October 15, 2026, 6:37 pm
শিরোনামঃ
কৃষিখাত লাভজনক করতে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কাজ করছে সরকার : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকালে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ওয়াকআউট  চট্টগ্রামে প্রথম বিয়ের তথ্য জেনে যাওয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা খুলনায় পুলিশকে কুপিয়ে টাকা-মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগে ২ জন আটক মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’ ; মক্কায় দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ ইরানের ওপর ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে : ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার
এইমাত্রপাওয়াঃ

মালিকদের হস্তক্ষেপের কারণে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা এখন তলানিতে : কামাল আহমেদ 

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা বর্তমানে তলানিতে এসে ঠেকেছে বলে মন্তব্য করেছেন দ্য ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর কামাল আহমেদ। তার মতে, এ পরিস্থিতির জন্য প্রধানত দায়ী গণমাধ্যমের মালিকদের হস্তক্ষেপ। তিনি বলেন, ‘সরকারের দিক থেকে এখন পর্যন্ত কোনো চাপ আমরা অনুভব করছি না কিন্তু মালিকদের দিক থেকে সেটা আমরা দেখি।’

রোববার (৩ মে) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইউনেস্কো ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ আয়োজিত বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কামাল আহমেদ বলেন, গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে, কারণ গণমাধ্যম যথেষ্ট স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। এই স্বাধীনতার ওপরে আঘাত এসেছে দুটো দিক থেকে। একটি হলো বিগত স্বৈরশাসনের নিয়ন্ত্রণ ও ভয়ীভিতি, অন্যটি অর্থনৈতিক কারণ। মালিকদের প্রভাব ও করপোরেট স্বার্থ।

কামাল আহমেদ আরও বলেন, কিছু কিছু গণমাধ্যমের মালিকের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের কারণে সম্পাদকেরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। উদাহরণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেন, সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী যখন অর্থ পাচারকারী বা ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করেন, তখন কিছু গণমাধ্যম সেই তালিকা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না। অনেক ক্ষেত্রে মালিকের নাম বাদ দিয়ে অন্যদের নাম প্রকাশ করা হয়। এমন যখন ঘটে, তখন বিশ্বাসযোগ্যতা কোথায় গিয়ে ঠেকবে?

গণমাধ্যমের প্রতি আস্থাহীনতার পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্য ও ভুয়া তথ্যকেও দায়ী করেন কামাল আহমেদ। তিনি বলেন, এগুলোর বেশির ভাগই রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীস্বার্থে কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে খাটো করার জন্য, বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য প্রচার করা হয়। এগুলো দেখার পরে সাধারণ পাঠক যখন একই ঘটনা সংবাদমাধ্যমে ভিন্নভাবে দেখেন, তখন তাদের জন্য সেটি বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ সংকট ভবিষ্যতে আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি ।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে টেকসই অর্থনৈতিক মডেলের ওপর গুরুত্ব দেন কামাল আহমেদ। তিনি বলেন, সরকার বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর আর্থিক সহায়তার ওপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়লে গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে ‘কমপ্রোমাইজ’ হবে। সে জন্যই আর্থিক স্বাধীনতার পথ বের করতে হবে। ‘পজিশন’ ধরে রাখতে যে সম্পাদকেরা মালিকদের সঙ্গে আপস করছেন তাদেরকেও দায়িত্বশীল হয়ে পেশার পক্ষে দাঁড়াতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন গণমাধ্যমে নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। সভার উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুজান ভাইজ। এতে আরও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, যমুনা টিভির সিইও ফাহিম আহমেদ, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ, সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নি প্রমুখ।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩
  • ৪ঠা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮
October ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Sep    
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page