অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের রাজারখলায় দীর্ঘদিনের পাহাড়ি অনাবাদি জমিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে কৃষি বিভাগ।
পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ১০ হেক্টর পরিত্যক্ত পাহাড়ি জমিকে আবাদের আওতায় এনে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে, মিশ্র ফল বাগান ও বিভিন্ন অর্থকরী ফসলের চাষ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একসময় যেখানে ঝোপঝাড়ে ঢাকা অনাবাদি পাহাড়ি ভূমি পড়ে ছিল, সেখানে এখন সবুজের সমারোহ। বারোমাসি আম, কুল, ড্রাগন, ফল, জি-৯ জাতের কলা, তুলা, কফি, কাজুবাদাম, আনারসসহ নানা ধরনের ফসলের আবাদ করা হয়েছে। আধুনিক চাষপদ্ধতি ও নিয়মিত পরিচর্যার ফলে জমিগুলো এখন ফলন সম্ভাবনায় ভরপুর।
স্থানীয় কৃষক আবু তাহের ও ইমাম হোসেন জানান, আগে এসব জমি কোনো কাজে আসত না। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহায়তায় এখন নতুন নতুন ফসল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন তারা। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি কৃষকদের আর্থিক সচ্ছলতার পথও সুগম হচ্ছে।
রাজারখলা ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আহসানুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি জমির মাটির ধরন বিশ্লেষণ করে উপযোগী ফসল নির্বাচন করা হয়েছে। সঠিক সার ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক চাষপ্রণালী অনুসরণের ফলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই উদ্যোগ পাহাড়ি জমির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করবে।
সদর দক্ষিণ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জুনায়েদ কবীর খান জানান, এই প্রকল্পের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে আরও অনাবাদি জমিকে আবাদের আওতায় আনার পরিকল্পনারয়েছে।এর মাধ্যমে সদর দক্ষিণ উপজেলায় ফল ও অর্থকরী ফসল উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।