত হয়েছি যখন মধ্যপ্রাচ্য স্পর্শকাতর, জটিল এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে সময় পার করছে।

তিনি বলেন, “আমরা যখন গাজা আগ্রাসনের ১৪ মাস পার করতে যাচ্ছি তখন আমরা দেখছি ইহুদিবাদী ইসরাইল লাগাতার বর্বরতা চালাচ্ছে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে মানব-ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মান্তিক অপরাধযজ্ঞ চলছে। সর্বোপরি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইহুদিবাদী ইসরাইল লেবানন এবং সিরিয়ায় বর্বর আক্রমণ চালিয়েছে।”

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, ইহুদিবাদি ইসরাইল গত এক বছরে ফিলিস্তিনি জনগণের শুধুমাত্র স্বাধীনতা, আত্ম-নিয়ন্ত্রণাধিকার, নিরাপত্তা, কল্যাণ ও শিক্ষার মতো অধিকার কেড়ে নেয়নি বরং তারা তাদের জীবনের অধিকার, খাদ্য, পানি, আশ্রয় এমনকি পরিবারের সদস্যদের ভাগ্যে কি হয়েছে তা জানার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। ইসরাইলের ভয়াবহ বর্বরতার শিকার ফিলিস্তিনের বেশিরভাগ নারী ও শিশু। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে এই মানবতা-বিরোধী অপরাধ এবং অমানবিক পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য সারা বিশ্ব ইসরাইলকে নিন্দা জানাচ্ছে।

ইরানি প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, ইসরাইলের বর্বরতা এবং ব্যাপকভিত্তিক আগ্রাসন থামানোর জন্য অবশ্যই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা এবং সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এর প্রথম পদক্ষেপে ইহুদিবাদী ইসরাইলের ওপর গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে হবে এবং লেবানন ও ইসরাইলে যাতে হামলা না করতে পারে তার জন্য তাকে বাধ্য করতে হবে। এই বিষয়গুলো ডি-এইটভুক্ত দেশগুলোর কাছে নৈতিকভাবে অবশ্যই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে হবে।

একই সাথে তিনি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে দখলদার সেনা প্রত্যাহারের জোরালো আহ্বান জানান। গাজা থেকে শরণার্থী হয়ে যাওয়া লোকজনদের ঘরবাড়িতে ফিরে আসার ব্যবস্থা করার কথাও বলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান।

ইসরাইলকে ঠেকানো অবশ্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হতে হবে : ইরানের প্রেসিডেন্ট

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  ১৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান ও ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের সংশ্লিষ্ট এসব ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইরান এবং হুতিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তালিকায় একাধিক ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান ও জাহাজ রয়েছে।

ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, ইরানের পেট্রোলিয়াম এবং পেট্রোকেমিক্যালের বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত তিনটি জাহাজে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এসব জাহাজের মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করে দেশটি। এ ছাড়া তারা তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সমর্থন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন এবং হিজবুল্লাহ, হামাস ও হুতিদের সহায়তা দিয়ে আসছে।

মার্কিন ভারপ্রাপ্ত আন্ডার সেক্রেটারি ফর টেররিজম অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেনস ব্রেডলি স্মিথ জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থায়নকারী মূল রাজস্ব উৎসগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইরান এসব কর্মকাণ্ডের জন্য জাহাজ, বিভিন্ন কোম্পানি এবং সহায়তাকারীদের একটি নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে।

অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তাদের পারমাণবিক প্রকল্প মূলত শান্তিপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের জন্য।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা জাহাজগুলো হলো জিবুতির পতাকাবাহী ক্রুড অয়েল ট্যাংকার এমএস এনোলা, সান ম্যারিনোর পতাকাবাহী এমএস এনজিয়া ও পানামার পাতাকাবাহী এমএস মেলেনিয়া। নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাদের সকল সম্পত্তি জব্দ করা হবে। এ ছাড়া তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হবে।

ট্রেজারি বিভাগ আরও জানিয়েছে, হুতিদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে ১২ ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এসব ব্যক্তির মধ্যে অন্যতম হলেন হাসিম আলি আহমদ আল মাদানি। তিনি হুতিদের সংশ্লিষ্ট সানার সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রধান। তার বিরুদ্ধে হুতিদের জন্য ইরান থেকে বেআইনিভাবে তেল পাচার, অস্ত্র পাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ করা হয়েছে।

