May 30, 2026, 11:14 am
শিরোনামঃ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছে বিএনপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন কুষ্টিয়ায় শিশুকে নদে ফেলে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের ফরিদপুরে সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৩০ চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অমরত্বের সন্ধানে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাশিয়া ইরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মির্জা ফখরুল
এইমাত্রপাওয়াঃ

কানাডার জাতীয় সংসদে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আইন পাস

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কানাডিয়ান হাউস অব কমন্স আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (আইএমএলডি) আইন (বিল এস-২১৪) পাস করেছে। এই বিলটি গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে কানাডা এখন প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সম্মানিত করবে।

কানাডায় বাংলাদেশ হাইকমিশন শুক্রবার বলেছে, বাংলাদেশি কানাডিয়ান এবং বিশ্বব্যাপী মাতৃভাষার প্রবক্তাদের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

অনুষ্ঠানে হাইকমিশন ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এবং পরে জাতিসংঘ কর্তৃক আইএমএলডি গৃহীত হওয়ার জন্য প্রয়াত রফিকুল ইসলাম, আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের স্বীকৃতি দেয়।

মিশন বলেছে, ‘কানাডার পার্লামেন্টে বিল এস-২১৪ পাস করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমিনুল ইসলামের অবদানকেও আমরা স্বীকৃতি দিই।’

বিলটির আলোচনা ও পাসের সময় হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশ থেকে কানাডা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

কেন হার্ডি এমপি বিলটি হাউসে উত্থাপন করেছিলেন এবং সিনেটর মবিনা এস জাফর, যিনি এর আগে কানাডিয়ান সিনেটে বিলটি পাসের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় এক দশক ধরে সংসদ সদস্য ও সিনেটরদের সঙ্গে বিল এস-২১৪ নিয়ে অটল থাকার জন্য বিশ্ব সমাজের মাতৃভাষা প্রেমী এবং এর সভাপতি আমিনুলের উদ্যোগ ও অবদানকে হাই কমিশন স্বীকৃতি দিয়েছে।

বাংলাদেশ মিশন বলেছে, ‘বিল এস-২১৪ গ্রহণ করা ভাষাগত বৈচিত্র্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি কানাডার প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে। বিলটি স্বীকৃতি দেয় যে ভাষা একজন ব্যক্তির পরিচয় এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অপরিহার্য দিক এবং ভাষাগত বৈচিত্র্যকে উদযাপন করা, প্রচার করা এবং সংরক্ষণ করা উচিত।’

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page