September 25, 2026, 12:17 pm
শিরোনামঃ
জাতিসংঘে দূরদর্শী ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন জাতিসংঘে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ আদালতের নির্দেশ ছাড়া একাধিক মামলার সাজা একসঙ্গে নয় : হাইকোর্ট ভারত-বাংলাদেশ যৌথ আয়ুর্বেদ গবেষণাকেন্দ্র গড়ার প্রস্তাব দীনেশ ত্রিবেদীর ময়মনসিংহে প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার মুন্সিগঞ্জে অগ্রণী ব্যাংক থেকে ১.৩৭ কোটি টাকা নিয়ে উধাও কর্মকর্তা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদির বন্দর রক্ষায় সেনা-প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠাবে ফ্রান্স ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল কলম্বিয়া
এইমাত্রপাওয়াঃ

মালিকদের হস্তক্ষেপের কারণে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা এখন তলানিতে : কামাল আহমেদ 

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা বর্তমানে তলানিতে এসে ঠেকেছে বলে মন্তব্য করেছেন দ্য ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর কামাল আহমেদ। তার মতে, এ পরিস্থিতির জন্য প্রধানত দায়ী গণমাধ্যমের মালিকদের হস্তক্ষেপ। তিনি বলেন, ‘সরকারের দিক থেকে এখন পর্যন্ত কোনো চাপ আমরা অনুভব করছি না কিন্তু মালিকদের দিক থেকে সেটা আমরা দেখি।’

রোববার (৩ মে) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইউনেস্কো ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ আয়োজিত বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কামাল আহমেদ বলেন, গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে, কারণ গণমাধ্যম যথেষ্ট স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। এই স্বাধীনতার ওপরে আঘাত এসেছে দুটো দিক থেকে। একটি হলো বিগত স্বৈরশাসনের নিয়ন্ত্রণ ও ভয়ীভিতি, অন্যটি অর্থনৈতিক কারণ। মালিকদের প্রভাব ও করপোরেট স্বার্থ।

কামাল আহমেদ আরও বলেন, কিছু কিছু গণমাধ্যমের মালিকের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের কারণে সম্পাদকেরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। উদাহরণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেন, সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী যখন অর্থ পাচারকারী বা ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করেন, তখন কিছু গণমাধ্যম সেই তালিকা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না। অনেক ক্ষেত্রে মালিকের নাম বাদ দিয়ে অন্যদের নাম প্রকাশ করা হয়। এমন যখন ঘটে, তখন বিশ্বাসযোগ্যতা কোথায় গিয়ে ঠেকবে?

গণমাধ্যমের প্রতি আস্থাহীনতার পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্য ও ভুয়া তথ্যকেও দায়ী করেন কামাল আহমেদ। তিনি বলেন, এগুলোর বেশির ভাগই রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীস্বার্থে কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে খাটো করার জন্য, বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য প্রচার করা হয়। এগুলো দেখার পরে সাধারণ পাঠক যখন একই ঘটনা সংবাদমাধ্যমে ভিন্নভাবে দেখেন, তখন তাদের জন্য সেটি বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ সংকট ভবিষ্যতে আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি ।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে টেকসই অর্থনৈতিক মডেলের ওপর গুরুত্ব দেন কামাল আহমেদ। তিনি বলেন, সরকার বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর আর্থিক সহায়তার ওপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়লে গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে ‘কমপ্রোমাইজ’ হবে। সে জন্যই আর্থিক স্বাধীনতার পথ বের করতে হবে। ‘পজিশন’ ধরে রাখতে যে সম্পাদকেরা মালিকদের সঙ্গে আপস করছেন তাদেরকেও দায়িত্বশীল হয়ে পেশার পক্ষে দাঁড়াতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন গণমাধ্যমে নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। সভার উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুজান ভাইজ। এতে আরও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, যমুনা টিভির সিইও ফাহিম আহমেদ, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ, সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নি প্রমুখ।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page