July 26, 2026, 12:33 pm
শিরোনামঃ
আধুনিক সেনাবাহিনী গড়তে মেধা ও শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান করলেন প্রধানমন্ত্রী সাবেক রাষ্ট্রপতি লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন এমন তথ্য নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি ; স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ ইসি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে পুশইন চেষ্টার ১৪ ঘণ্টা পর ৬ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ চট্টগ্রামে নালা থেকে ১,৩২০টি গুলি উদ্ধার ব্রিটেনের স্বার্থে ট্রাম্পের সমালোচনা করতেও পিছুপা হব না : যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ইরানে হামলায় যুক্তরাজ্যের কোনো ঘাঁটি ব্যবহৃত হলে তা হবে বৈধ লক্ষ্যবস্তু : আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা চালালে যুদ্ধের পরিধি বাড়বে : ইরানের সেনাবাহিনী মাগুরার শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ
এইমাত্রপাওয়াঃ

আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উপস্থাপন ; বাংলাদেশের তীব্র প্রতিবাদ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ‘গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার’ মামলায় রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উপস্থাপনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রাথমিক আপত্তি তোলে বাংলাদেশ।

প্রতিবাদে ঢাকা বলেছে, ২০১৬-১৭ সালের জাতিগত নির্মূল অভিযানকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযান হিসেবে বৈধতা দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নিতে পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের জাতিগত পরিচয় বিকৃত করছে মিয়ানমার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে চিত্রায়নের মাধ্যমে মিয়ানমার তাদের ‘অবৈধ অভিবাসী’ ও ‘অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার হুমকি’ প্রমাণের চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে তথাকথিত ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ বা শুদ্ধি অভিযানকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ আড়াল করার সুপরিকল্পিত কৌশল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রোহিঙ্গারা একটি স্বতন্ত্র জাতিগত গোষ্ঠী, যারা ১৭৮৫ সালে বর্মণ রাজ্যের অংশ হওয়ার আগেই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আরাকানে বসবাস করে আসছে। ঐতিহাসিক দলিল, ঔপনিবেশিক নথি ও গবেষণায় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপস্থিতির অকাট্য প্রমাণ রয়েছে। ফলে তাদের বিদেশি বা সাম্প্রতিক অভিবাসী হিসেবে দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১৯৮২ সালের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন জারির আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং ২০১৫ সালের সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত ভোটাধিকার ভোগ করেছে। পরিকল্পিতভাবে ‘বাঙালি’ আখ্যা দেওয়ার উদ্দেশ্য তাদের পরিচয়ের অধিকার অস্বীকার করা এবং জাতিগত নিধনের প্রেক্ষাপট তৈরি করা। ভাষাগতভাবে চট্টগ্রামের সঙ্গে কিছু মিল থাকলেও সংস্কৃতি ও পরিচয়ের দিক থেকে রোহিঙ্গারা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র জাতিগোষ্ঠী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্মরণ করিয়ে দেয়, ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যাবাসন চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের ‘বার্মার আইনানুগ বাসিন্দা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। ২০১৭-১৮ সালে প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি দিলেও গত আট বছরে রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেনি মিয়ানমার।

এ ছাড়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি রাখাইনে আশ্রয় নিয়েছিল। মিয়ানমারের এ দাবিকে বানোয়াট ও প্রমাণহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।

 

আজকের বাংলা তারিখ

July ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jun    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page