 

১৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বৃহস্পতিবার গাজা উপত্যকায় পানির অবকাঠামো ধ্বংস ও বেসামরিক লোকদের সরবরাহ লাইন বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে গণহত্যামূলক কার্যকলাপের জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে।

জেরুজালেম থেকে এএফপি জানায়, বিশেষভাবে পানি সমস্যার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে নিউইয়র্ক-ভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থা তাদের নতুন প্রতিবেদনে বিশদভাবে ব্যাখ্যা করে বলেছে যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড গাজাবাসীকে পানি থেকে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ইচ্ছাকৃত একটি পদ্ধতিগত প্রচেষ্টা, যা সম্ভবত হাজার হাজার মানুষের মৃতুর কারণ এবং ভবিষ্যতেও আরো মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজা উপত্যকায় বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত পানি পেতে ফিলিস্তিনিদের ইচ্ছাকৃতভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে।’ রিপোটে বলা হয়, এ ছাড়া সোলার প্যানেল পাওয়ারিং ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট,  জলাধার ও  খুচরা যন্ত্রাংশের গুদাম ও সেইসাথে জেনারেটর চালাতে ব্যবহার্য জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করাসহ পানি ও স্যানিটেশন অবকাঠামোর ইচ্ছাকৃত ক্ষতিসাধন করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েল বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ , মেরামত কর্মীদের ওপর হামলা এবং মেরামত সামগ্রী আমদানিও বাধাগ্রস্ত করেছে।

প্রতিবেদনে উপসংহারে বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে গাজার ফিলিস্তিনি জনসংখ্যার অস্তিত্ব আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংসের প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে ইসরায়েল গাজায় তাদের ইচ্ছাকৃত ধ্বংসযজ্ঞের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। অবরুদ্ধ অঞ্চলে সহায়তা পৌঁছানোর সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছে।

প্রায় এক বছর ধরে তৈরি করা এইচআরডব্লিউ প্রতিবেদনটি কয়েক ডজন গাজাবাসী, পানি ও স্যানিটেশন কর্মী, চিকিৎসক এবং সাহায্য কর্মীদের সাথে সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি স্যাটেলাইট চিত্র, ছবি, ভিডিও এবং ডেটা বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। এটি বলেছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তথ্যের জন্য অনুরোধ জানালে তার জবাব দেয়নি।

এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, পানির অভাব ও পানিবাহিত রোগ গাজাবাসীর জনজীবনকে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। অধিকার গোষ্ঠীটি ইসরায়েলকে গাজায় পর্যাপ্ত পানি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ অবিলম্বে নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গাজায় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম সৃষ্ট গণহত্যা প্রতিরোধে সব ধরনের ব্যবস্থা  নেওয়াসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এর মধ্যে  সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র বিক্রি বা স্থানান্তর বন্ধ, লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পর্যালোচনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

গাজায় পানি অবকাঠামো ধ্বংসে ইসরায়েরের প্রচেষ্টার প্রতি নিষেধাজ্ঞা চায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  বেতন বৃদ্ধি, উন্নত কর্মপরিবেশ ও ট্রেড ইউনিয়ন গঠনসহ নানা দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছে অ্যামাজনের কর্মীরা।

আশানুরুরপ সাড়া না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার কর্মীরা বড়দিনের কয়েক দিন আগে সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করতে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের অ্যামাজন কর্মীরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

এএফপি এই খবর জানায়। তাদের ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অ্যামাজন কর্মীদের এটা সবচেয়ে বৃহত্তম ধর্মঘট।

টিমস্টার ইউনিয়নের পক্ষ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। সেখানে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে নিউইয়র্ক, আটলান্টা ও সান ফ্রান্সিসকোসহ শহরগুলোতে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড়’ ধর্মঘটে যুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চারপাশে অবস্থিত সাতটি অ্যামাজন রয়েছে। পিকেটে থাকা কর্মীদের মধ্যে রয়েছে অ্যামাজন কর্মচারী যারা টিমস্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে যুক্ত এবং ট্রাকার যারা প্যাকেজগুলো ভিতরে এবং বাইরে পরিবহন করে থাকে ।

