28 Feb 2025, 11:19 pm

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : প্রথম আলোর সাংবাদিক গ্রেফতারের বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশ ও সংস্থা বিবৃতি দিচ্ছে। তবে সেগুলো আমলে নিচ্ছে না সরকার। এ ধরনের মন্তব্য বা বিবৃতি সরকারের জন্য বাধার কারণ নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) স্থানীয় এক হোটেলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমাদের সুরক্ষার জায়গাটি কোথায়? বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, ৩০ লাখ শহীদের আত্মদান, এটি এত ঠুনকো নয়….। আমাদের সবার দায়িত্ববান হওয়ার প্রয়োজন আছে এবং যেটাই হোক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশকে শক্ত হাতে সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে সামনের দিনগুলোতে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। এ ধরনের মন্তব্য, বিবৃতি বা অন্য কোনও কিছু– এগুলো কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি এবং হবেও না।’

সবারই একটি চ্যালেঞ্জ আছে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গেলে, এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যে দেশগুলো বিবৃতি দেয়, সেখানে আইন করা হয়েছে যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে একটি গাড়ির পথরোধ করে দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হলে সাত বছরের জেল হবে। সে দেশেও আইন পরিবর্তনের জন্য মানুষ রাস্তায় নামছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিবৃতি দেখিনি। এটির টেকনিক্যাল বিষয়টি দেখার দায়িত্ব তথ্য মন্ত্রণালয়ের। আর আইনগত বিষয়টি দেখার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। কিন্তু বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ১৪ বছরে বাংলাদেশের যে অর্জন, শুধু অর্থনীতিতেই নয়, দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও আমাদের যে অর্জন– পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে সেটি নেই। সে জায়গা থেকে বলতে চাই, এ ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশের ভাবমূর্তিতে ন্যূনতম আঁচড়ও পড়বে না।’

সাংবাদিক নির্যাতন নিয়ে বিদেশি বিবৃতি ‘আমলে’ নিচ্ছে না সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ঈদে নৌ-যানের ভাড়া না বাড়ানোসহ নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে ঈদ যাত্রার প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে একথা জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, যতোই সমালোচনা হোক না কেন পদ্মাসেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। ঈদের আগে ও পরের ৩ দিন পচনশীল পণ্য ছাড়া ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

ঈদের সময় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি আবহাওয়া অধিদপ্তরের নির্দেশনা মানার আহবান জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

পদ্মাসেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না : নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—জানতে চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরকে তাগিদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়েছে। এতে চিঠি পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ইসিকে অবহিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত ২০ ডিসেম্বর নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছিল ইসি। জড়িত ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ-সম্বলিত ডাকযোগে পাঠানো চিঠিতে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি ইসিতে অবহিত করতে এক মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। ব্যবস্থা নিয়ে কমিশনকে না জানালে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে ইসির বেঁধে দেওয়া সময় দুই মাস আগে পার হলেও ইসিকে এখনও অবহিত করা হয়নি। যার কারণে বৃহস্পতিবার নতুন করে ১৫ দিনের সময় দিয়ে আবারও তাগিদ দিয়েছে।

এর আগে ২৮ মার্চ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ কর্তৃপক্ষ অ্যাকশন নিচ্ছে এমন ৪০টির মতো জবাব পেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। সিইসি বলেন, আমরা যখন চিঠি লিখি, ডিপার্টমেন্টের কিছু রুলস মেনে চলতে হয়। হয়তো ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং প্রসিডিংসটা চলছে। অনেকের কাছ থেকে আমরা জবাব পাইনি। আমরা দ্বিতীয়বার চিঠি দেবো। এরপর আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানাবো দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অথবা অন্য কোনও বিকল্প ব্যবস্থা আমাদের আছে কিনা, এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে ওদেরকে জ্ঞাত করবো।

ওইদিন ৪০টির মতো জবাব পাওয়ার বিষয় সিইসি দাবি করলেও বৃহস্পতিবার পাঠানো তাগিদ পত্রে সে সংক্রান্ত কোনও তথ্য নেই। বরং ব্যবস্থা নেওয়া সংক্রান্ত কোনও চিঠি তারা  এখনও পায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ  বলেন, গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি জানতে বৃহস্পতিবার তাগাদা পত্র দেওয়া হয়েছে। তাদের ১৫ দিনের মধ্যে এটা জানাতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, ইসি থেকে পাঠানো তাগিদ পত্রে গাইবান্ধা-৫ আসনের নির্বাচনে কর্তব্যরত দায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দায়িত্বপালনে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন ও চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে পত্রপ্রাপ্তির ১ মাসের মধ্যে গৃহীত কার্যধারা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার জন্য গত ২০ ডিসেম্বর চিঠি দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হতে অদ্যাবধি উল্লিখিত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বা গৃহীত কার্যধারা সংক্রান্ত পত্র পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায়, পত্রপ্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে দায়ী ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক গৃহীত কার্যধারা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে পুনঃ অনুরোধ করা হলো।

