May 4, 2026, 5:41 am
শিরোনামঃ
মাগুরায় এইচবিবি প্রকল্পের কাজ নিম্ন মানের ইট দিয়ে করার অভিযোগ জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের সব পদেই কাজ করার মানসিকতা থাকা জরুরি : প্রধানমন্ত্রী হাওড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস সহায়তা দেবে সরকার : কৃষিমন্ত্রী সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মালিকদের হস্তক্ষেপের কারণে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা এখন তলানিতে : কামাল আহমেদ  মৌলভীবাজারে নামাজে সিজদারত অবস্থায় কলম দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যা নেত্রকোনায় প্রতিবেশীর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত পশ্চিমবঙ্গে একাধিক কেন্দ্রের ভোট বাতিল ; ২১ মে পুনর্নির্বাচন পারমাণবিক চুক্তিতে ইরানের কাছে ছাড় চান ট্রাম্প মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আগে থেকেই ইঙ্গিত ছিল : জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

প্রধান বিচারপতির কাছে জেড আই পান্না ও অধ্যাপক মাসুম বিল্লাহর খোলা চিঠি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের গ্রেপ্তারের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে একটি খোলা চিঠি দিয়ে বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন দেশের দুই বিশিষ্ট নাগরিক জেড আই খান পান্না ও অধ্যাপক এস এম মাসুম বিল্লাহ।

চিঠিতে তারা সাবেক প্রধান বিচারপতিকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারের এ ঘটনাকে দেশের বিচাররিক সংস্কৃতির জন্য একটি  অশনিসংকেত ও কলঙ্কের তিলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, “মানবিক অভিজ্ঞান বলে যে, এটি আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ন্যায়পরিচালন ব্যবস্থার জন্য একটি অশনি সংকেত হয়ে দেখা দেবে।”

বীর মুক্তিযোদ্ধা, মানবাধিকার কর্মী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান আইন বিভাগের অধ্যাপক (শিক্ষা ছুটিতে) ও ফ্রান্সের কোত দ্য জুর ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে কর্মরত অধ্যাপক এস এম মাসুম বিল্লাহ যৌথভাবে এই চিঠি দেন।

খোলা চিঠির বিষয়টি জেড আই খান পান্না চ্যানেল আইকে নিশ্চিত করেছেন।

চিঠিতে তারা বলেন, সহ-বিচারকদের সহযোগে শুদ্ধ রায় দেবার কারণে বা এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক অর্ধসত্য-অসত্য মিলিয়ে মামলা দিয়ে তাকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে, তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়। মানবিক অভিজ্ঞান বলে যে, এটি আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ন্যায়পরিচালন ব্যবস্থার জন্য একটি অশনি সংকেত হয়ে দেখা দেবে।

বিশেষ করে সাংবিধানিক মামলায় বিচারিক মতামতের বিরুদ্ধে এবং জুলাই আন্দোলনে ঢাকায় বা এর উপকণ্ঠে সংঘটিত কোন হত্যায় কাল্পনিকভাবে, মামলা দায়েরের একটি অসুস্থ ও অযাচিত ধারা অনুসরণ করে, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, অবিশ্বাস্য ও অগ্রহণযোগ্য ফৌজদারী মামলা করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতার করে যেভাবে হাতকড়া পরানো হয়েছে, আদালতে হাজির করা হয়েছে, রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে ইত্যাদি যেকোনো সংবিধানিক-ফৌজদারি-আইনবিজ্ঞানের মানদন্ডে অগ্রহণযোগ্য।

বিচারকদের সুরক্ষার সুপ্রতিষ্ঠিত যে সকল বিধিবদ্ধ বা কমন ‘ল নীতি রয়েছে, কোনো (প্রধান) বিচারপতির গ্রেপ্তার তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাই এই ঘটনা আমাদের বিচারিক সংস্কৃতিতে এক কলঙ্কের তিলক হিসেবে দেখা দিয়েছে।

তাই তারা প্রধান বিচারপতিকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনি নিদেনপক্ষে বিচারপতি খায়রুল হকের জামিনের পথের অদৃশ্য বাধাগুলোতে নজর দিন এবং তার পক্ষে যোগ্য আইনি লড়াই হবার পথ উন্মুক্ত করুন।”

চিঠির শেষে তারা সকল ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াকে এই খোলা চিঠিটি জনপরিসরে তুলে ধরতে অনুরোধ জানান এবং আইনজীবীদের এই চিঠিকে আদালতে এপিসটোলারি জুরিসডিকশনের আওতায় পেশ করার আহ্বান জানান। সৌজন্যে : চ্যানেল আই অনলাইন

আজকের বাংলা তারিখ

May ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১


Our Like Page