May 30, 2026, 8:22 pm
শিরোনামঃ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছে বিএনপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন কুষ্টিয়ায় শিশুকে নদে ফেলে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের ফরিদপুরে সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৩০ চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অমরত্বের সন্ধানে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাশিয়া ইরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মির্জা ফখরুল
এইমাত্রপাওয়াঃ

নিখুঁত হাসি শেখাতে জাপানে খোলা হয়েছে স্কুল

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : গোমড়ামুখো হয়ে যাওয়া জাপানিদের জন্য খোলা হয়েছে নিখুঁত হাসি শেখার স্কুল। মূলত কোভিড মহামারির কারণে দীর্ঘদিন মাস্কে ঢাকা থাকায় মুখের অভিব্যক্তি প্রকাশই যেন ভুলে গেছেন অনেকে। তাই স্মাইল এডুকেশন ক্লাসে ভর্তি হয়ে নিচ্ছেন প্রশিক্ষণ। ঘণ্টাপ্রতি ক্লাসের জন্য গুনতে হচ্ছে ৫৫ দশমিক চার তিন ডলার।

হাসতে নাকি জানেনা কেউ। জাপানের জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশকে দেখলে এখন এমনটিই মনে হতে পারে। রীতিমতো গাল টেনে টেনে চলছে হাসার চেষ্টা। এই দৃশ্য রাজধানী টোকিওর একটি স্কুলের। যার নাম ইগাওইকু।

প্রচলিত কোনো ক্লাস নয়, এখানে চলছে হাসির প্রশিক্ষণ। নোট নিচ্ছেন মনোযোগী শিক্ষার্থীরা। আয়নার সামনে চলছে অনুশীলন। উপরে, নিচে, সামনে, পেছনে টেনে টেনে চলছে মুখমণ্ডলের ব্যায়াম।

২০১৭ সালে হাসি প্রশিক্ষণের স্কুলটি তৈরি করেন জাপানের সাবেক রেডিও উপস্থাপক কেইকো। পদার্থবিদ্যা ও মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে হাসির গুরুত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন লেখাপড়ার পর তৈরি করেছেন এই লেসন। বর্তমানে ২৩ জন প্রশিক্ষিত শিক্ষক কাজ করছেন তার স্কুলে। শিক্ষার্থী সংখ্যাও কম নয়। মহামারির পর যা বেড়েছে চারগুণ।

স্কুলটির প্রশিক্ষক কেইকো কাওয়ানো বলেন মুখ, গাল, চোখ। এই হলো প্রকৃত হাসির ক্রম। মহামারিতে বাড়িতে থাকতে থাকতে মুখের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো নড়াচড়া না করাই অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যায়। কিন্তু হাসির মাধ্যমে আরও বেশি মানুষের কাছাকাছি যেতে পারবেন আপনি। জীবন সুন্দর হবে। একটি হাসিমুখ মানে হলো একজন সুখী মানুষের মুখ।

বিভিন্ন ভাইরাস নিয়ে সচেতন জাপানিদের মাঝে কোভিডের আগে থেকেই মাস্কের ব্যবহার বেশ নিয়মিত। মহামারির পর মাস্ক পরার বিধিনিষেধ তুলে নিলেও মাত্র ৮ শতাংশ মানুষ মাস্ক পরা পুরোপুরি ছেড়েছে। সূত্র : রয়টার্স

 

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page