ইসিকে বিষয়টি অবহিত না করা হলে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হলে বলে উল্লেখ করা হয়।

গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে ইভিএমে ভোটগ্রহণের মধ্যে সিসি ক্যামেরায় পুরো আসনের এক-তৃতীয়াংশ কেন্দ্রে অনিয়মের দৃশ্য দেখে মাঝপথে ঢাকা থেকে নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দেয় ইসি। বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের ইতিহাসে অনিয়মের কারণে কোনও সংসদীয় আসনের নির্বাচন বন্ধ করার ঘটনা এটাই প্রথম। পরে ঘটনাটি তদন্ত করে নির্বাচনে দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মে সম্পৃক্ততার কারণে রিটার্নিং অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশের উপ-পরিদর্শক, নির্বাহী হাকিমসহ ১৩৪ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাচনি এজেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

গাইবান্ধার ভোটে অনিয়মে জড়িতদের শাস্তির তথ্য জানাতে ইসির তাগিদ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রমজান এবং ঈদ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ দমনে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। একই সঙ্গে তিনি ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফিটনেসবিহী যানবাহনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।

বৃহস্পতিবার পুলিশ সদরদপ্তরে মাসিক অপরাধ (ফেব্রুয়ারি) পর্যালোচনা ও সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।

আইজিপি বলেন, রমজান এবং ঈদ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে মাঠ পর্যায়ে জোরালো কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টিসহ অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে নজরদারি বাড়াতে হবে।’

সভায় অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. আতিকুল ইসলাম ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি যেমন- ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি, সিঁধেল চুরি, খুন, অপমৃত্যু, সড়ক দুর্ঘটনা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র উদ্ধার ইত্যাদি মামলা সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক, র‍্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলামসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তারা।

আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কেউ যেন ধর্মীয় উসকানি দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য পুলিশের মনিটরিং জোরদার করতে হবে। এ কাজে বিট অফিসারদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে। যাতে তারা নিজ নিজ এলাকার প্রতিটি ঘটনা সম্পর্কে অবহিত থাকে। কোথাও কোনো ধরনের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

আইজিপি ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখ মানুষের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। বলেন, ফিটনেসবিহীন বাস-লঞ্চের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

পুলিশপ্রধান বলেন, ‘বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে নিয়মিতভাবে গানচেকিং করতে হবে। তিনি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আরও বেশি তৎপর হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন।’ আইজিপি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউনিট প্রধানদের নির্দেশ দেন।

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বেড়েছে। জনগণ জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ কল করে প্রতিনিয়ত পুলিশের সেবা পাচ্ছেন। তিনি জনগণকে আরো উন্নত সেবা প্রদানের জন্য সচেষ্ট থাকতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান।

ঈদ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও ছিনতাই দমনে আইজিপির নির্দেশ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ‘মহান স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে দৈনিক প্রথম আলোর মিথ্যাচার এবং ষড়যন্ত্রর প্রতিবাদে’ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুব মহিলা লীগ।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমান্ডিস্থ রাসেল স্কয়ারের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়–য়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তারানা হালিম ও মোহাম্মদ এ আরাফাত, যুব মহিলা লীগের সভাপতি ডেইজী সারোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি বক্তব্য রাখেন।
স্বাধীনতা দিবসে প্রথম আলোর সমালোচিত সংবাদ শিরোনাম ও ছবিকে ‘দুরভিসন্ধিমুলক, ও তথ্য ষড়যন্ত্র’ অভিহিত করে বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘আমাদের আজকের অবস্থান হচ্ছে এই ধরনের দুরভিসন্ধি ও ষড়যন্ত্রমুলক তথ্য ষড়যন্ত্র করে যারা জাতিকে উস্কে দিতে চায় তাদের বিরুদ্ধে।’
তিনি বলেন, এই দিবস এমনি আসেনি। ৩০ লাখ মানুষ রক্ত দিয়েছে, ২ লক্ষ্য মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছে, ১ কোটি লোক ঘরবাড়ি ছাড়া হয়েছে। তিনকোটি মানুষ গৃহহীন ছিলো।’

 

প্রথম আলোর মিথ্যাচার এবং ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে যুব মহিলা লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রাজধানীর রমনা মডেল থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়েছে তাকে। এসময় তাকে রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়।

এ মামলায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আবু আনছার। অপরদিকে মামলায় জামিন চেয়ে তার আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে বুধবার রাত ১১টার দিকে অ্যাডভোকেট আবদুল মশিউর মালেক নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, পত্রিকাটির সাভারের নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামস, সহযোগী একজন ক্যামেরাম্যান এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

তবে রাজধানীর তেজগাঁও থানার মামলায় এ পর্যন্ত কোনো আবেদন জমা হয়নি। বুধবার সৈয়দ মো. গোলাম কিবরিয়া (৩৬) নামে এক যুবলীগ নেতা বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন।

প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৩৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশ সেখানে ২২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে।
ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখ্যাণ অনুসারে ২০২২ সালে সারা পৃথিবী থেকে ইইউ’র পোশাক আমদানি বেড়েছে ২০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। প্রধানতম রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সেখানে সর্বোচ্চ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জণে সক্ষম হয়েছে।
এ বিষযে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বাসস’কে বলেন, সামগ্রিকভাবে ২০২২ সালে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশ ভাল ছিল। কিন্তু ওই বছরের প্রথম ৬ মাস (জানুয়ারি-জুন) যেভাবে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা গেছে, পরবর্তী ৬ মাসে তা অনেকটাই কমে এসেছে। এর মূল কারণ প্রথম ৬ মাস ছিলো কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়। যার ফলে ক্রেতারা বেশি করে তখন পোশাক কিনেছে। এছাড়া চীনে লকডাউন থাকায় তখন আমরা ভাল করেছি। তিনি বলেন, পরবর্তী ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এবং ইউরোপে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় পোশাকের চাহিদা কমতে শুরু করে। যার প্রভাব আমাদের রপ্তানিতেও পড়েছে। এছাড়া উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় উদ্যোক্তারা এখন ইইউতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে রয়েছে বলে তিনি জানান।
ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখ্যাণ অনুসারে শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে রপ্তানি বেড়েছে ১৭.১ শতাংশ। ২০২২ সালে চীন থেকে ইইউ’র আমদানি ছিল ৩০ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার। ইইউ’র তৃতীয় বৃহত্তম পোশাক আমদানির উৎস তুরস্ক থেকে পোশাক আমদানি ১০.০৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আমদানি ১১ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ভারত ও ভিয়েতনাম থেকে ইইউর আমদানি যথাক্রমে ২১.০২ এবং ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩৫.৬৯ শতাংশ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ তিন জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর রমনা থানায়  মামলা হয়েছে।
মামলায় মতিউর রহমান ছাড়াও প্রথম আলোর সাভারের নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামস ও তার ক্যামেরাম্যানকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
বুধবার দিবাগত রাতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল মালেক ওরফে মশিউর মালেক বাদি হয়ে এ মামলা করেন।
আজ বৃহস্পতিবার ডিএমপি রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসান জানিয়েছেন, রমনা থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আবু আনছারকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
আইনজীবী আবদুল মালেক সাংবাদিকদের জানান, ‘প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, সাভারের নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক শামসুজ্জামান ও ক্যামেরাম্যানের বিরুদ্ধে আমি বাদি হয়ে একটি এজাহার করেছি।’
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, বুধবার  দিবাগত  রাত ১১টা ১০ মিনিটে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যবহার করে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তরা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫, ৩১ ও ৩৫ ধারায় মামলাটি করা হয়।
এরআগে বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে স্বাধীনতা দিবসে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ এনে ঢাকার কল্যাণপুরের বাসিন্দা সৈয়দ মো. গোলাম কিবরিয়া বাদি হয়ে শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় স্বাধীনতা নিয়ে জনমনে ‘অস্থিতিশীল ও বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি’ তৈরি করার অভিযোগ আনা হয়।

 

প্রথম আলোর সম্পাদকসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে প্রণোদনার সার ও বীজ আটক করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার শিবগঞ্জ রেলগেইট এলাকা থেকে প্রণোদনার ২২ বস্তা সার ও ৭ বস্তা বীজ ধান আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

জানা যায়, উপজেলার ৬ হাজার কৃষকের মাঝে সরকারি প্রণোদনার সার ও আউশ বীজ বিতরণ কালে স্থানীয় কয়েকজন বিএডিসির খুচরা সার বিক্রেতা কৃষি উপকরণ গুলো কৃষকের হাতে না দিয়ে গুদামজাত করার লক্ষে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবিদুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ সার ও বীজ  জব্দ করে গুদামে নিয়ে আসে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ জানান, কৃষক পর্যায়ে ভর্তুকির সার ও বীজ ধান বিতরণ কালে একটি অসাধু চক্র কৃষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ২২ বস্তা সার ও ৭ বস্তা বীজ ধান আটক করা হয়।

প্রণোদনার অংশ হিসেবে প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ডিওপি ও ১০ কেজি এমওপি সার ও ৫ কেজি আউশ বীজ ধান বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়। কৃষকের সঙ্গে প্রতারণা করে খুচরা সার ডিলাররা বীজ ধান ও সার কম দামে কিনে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পৌরসভার বিএডিসির খুচরা ডিলার জসিম উদ্দিন, মশাখালী এলাকার রুকন উদ্দিন ও ধোপাঘাট এলাকার নুরুল আমিন এই তিন ডিলারের লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবিদুর রহমান বলেন, কৃষকের বীজ ও সার প্রতারণা করে নিয়ে যাওয়ার পথে এগুলো আটক করে গুদামজাত করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহে পাচার কালে সরকারী প্রণোদনার সার ও বীজ আটক

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : খুলনায় স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য মিলছে ১০০ টাকায় মুরগির কাটা মাংস ও ২০০ টাকায় গরুর মাংস (হাড়-চর্বি ছাড়া)। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য স্বল্প পরিসরে কেনার সুবিধার্থে এই উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা পাবলিক কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরা।

একইসঙ্গে স্বল্প আয়ের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সীমিত পরিসরে মাংস বিক্রি করতে বিক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছেন তারা। গত ২৬ মার্চ শুরু হওয়া এই কার্যক্রম চলবে রমজান মাসজুড়ে।

আয়োজকরা বলছেন, সীমিত আয়ের মানুষের জন্য লোকসানে মুরগি ও গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিদিন নগরীর বিভিন্ন স্থানে এই কার্যক্রম চলবে। এদিকে সীমিত পরিসরে মাংস কিনতে পেরে খুশি সাধারণ মানুষ।

বুধবার (২৯ মার্চ) নগরীর বয়রায় খুলনা পাবলিক কলেজের সামনে দেখা যায়, ৩০০ গ্রাম গরুর মাংস (হাড়-চর্বি ছাড়া) ২০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম মুরগির মাংস (গলা, পা, চামড়া, কলিজা ছাড়া সম্পূর্ণ প্রসেসিং করা) ১০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতি প্যাকেটে সারপ্রাইজ হিসেবে ২০-৩০ গ্রাম বেশি মাংস ছিল।

ক্রেতারা বলছেন, ৪০০ বা ৭০০ টাকা দিয়ে মাংস কিনে খাওয়া কষ্টের। সবকিছুর দাম বেড়েছে। যা আয় হয় তা দিয়ে তরিতরকারি, চাল, বিদ্যুৎ বিল, কাঠ, তেল কিনতে গেলে মাছ-মাংস কেনা সম্ভব হয় না। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেনা কষ্টকর। তবে এখানে যে কোনো পরিমাণে মাংস কেনা যাচ্ছে। ১০০ টাকায় মুরগির মাংস আর ২০০ টাকায় গরুর মাংস। সাধ্য অনুযায়ী কিনতে পারছি। এটি খুবই ভালো উদ্যোগ। বাজারের ব্যবসায়ীরাও এমন উদ্যোগ নিলে আমাদের জন্য উপকার হতো।

