October 29, 2026, 7:53 pm
শিরোনামঃ
যশোরের দৈনিক কল্যাণ সম্পাদক একরাম-উদ-দ্দৌলার সুস্থতা কামনা ঝিনাইদহের মহেশপুরে সারের কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষে ১২ জন আহত বিশ্বের শ্রমবাজারে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দক্ষ জনশক্তি ও ভাষা শিক্ষায় গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আসবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিজিটাল পদ্ধতিতে আসামি হাজিরা চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার : আইনমন্ত্রী সায়মা ওয়াজেদের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ মুন্সীগঞ্জে পৃথক সংঘর্ষ ও হামলায় টেঁটাবিদ্ধসহ ৯ জন আহত ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে তিন ভারতীয় নাগরিকসহ ৮ জন আটক বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন তরুণদের জ্ঞান-বিশ্বাস-আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান মোজতবা খামেনির
এইমাত্রপাওয়াঃ

দুর্নীতি মামলায় সাবেক বিচারপতি জয়নুলের বিচার শুরু

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীন ও তার ছেলে মো. ফয়সাল আবেদীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮ এর বিচারক মো. বদরুল আলম ভূঞা এ অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীনের ছেলে মো. ফয়সাল আবেদীন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
সোমবার দুদকের আইনজীবী রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘রোববার সাবেক বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীন ও তার ছেলে মো. ফয়সাল আবেদীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। অভিযোগ গঠন শুনানির সময় জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন। তবে তার ছেলে ফয়সাল আবেদীন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। আগামী ৩০ মে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য রয়েছে।
২০১৯ সালের ২১ জুলাই অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জয়নুল আবেদীনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। সম্প্রতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক গোলাম মাওলা দু’জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জয়নুল আবেদীনের মোট সম্পদ এক কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার ১৭৪ টাকা। তার ১৯৮২-১৯৮৩ কর বর্ষ থেকে ২০১০-১১ কর বর্ষ পর্যন্ত পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে ব্যয় হয়েছে ৬৪ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯ টাকা। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ অর্জিত সম্পদ ১ কোটি ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ২১৩ টাকা। এর বিপরীতে আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১ কোটি ৮৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩০৪ টাকার। তার আয়ের তুলনায় ৯ লাখ ৪৯ হাজার ৯০৯ টাকা বেশি সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, জয়নুল আবেদীন তার ছেলেকে ২৬ লাখ টাকা ঋণ দিয়েছিলেন বলে ঘোষণা দেন, যা তার ছেলে ফয়সাল আবেদীনের আয়কর নথিতে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু বিচারপতির আয়কর রিটার্নে ২৬ লাখ টাকা ঋণ দান এবং ফেরত প্রাপ্তির কোনও তথ্য নেই। বিচারপতির দাখিল করা সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে দাখিল করা ব্যাংক স্টেটমেন্টে (২০০৫-২০০৬ এবং ২০০৬-২০০৭ অর্থবছর) তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ২৬ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য নেই। ফয়সাল আবেদীনের আয়কর নথিতে তার দায় ক্রমান্বয়ে পরিশোধ দেখানো হলেও জয়নুল আবেদীনের কাছে টাকা পরিশোধের কোনও দালিলিক প্রমাণ পাওয়া পাওয়া যায়নি, যা থেকে দুদক প্রমাণ পেয়েছে জয়নুল আবেদীন তার অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বৈধ করার জন্য ২৬ লাখ টাকা  ফয়সাল আবেদীনের ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ করেন।
এছাড়া, জয়নুল আবেদীন তার স্ত্রীর নামে ৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ থাকার হিসাব দাখিল করেন। দুদকের তদন্তে উঠে আসে, জয়নুল আবেদীন ৩৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯০৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করে তা নিজ ভোগদখলে রাখা এবং ছেলেকে ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য দেওয়া ২৬ লাখ টাকা নিজ আয়কর নথিতে ও দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে প্রদর্শন না করে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। মো. ফয়সাল আবেদীন বাবার ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ২৬ লাখ টাকা জেনেশুনে বৈধ করার জন্য সম্পত্তি ক্রয় ও দখলে রেখে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেন।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩
  • ১৮ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮


Our Like Page