August 17, 2026, 4:31 pm
শিরোনামঃ
আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা অনুমাননির্ভর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিগত সরকার তিস্তা নিয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি : পানিসম্পদ মন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি : শিক্ষামন্ত্রী সৌরবিদ্যুতে ব্যাটারি চার্জ হলে রেজিস্ট্রেশন পাবে রিকশা : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ৪ শতাংশ কৃষি খাতে বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঝিনাইদহের মহেশপুরে বুকসমান কাদায় তিন মাস বন্দী ৪ মহিষ ; ইউএনওর হস্তক্ষেপে উদ্ধার রাঙ্গামাটিতে ছেলেকে বাঁচিয়ে কাপ্তাই হ্রদে তলিয়ে গেলেন বাবা ; ১৬ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার গাজায় প্রতি রাতে ৩০-৪০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা উচিত : ইসরায়েলের নিরাপত্তামন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে যুক্ত হওয়ার ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো দক্ষিণ কোরিয়া ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার
এইমাত্রপাওয়াঃ

টাঙ্গাইলে ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে বাড়ছে দর্শনার্থী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মিত টাঙ্গাইলের ‘শহীদ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’ মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতাপূর্ণ যুদ্ধদিনের নানা স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে এ জাদুঘরে। প্রতিদিনই এখানে আসছেন নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা। জেলা প্রশাসন বলছে, ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মিত হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব সহযোগিতাই করা হবে।

টাঙ্গাইলে শহীদ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১০ সালে। প্রথমে এটি শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায়, পরবর্তীতে শহরের পাশে এনায়েতপুরে স্থায়ীভাবে স্থানান্তর করা হয়। জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা ও কাদেরিয়া বাহিনীর বেসামরিক প্রধান সাবেক রাষ্ট্রদূত আনোয়ার উল আলম শহীদ। ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর করোনা আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

জাদুঘরে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দলিল, চিঠি-পত্রসহ মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গন, প্রশিক্ষণ, যুদ্ধ, মিত্রবাহিনীর অবতরণ, প্যারাটুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্থিরচিত্র। এছাড়া মিত্রবাহিনীর প্যারাস্যুট, প্যারাটুপার ব্যাগ, বুলেট, রিভলবার, হানাদার বাহিনীর অস্ত্রবোঝাই জাহাজ যমুনা নদীতে ধ্বংস করার পর ধ্বংসাবশেষসহ বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্নও স্থান পেয়েছে জাদুঘরে।

দর্শনার্থীরা জানান, সময় পেলেই আমরা নতুন প্রজন্ম এই জায়গায় আসি। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের বিভিন্ন দুর্লভ স্মৃতি এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আমরা জানতে পারছি।

শহীদ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি আনোয়ার উল আলম শহীদের সহধর্মিনী ডাক্তার সাঈদা খান আলম জানান, পরবর্তী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতেই এই উদ্যোগ।

ডাক্তার সাঈদা খান আলম বলেন, “আমরা স্বাধীনতা পেলাম, স্বাধীন দেশ ও পতাকা পেলাম। তাকে সমুন্নত রাখতে যা করা উচিত তা উনি লালন করতেন।”

জাদুঘরটি প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবার জন্য উম্মুক্ত। প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা আসছে জাদুঘরটি দেখতে।

শহীদ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি আরও বলেন, “এর সংরক্ষণগুলো, স্মৃতিচিহ্নগুলো দেখে মুক্তিযুদ্ধের কিছুটা হলেও বুঝতে পারবে।”

জেলা প্রশাসন বলছে, মহৎ এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে সহায়তা করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ডক্টর মোঃ আতাউল গনি বলেন, “এই কাজটাই কিন্তু তিনি আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে করে গেছেন। এটা চিরন্তন অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ হয়ে থাকবে।”

শহীদ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরই টাঙ্গাইলের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ করছে। জাদুঘরকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি সহযোগিতার দাবি টাঙ্গাইলবাসীর।

আজকের বাংলা তারিখ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  


Our Like Page