নিউ ইয়র্কের টিমস্টার লোকাল ৮০৪-এর কোষাধ্যক্ষ টনি রোসিগ্লিওন বলেছেন, নিউইয়র্কের অ্যামাজন ডিবিকে ৪ গুদাম বৃহস্পতিবার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে, তবে পিকেটগুলো বাইরে ডেলিভারি কমিয়ে দিয়েছে ।

রোসিগিওন এক ফোন সাক্ষাৎকারে এএফপি’কে বলেছেন, কুইন্সে পিকেট লাইনে ইউনিয়ন সমর্থকসহ প্রায় ৩শ’ জন লোক ছিল, যেখানে ইউনিয়ন টিমস্টারদের সাথে যোগ দিতে আগ্রহী অতিরিক্ত অ্যামাজন কর্মীদের সাইন আপ করেছিল ।

ইউনিয়ন এক বিবৃতিতে বলেছে নিউইয়র্কের পাশাপাশি, শ্রমিকরা আটলান্টা, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকো এবং ইলিনয়ে পিকেটিং করবে, অন্যান্য আমাজন টিমস্টারদের সাথে তাদের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

টিমস্টার বস শন ও’ব্রায়েন ফক্স নিউজকে বলেছেন কর্মীদের জন্য মূল অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে বেতন বৃদ্ধি, উন্নত কর্মপরিবেশ এবং কাজের-নিরাপত্তার মান বজায় রাখা।
নর্থ আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম ইউনিয়নগুলোর মধ্যে টিমস্টার্স অন্যতম। এতে অ্যামাজনের প্রায় ১০ হাজার কর্মী যুক্ত রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

 

বেতন বৃদ্ধি ও উন্নত কর্মপরিবেশের দাবীতে অ্যামাজনের হাজার হাজার কর্মী ধর্মঘটে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মুম্বাইয়ের উপকূলে ভারতীয় নৌ বাহিনীর একটি স্পিডবোটের সঙ্গে যাত্রীবাহী একটি ফেরির সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছে। নৌ বাহিনী জানিয়েছে, স্পিডবোটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে যাত্রীবাহী একটি ফেরির সঙ্গে প্রচন্ড বেগে সংঘর্ষ হয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতের সরকারি বার্তা সংস্থা ‘এএনআই’ আজ এই খবর জানিয়েছে।

নৌ বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা এবং সরঞ্জাম প্রস্তুতকারকের দুই ব্যক্তিসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

ফেরি থেকে দুর্ঘটনার একটি ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। ফেরিতে ১১০ জন যাত্রী ছিলেন। স্পিডবোটে ছিলেন ৫ জন।

দুর্ঘটনায় ফেরির ১০ জন যাত্রী নিহত হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া দুই যাত্রীসহ বাকি ১০২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

নৌ বাহিনীর বিবৃতিতে আরো জানানো হয়েছে, ‘গতকাল বুধবার আনুমানিক বিকেল ৪টার দিকে নৌবাহিনীর স্পিডবোটের ইঞ্জিন পরীক্ষা চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুম্বাইয়ের কারঞ্জার কাছে নীল কমল নামের একটি যাত্রীবাহী ফেরির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ফেরিটি গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া থেকে এলিফ্যান্টা দ্বীপে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল।’

দুর্ঘটনার দুই ঘন্টা পর ফেরির সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষের ভিডিও প্রকাশ্যে আসে।

এই দুর্ঘটনায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

এদিকে একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতীয় নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ১১টি নৌ বাহিনীর নৌকা, মেরিন পুলিশের তিনটি নৌকা এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি নৌকা দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে।

এছাড়া চারটি হেলিকপ্টার, পুলিশ কর্মী, জওহরলাল নেহরু বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মীরা এবং এলাকার জেলেরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।

 

মুম্বাইয়ের উপকূলে ভারতীয় নৌ বাহিনীর স্পিডবোটের সঙ্গে ফেরির সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত