28 Feb 2025, 10:39 am

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক কলম্বিয়ার সবচেয়ে বড় মাদক পাচারকারী দলের চার সন্দেহভাজন সদস্য তাদের ঘাঁটিতে বিমান হামলায় নিহত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো সোমবার এ ঘোষণা  দেন। প্রেসিডেন্টের উদ্ধৃতি দিয়ে এএফপি এ খবর জানায়।

কলম্বিয়ার বামপন্থী প্রেসিডেন্টের অধীনে দেশটির উত্তর-পশ্চিমে উপসাগরীয় গোষ্ঠীটির উপর বোমা হামলা এটাই প্রথম।

সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক এক্স-এ এক লেখায় পেট্রো বলেন, অ্যান্টিওকিয়া বিভাগে অভিযানে পাচারকারী দলের সদস্যদের চার জন নিহত এবং আটটি রাইফেল জব্দ করা হয়েছে।

পেট্রো নিশ্চিত করেছেন, যে হেলিকপ্টার থেকে নামার সময় দুর্ঘটনাক্রমে চার সেনা নিহত হয়েছে।

তিনি বলেন, বোমা হামলা এই অঞ্চলে উপসাগরীয় পাচারকারী গোষ্ঠীর বাহিনী গড়ে তোলার প্রচেষ্টা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত” করেছে।

কলম্বিয়ার সেনাবাহিনী ডানপন্থী সরকারের অধীনে মার্কসবাদী এফএআরসি আন্দোলনসহ বামপন্থী গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালায়, যারা ২০১৬ সালে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির পরে অস্ত্র  জমা দেয়।

অ্যান্টিওকিয়া হল উপসাগরীয় গোষ্ঠীর অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি, যা একটি বিশাল মাদক পাচার, মানব পাচার এবং অবৈধ সোনার খনির সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করে।

গ্রুপের নেতা, দাইরো আন্তোনিও উসুগা, ২০২২ সালের অক্টোবরে বন্দী হন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়, যেখানে কোকেন চোরাচালানের জন্য সে ৪৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিল।

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে পেট্রো।

২০২৩ সালের গোড়ার দিকে, তিনি উপসাগরীয় গোষ্ঠীর সাথে একতরফা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছিলেন কিন্তু এটি দ্রুত ভেঙে পড়ে।

 

 

কলম্বিয়ায় মাদক পাচারকারী দলের উপর বিমান হামলায় ৪ জন নিহত

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক সিরিয়া পরিস্থিতির বিষয়ে মিশরের কয়েকজন বিশ্লেষকের অভিমত হলো, সেখানকার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগবে।

সিরিয়ার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে মিশরের বিশিষ্ট বিশ্লেষক কারাম ইয়াহিয়া বলেছেন, সিরিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যারা সরকারের পতন ঘটিয়েছে এবার তারাই নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু করতে পারে।

মিশরের আরেক বিশ্লেষক জাহদি আশ শামি সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি দিকে ইঙ্গিত বলে বলেছেন, এটা ঠিক আসাদ সরকারের পতন হয়েছে, কিন্তু জাবহাতুন নুসরার মতো সংগঠনের উপস্থিতিতে কি সিরিয়ায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব? জাবহাতুন নুসরা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর তালিকাভুক্ত একটি সংগঠন।

তিনি আরও বলেছেন- সিরিয়ার রাজনীতি যদি গণতন্ত্রের দিকে না এগোয় তাহলে দেশটি সাম্প্রদায়িক সংঘাতের বেড়াজালে আটকে যাবে। সিরিয়ার অখণ্ডতা বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং লিবিয়ার চেয়েও বেশি খারাপ অবস্থা তৈরি হতে পারে।

২৭ নভেম্বর সিরিয়ার বিভিন্ন সরকারবিরোধী সংগঠন এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো কিছু দেশের সমর্থনে উত্তরাঞ্চলীয় ইদলিব থেকে বিভিন্ন এলাকায় হামলা শুরু করে, এরই ধারাবাহিকতায় গত রোববার আসাদ সরকারের পতন ঘটে।

সিরিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এখন নিজেরাই সংঘর্ষ শুরু করতে পারে : মিশরের বিশ্লেষক