September 8, 2026, 3:32 pm
শিরোনামঃ
অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ ইতিবাচক : সড়কমন্ত্রী মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সরকারি ভ্রমণ বিল নিয়ে নতুন নির্দেশনা নওগাঁয় বাড়ির সামনে স্বর্ণকারকে হত্যা করে স্বর্ণ ও টাকা ছিনতাই চট্টগ্রামে দুই শিশুর পেটের ভেতর মিলল ৬ হাজার ৬১৫ পিস ইয়াবা হুথিদের কবল থেকে রাজধানী সানা পুনরুদ্ধারের সিদ্ধান্ত ইয়েমেনের ফিলিস্তিনিদের তাৎক্ষণিক সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি আরব লীগের মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানকে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব রাশিয়ার মাগুরায় বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সংঘাত ও প্রতিশোধ নয় বরং সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে : রাষ্ট্রপতি
এইমাত্রপাওয়াঃ

কনকনে ঠাণ্ডায় কাবু মেহেরপুরের সাধারণ মানুষ ; তাপমাত্রা ৮:২ ডিগ্রি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :   গত তিন দিন ধরে মেহেরপুর জেলায় সূর্য দেখা না মিললেও তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছিলো। হঠাৎ আজ সকালে তাপমাত্রা নেমেছে ৮ ডিগ্রিতে। হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে চলছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। এতে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে জনজীবনে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ছয়টায় মেহেরপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের গড় আদ্রতা ছিলো ৯৬%। যা এবছরের মধ্যে মেহেরপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে মনে করা হচ্ছে।

মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় পড়তে শুরু করে। একই সাথে বেড়েছ শীতের তীব্রতা। ফলে আজ ভোর থেকে ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত হচ্ছে। সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।

সকালে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষগুলো শীত নিবারনে আগুনের উষ্ণতা নিচ্ছেন। সড়কের পাশে বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালানোর দৃশ্য চোখে পড়েছে। অন্যদিকে বাড়তি শীতের পোশাক নিয়ে চলাফেরা করছেন শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষেরা। ফসলে মাঠে ঠিকমত যেতে পারছেনা কৃষক।

গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে আজ বুধবার ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ জেলায় হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে চলছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। হাড় কাঁপানো শীতে শুধু জনজীবন নয়, জবুথবু হয়ে পড়েছে প্রাণীকূলও। কনকনে ঠাণ্ডায় বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। হিমেল হাওয়া আর হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না মানুষ। ছিন্নমূল মানুষের মাঝে নেমে এসেছে হাহাকার। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন তারা।

সদর উপজলোর বন্দর গ্রামে সবজি ক্ষেতে করা শ্রমিক শরিফুল ইসলাম বলেন, গেল তিনদিন সূর্যের দেখা মেলেনি। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত থেকে শুরু হয়েছে ঘন কুয়াশা। রাস্তায় কিছু দেখা যাচ্ছেনা। প্রচণ্ড শীতে কাজ করা খুব কষ্ট সাধ্য হয়ে গেছে। আর কাজ না করলে খাওয়া জুটবে না। তাই বাধ্য হয়ে জমিতে কাজ করছি।

বুড়িপোতা গ্রামের ভ্যানচালক আলমাস হোসেন বলেন, উত্তরের হীমেল হাওয়ায় ভ্যান চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে। তবুও পেটের তাগিদে ভ্যান নিয়ে বের হয়েছি। বাজারে সবজি নিয়ে এসেছি। বিক্রি হলেই চলে যাব আজ আর ঘর থেকে বের হবোনা।

মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবীর বলেন, এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে যেসব শীত বস্ত্র এসেছে সেগুলো বিতরণ করা হয়েছে। যেখানেই শীতার্ত মানুষের কষ্ট হচ্ছে সেখানেই উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা ছুটে যাচ্ছে। এছাড়া আরও শীত বস্ত্র চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। শুধু সরকারিভাবেই নয়, সমাজের বিত্তবানদের প্রতিও ছিন্নমূল অসহায় শীতার্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page