October 4, 2026, 11:28 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে আদালতের ডিক্রিপ্রাপ্ত জমি দখলের অভিযোগ ; বিবাদীদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর ক্ষোভ ও মানববন্ধন যশোরের শার্শায় পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ থেকে বিনামূল্যে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ : মাইকেল মিলার  নোয়াখালীতে বিভিন্ন মাদক মিশিয়ে বানানো ‘ঝাক্কাস’ সেবন করে তরুণের মৃত্যু ; ৪ জন হাসপাতালে সিরাজগঞ্জে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা আকাশেই গতিপথ বদলাতে সক্ষম এআই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া
এইমাত্রপাওয়াঃ

চট্টগ্রামে মিথ্যা মামলা করায় বাদীকে ৩ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মিথ্যা মামলা দিয়ে সৎ ছেলেকে হাজতবাস করানোসহ হয়রানির মামলায় সায়রা বানু (৫৫) নামে চট্টগ্রামের রাউজানের এক গৃহবধূকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক জয়নাল আবেদিন এই রায় দেন। একই রায়ে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক। দণ্ডপ্রাপ্ত সায়রা বানু রাউজান থানার আধারমানিক গ্রামের মৃত হাছি মিয়ার স্ত্রী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জিকো বড়ুয়া বলেন, যৌনপীড়নের অভিযোগ এনে মিথ্যা মামলা করায় সায়রা বানু নামের ওই গৃহবধূকে তিন বছরের কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৪ মে রাউজান থানার আধারমানিক গ্রামের সায়রা বানু সৎপুত্র দ্বারা যৌনপীড়নের শিকার হয়েছেন অভিযোগ এনে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। ট্রাইব্যুনাল বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশি প্রতিবেদনের পর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলায় বাদীর সৎপুত্র আসামি মাহবুবুল আলমকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এতে তিন মাস হাজতবাস করে জামিন পান মাহবুবুল। পরে বিচারে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মাহবুবুলসহ অন্য আসামিদের খালাস দেন বিচারক।

পরে মিথ্যা মামলায় আর্থিক, শারীরিক, সামাজিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতি ও হয়রানির অভিযোগে মামলার বাদী সায়রা বানুর বিরুদ্ধে একই ট্রাইব্যুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১৭(১) ধারায় মামলা দায়ের করেন খালাসপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুল আলম।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সৎমা হয়ে বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার জন্য সায়রা বানু মিথ্যা মামলা দিয়ে মাহবুবুলকে হয়রানি করছিলেন। ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ট্রাইব্যুনাল বুধবার রায় দেন।



Our Like Page