April 26, 2026, 2:34 pm
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত আগস্টেই রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ : প্রযুক্তিমন্ত্রী প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ফরিদপুরে মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে যুবককে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন চাঁদপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে মিলল শিশুর মরদেহ মোজতবা খামেনির হাতে লেখা চিরকুটে চলছে ইরান ৫ শর্তে আটকে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন বিপজ্জনক : ট্রাম্প বর্তমান সরকার মানুষের আশার প্রতিফলন : প্রধানমন্ত্রী জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

জিয়া-খালেদার বর্বরতার শিকারদের আর্তনাদ শুনুন : মানবাধিকার সংস্থার নেতৃবৃন্দদের প্রতি তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থা ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার নির্মম বর্বরতার শিকার এবং তাদের স্বজনদের কান্না ও আর্তনাদ শোনার আহ্বন জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এটি সত্যিকার অর্থে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে এবং অবশ্যই এ অপরাধের বিচার করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

বুধবার (১২ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে ২০১৩-১৪-১৫ সালে পেট্রোলবোমা হামলায় নিহতদের পরিবার ও আহতদের সংগঠন ‘অগ্নিসন্ত্রাসের আর্তনাদ’ এবং ১৯৭৭ সালে সামরিক জান্তার হাতে বিনা বিচারে নিহতদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের কান্না’ আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের নির্মমতায় ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। হাজার হাজার সেনাসদস্যকে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছে, এমনকি আগে ফাঁসি কার্যকর করে পরে রায় দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। রাতের বেলায় ঘুমন্ত অফিসারকে ধরে নিয়ে গিয়ে কোনো বিচার ছাড়াই জেলে ঢুকিয়ে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।’

‘নামের মিল থাকার কারণে একজনের পরিবর্তে আরেকজনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যখন ভুল অফিসারকে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাচ্ছে, তখন সে আর্তনাদ করেছে যে, আমি নই-আমি নই, এটা আমি নই। কিন্তু কে শোনে কার কথা! ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সেই নির্মমভাবে নিহতদের সন্তানরা আজ ‘মায়ের কান্না’ ব্যানারে কান্নারত।”

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বয়োবৃদ্ধ সার্জেন্ট কামাল আজ বক্তব্য রেখেছেন, তিনি নিজেই অগ্নিসন্ত্রাসের শিকার। যারা রাজনীতি জানে না, রাজনীতি বোঝেন না, রাজনীতি করেন না সেই নিরপরাধ সাধারণ মানুষ যারা নিতান্তই জীবিকার তাগিদে রাস্তায় বের হয়েছিল, এমন শত শত মানুষ ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে রেহাই পায়নি। খালেদা জিয়া-তারেক জিয়ার সন্ত্রাসী-পেটুয়াবাহিনী মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাসসহ তাদের নেতাদের পরিচালনায়, অর্থায়নে, নির্দেশে তাদের ওপর পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া, মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাসসহ যারা আজ লম্বা লম্বা কথা বলেন তারা সবাই এ অগ্নিসন্ত্রাসের হুকুমদাতা এবং নির্মমতার জন্য দায়ী।’

আজ যারা মানবাধিকারের কথা বলে, প্রেসক্রিপশন দেয়, যখন বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করা হয়েছিল তখন তারা কোথায় ছিল? প্রশ্ন রেখে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘একজন মানুষের পিতা কিংবা আত্মীয় পরিবার-পরিজনের হত্যাকাণ্ডের বিচার চাওয়ার অধিকার আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানার বিচার চাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তখন মানবাধিকার কোথায় ছিল!’

মানববন্ধনে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর এবং বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতাদের বিচার দাবি করে বক্তব্য দেন ছেলেহারা মমতাজ বেগম, অগ্নিসন্ত্রাসে দগ্ধ সার্জেন্ট কামাল পাশা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভুঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক জিনাত হুদা, বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের সহ-সভাপতি জেসমিন সুলতানা, ঢাবির ফার্মাসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার, ‘মায়ের কান্না’র উপদেষ্টা প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া, ‘অগ্নিসন্ত্রাসের আর্তনাদে’র আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন বাবু, ‘মায়ের কান্না’র আহ্বায়ক কামরুজ্জামান লেলিন, মানববন্ধন সমন্বয়ক রাশেদুল ইসলাম রাসেল প্রমুখ।

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page