June 30, 2026, 3:45 pm
শিরোনামঃ
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড কালেমাসহ সাদা পতাকা টানানো বিদেশে বাংলাদেশের জন্য ভালো বার্তা দেয় না : তথ্য উপদেষ্টা গাইবান্ধায় স্ত্রীকে হত্যার পর পালাতে গিয়ে স্বামী আটক ফরিদপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর কাশবন থেকে শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার নেতানিয়াহুর জন্য যুদ্ধাস্ত্র কেনা উচিত হবে না : মার্কিন কংগ্রেসম্যান বিদেশিদের জন্য ভিসা ফি ৪০০% বাড়াচ্ছে জাপান যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের এমপিদের আসনে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

খাদ্যের অভাবে ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে গাজার নারী ও শিশুরা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের বিশেজ্ঞরা আনুষ্ঠানিক ভাবে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, বর্তমানে ‘দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ গাজায় বিকশিত হচ্ছে। পরিণতি এতাটাই ভয়াবহ যে, একবেলা খাবার পেলে পর পর কয়েকবেলা অবুক্ত অবস্থায় দিন কাটছে অনেক গাজাবাসীর।

মধ্য গাজার বাসিন্দা ৩৮ বছর বয়সী জামিল মুগারি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম রয়টার্সকে বলেন, আমার সব সন্তানের শরীরের ওজন প্রায় অর্ধেক কমে গেছে। আমার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ের ওজন এখন মাত্র ১১ কেজি। আমার ছেলে মোহাম্মদ কেবল চামড়া এবং হাড় হয়ে গেছে। আমার সব সন্তানের অবস্থা এমন। আমার নিজের ওজন আগে ৮৫ কেজি ছিল, এখন আমার বয়স ৫৫-এ নেমে এসেছে।

পরিবারের জন্য খাবার খুঁজে বের করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ধরে রাখতে জামিল লড়াই করছেন। তবে কতদিন এই লড়াই জারি রাখতে পারবেন দা নিয়ে অনিশ্চিত তিনি। তিনি বলেন, মাঝে মাঝে রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে আমার মাথা ঘোরে এবং আমি প্রায় পড়ে যাই। কিন্তু আমি নিজেকে সোজা থাকতে বাধ্য করি। আমি মাঝে মাঝে কাঁপুনি অনুভব করি।

ইসরায়েলের বিধিনিষেধের কারণে গাজায় এখন খাবার প্রায় অস্তিত্বহীন উল্লেখ করে জামিল বলেন, “আমরা এক বা দুই সপ্তাহ ধরে কোনো আটা ছাড়াই চলতে পারি। কখনো কখনো আমরা দিনে মাত্র একবারই খাই; ডাল, এবং কখনোা কখনো আমরা খাওয়ার জন্য কিছুই পাই না আমরা কেবল পেট ভরে রাখার জন্য পানি পান করে দিন কাটাই।”

জামিলের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে এবং তার সব সন্তানই ১২ বছরের কম বয়সী। খাবারের জন্য তারা জীবনের ঝুঁকি নিতে চাইলেও, তারা তা করতে পারছে না।

তিনি বলেন, “আমি আমার সন্তানদের খাবার সরবরাাহের জন্য অবিচল থাকার চেষ্টা করি। আমরা বিশ্বকে অনেক বার্তা পাঠিয়েছি, কিন্তু কেউ আসেনি। আমরা আর কী বলব জানি না। আমি বিশ্বকে শুধু এটুকুই বলতে পারি যে আমরা ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছি, এই ট্র্যাজেডি থেকে আমাদের বাঁচান।”

এদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনি মৃতের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তবে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ব্যক্তিদেরসহ প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি হতে পারে।

এছাড়া বোমা এবং বন্দুকযুদ্ধের সাথে সাথে দুর্ভিক্ষের কারণে নির্বিচারে হত্যার শিকার মানুষের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

গত মঙ্গলবার, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য সাহায্য সংস্থার বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল বলেছে, গাজা উপত্যকায় বর্তমানে দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি চলছে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page