খুলনা পাবলিক কলেজের সাবেক ছাত্রদের সংগঠন এক্সকেপিসিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. আল মাসুম বিল্লাহ বলেন, ২০১৮ সাল থেকে আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম শুরু হয়। সাবেক ছাত্রদের অর্থায়নে আমাদের ফান্ডিং হয়। করোনাকালীন সময়ে অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ নানা কাজ করা হয়েছে। সামাজিক কাজগুলো আমরা করছি। এবার আমাদের ভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। সবকিছুর দাম বাড়তি, মাংস তো স্বল্প আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ১০০ গ্রাম, ২০০ গ্রাম করে মাংস বিক্রি হয়। ঢাকায় বেশকিছু লোকজন এমন কাজ করছে। খুলনার কোনো ব্যবসায়ী এই উদ্যোগ নেয়নি। তখন আমরা চিন্তা করলাম যে রোজার মাসে স্যাম্পল হিসেবে এই কাজটা করি। আমাদের দেখাদেখি ব্যবসায়ীরা যদি উদ্যোগী হয় তাহলে মানুষ সাধ্যমতো মাংস কিনে খেতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, ২৬ মার্চ প্রথম দিন আমাদের ১ হাজার ৩৮০ টাকার মতো ভর্তুকি গেছে। হাড়বিহীন গরুর মাংস ৮৫০ টাকা কেজি দরে কিনে আমরা ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। তারপরও ২০-৩০ গ্রাম বাড়তি দিয়েছি। আমরা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বিক্রি করছি না, মডেল হিসেবে এই প্রজেক্ট করছি। সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি শিক্ষকরাও সহযোগিতা করছেন।

খুলনা পাবলিক কলেজের সাবেক ছাত্র আব্দুল্লাহ আল তোহা বলেন, একটা মুরগি কিনতে গেলেই ৪০০ টাকা আর এক কেজি গরুর মাংসের দাম ৭০০ টাকা। সীমিত আয়ের লোকজন মাংস খাওয়া কমিয়ে দিয়েছে। এজন্য খুলনা পাবলিক কলেজের সাবেক ছাত্রদের সংগঠন এক্স কেপিসিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের উদ্যোগে ২৬ মার্চ থেকে সীমিত পরিসরে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ যাতে হাতের নাগালের মধ্যে মাংস পেতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত চার দিন সোনাডাঙ্গা আলীর ক্লাব মোড়, মুজগুন্নি ও খুলনা পাবলিক কলেজের সামনে এই মাংস বিক্রি করা হয়েছে। ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের মাংস বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের লোকসান হচ্ছে। বুধবার ৩ হাজার টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। এটা সাধারণ মানুষের জন্য আমাদের ভালোবাসা। সম্মান দেখিয়ে স্বল্প আয়ের ভাই-বোনেরা এখানে কিনতে আসছেন। সংগঠনের সদস্যরা নিজস্ব অর্থায়নে এই ভর্তুকি দিচ্ছেন। সংগঠনের সদস্য মাসুম, বাপ্পি, ফারহান, দোলন, সাগর, সাজ্জাদ, জাহিদ, নাহিদ, সালাউদ্দিনসহ অনেকেই কষ্ট করছেন। এই কার্যক্রমকে উৎসাহ দিতে খুলনা পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মোহাম্মদ শামীমুল আহসান শামীমসহ শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা পাবলিক কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী মাহামুদ কবীর দোলন বলেন, এই কাজে আমরা ভালো রেসপন্স পেয়েছি। প্রচারণা ছাড়াই মানুষ এসে এখান থেকে নিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। দিনমজুর, রিকশাচালক, ইজিবাইক চালক, ভাঙারি বিক্রেতা এমন স্বল্প আয়ের মানুষ কিনছেন। স্বল্প আয়ের মানুষ যাতে সীমিত পরিসরে কিনতে পারে এটাই আমাদের উদ্দেশ্য।

খুলনায় স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ১০০ টাকায় মুরগি ও ২০০ টাকায় গরুর মাংস

স্টাফ রিপোর্টার : এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ৩৪ জন ছাত্র-ছাত্রী জিপিএ -৫ পাওয়ার মধ্য দিয়ে ঝিনাইদহের  মহেশপুরের শীর্ষে স্থান দখল করে নিয়েছেন যাদবপুর কলেজ।

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় যাদবপুর কলেজ থেকে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় ১২৯ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে শতভাগ জিপিএ-৫ সহ ১২৮ ছাত্র-ছাত্রী পাস করেছে।

যাদবপুর কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, কলেজের সকল শিক্ষক-শিখিক্ষা আর অভিভাবকদের প্রচেষ্টার কারনেই আজ যাদবপুর কলেজের এ সুনাম অর্জন করতে পেরেছে।

তিনি আরো জানান, অমি প্রতিটা অভিভাবকে কাছে কৃতজ্ঞ।

মহেশপুরের নামি দামি ১০টি কলেজকে টপকিয়ে যাদবপুর কলেজ আজ শীর্ষে উঠল।

 

 

 

 

এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ঝিনাইদহের মহেশপুরের শীর্ষে যাদবপুর কলেজ